• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> বাংলাদেশ

স্কুল ফিডিং প্রকল্প

স্কুলে খাবার মজুত রাখার সুযোগ নেই, অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী

আমার শহর ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৬, ১৮: ৩৪
logo

স্কুলে খাবার মজুত রাখার সুযোগ নেই, অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী

আমার শহর ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৬, ১৮: ৩৪
Photo

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবার স্কুলে মজুত করে রাখার কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেন, প্রতিদিনের খাবার প্রতিদিনই শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। খাবারের মান, সরবরাহ বা বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজ রোববার রাজধানীর মিরপুরের প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে (পিটিআই) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচি বাস্তবায়ন নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সরকারের ব্যবসায়িক সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে না। আমরা চাই, বাচ্চাদের কাছে সঠিকভাবে খাবার পৌঁছাক। যারা এ কাজে দায়িত্বে আছেন, তারা যদি দায়িত্বশীল না হন, তাহলে ভবিষ্যতে তাদের চাকরি বা ব্যবসা কোনোটারই নিশ্চয়তা থাকবে না। সরকার ব্যবসাবান্ধব হলেও সেটি এই অর্থে নয় যে, সেবা না দিয়েও টাকা নেওয়া যাবে। ব্যবসার মূল শর্ত হচ্ছে সঠিকভাবে চাহিদা পূরণ করা। আর এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো শিশুদের কাছে পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়া।

তিনি বলেন, বর্তমানে ১৫১ উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু রয়েছে। প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্প জাতীয় বাজেটের প্রায় এক শতাংশের সমান। এত বড় প্রকল্পে অনিয়ম হলে জনগণের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হবে। গত কয়েক মাসের অভিজ্ঞতা থেকে সরকার নতুন কিছু নির্দেশনা তৈরি করেছে। এসব নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী সাত দিনের মধ্যে সব সরবরাহকারীকে তাদের পূর্ণ সরবরাহব্যবস্থার (সাপ্লাই চেইন) মানচিত্র জমা দিতে হবে। কোনো কারখানা থেকে পণ্য নেওয়া হচ্ছে, কোথা থেকে কোথায় সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে সব তথ্য স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।

তিনি বলেন, দূরের জেলা থেকে খাবার সরবরাহের কারণে অনেক ক্ষেত্রে মান ঠিক থাকছে না। স্থানীয়ভাবে সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, যেখানে স্থানীয়ভাবে খাবার পাওয়া যায়, সেখানে তিন জেলা দূর থেকে পণ্য আনার প্রয়োজন নেই।

খাদ্যমান নিশ্চিত করতে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে যোগ্য ফুড টেকনিশিয়ান নিয়োগের নির্দেশ দিয়ে তিনি আরও বলেন, এত বড় প্রকল্প পরিচালনা করছেন, অথচ একজন ফুড টেকনিশিয়ান রাখতে পারবেন না এটা গ্রহণযোগ্য নয়। সরকার যৌক্তিক সহযোগিতা করবে। তবে রাস্তা, রুট পরিকল্পনা, সংরক্ষণ ও পরিবহনব্যবস্থা সম্পর্কে আগাম পরিকল্পনা করা সরবরাহকারীদেরই দায়িত্ব।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার চাইছে সব প্রতিষ্ঠান সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করুক। তবে সেই ব্যবসার মাধ্যমে যেন শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত হয়, সেটিই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, মিড-ডে মিলের প্রজেক্ট ডিরেক্টরসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Thumbnail image

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবার স্কুলে মজুত করে রাখার কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেন, প্রতিদিনের খাবার প্রতিদিনই শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। খাবারের মান, সরবরাহ বা বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজ রোববার রাজধানীর মিরপুরের প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে (পিটিআই) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচি বাস্তবায়ন নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সরকারের ব্যবসায়িক সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে না। আমরা চাই, বাচ্চাদের কাছে সঠিকভাবে খাবার পৌঁছাক। যারা এ কাজে দায়িত্বে আছেন, তারা যদি দায়িত্বশীল না হন, তাহলে ভবিষ্যতে তাদের চাকরি বা ব্যবসা কোনোটারই নিশ্চয়তা থাকবে না। সরকার ব্যবসাবান্ধব হলেও সেটি এই অর্থে নয় যে, সেবা না দিয়েও টাকা নেওয়া যাবে। ব্যবসার মূল শর্ত হচ্ছে সঠিকভাবে চাহিদা পূরণ করা। আর এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো শিশুদের কাছে পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়া।

তিনি বলেন, বর্তমানে ১৫১ উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু রয়েছে। প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্প জাতীয় বাজেটের প্রায় এক শতাংশের সমান। এত বড় প্রকল্পে অনিয়ম হলে জনগণের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হবে। গত কয়েক মাসের অভিজ্ঞতা থেকে সরকার নতুন কিছু নির্দেশনা তৈরি করেছে। এসব নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী সাত দিনের মধ্যে সব সরবরাহকারীকে তাদের পূর্ণ সরবরাহব্যবস্থার (সাপ্লাই চেইন) মানচিত্র জমা দিতে হবে। কোনো কারখানা থেকে পণ্য নেওয়া হচ্ছে, কোথা থেকে কোথায় সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে সব তথ্য স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।

তিনি বলেন, দূরের জেলা থেকে খাবার সরবরাহের কারণে অনেক ক্ষেত্রে মান ঠিক থাকছে না। স্থানীয়ভাবে সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, যেখানে স্থানীয়ভাবে খাবার পাওয়া যায়, সেখানে তিন জেলা দূর থেকে পণ্য আনার প্রয়োজন নেই।

খাদ্যমান নিশ্চিত করতে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে যোগ্য ফুড টেকনিশিয়ান নিয়োগের নির্দেশ দিয়ে তিনি আরও বলেন, এত বড় প্রকল্প পরিচালনা করছেন, অথচ একজন ফুড টেকনিশিয়ান রাখতে পারবেন না এটা গ্রহণযোগ্য নয়। সরকার যৌক্তিক সহযোগিতা করবে। তবে রাস্তা, রুট পরিকল্পনা, সংরক্ষণ ও পরিবহনব্যবস্থা সম্পর্কে আগাম পরিকল্পনা করা সরবরাহকারীদেরই দায়িত্ব।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার চাইছে সব প্রতিষ্ঠান সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করুক। তবে সেই ব্যবসার মাধ্যমে যেন শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত হয়, সেটিই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, মিড-ডে মিলের প্রজেক্ট ডিরেক্টরসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

চামড়ার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় কন্ট্রোল রুম চালু করল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

২

স্কুলে খাবার মজুত রাখার সুযোগ নেই, অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী

৩

সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে দেশ সবুজ ও টেকসই উন্নয়নের মডেল রাষ্ট্রে পরিণত হবে: প্রধানমন্ত্রী

৪

আজ থেকে বিশেষ নৌরুটে লঞ্চ চলাচল, সদরঘাটে মালামাল পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা

৫

ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য ১০ বিশেষ ট্রেন চলাচল শুরু আজ

সম্পর্কিত

চামড়ার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় কন্ট্রোল রুম চালু করল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

চামড়ার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় কন্ট্রোল রুম চালু করল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

৭ ঘণ্টা আগে
সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে দেশ সবুজ ও টেকসই উন্নয়নের মডেল রাষ্ট্রে পরিণত হবে: প্রধানমন্ত্রী

সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে দেশ সবুজ ও টেকসই উন্নয়নের মডেল রাষ্ট্রে পরিণত হবে: প্রধানমন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে
আজ থেকে বিশেষ নৌরুটে লঞ্চ চলাচল, সদরঘাটে মালামাল পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা

আজ থেকে বিশেষ নৌরুটে লঞ্চ চলাচল, সদরঘাটে মালামাল পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা

১৩ ঘণ্টা আগে
ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য ১০ বিশেষ ট্রেন চলাচল শুরু আজ

ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য ১০ বিশেষ ট্রেন চলাচল শুরু আজ

১৩ ঘণ্টা আগে