আমার শহর ডেস্ক

দীর্ঘদিন মরণব্যাধি ব্রেইন টিউমারের সঙ্গে লড়াই করে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।
আজ মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তার মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার, সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জবি শিক্ষক মুহাম্মদ জহিরুল ইসলামের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।
আজ মঙ্গলবার এক যৌথ শোকবার্তায় তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় বলা হয়, “মহান আল্লাহ তা’আলা যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন এবং তার পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দান করেন।
সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন শিশু সন্তান, ভাই-বোনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় লক্ষ্মীপুর জেলার চাঁদখালী গ্রামে তার নিজ বাড়িতে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

দীর্ঘদিন মরণব্যাধি ব্রেইন টিউমারের সঙ্গে লড়াই করে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।
আজ মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তার মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার, সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জবি শিক্ষক মুহাম্মদ জহিরুল ইসলামের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।
আজ মঙ্গলবার এক যৌথ শোকবার্তায় তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় বলা হয়, “মহান আল্লাহ তা’আলা যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন এবং তার পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দান করেন।
সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন শিশু সন্তান, ভাই-বোনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় লক্ষ্মীপুর জেলার চাঁদখালী গ্রামে তার নিজ বাড়িতে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।