আমার শহর ডেস্ক

বরেণ্য চিত্রশিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই। আজ সোমবার সকালে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
পরিবার সূত্র জানায়, চলতি মাসের ১৪ তারিখে অসুস্থ অবস্থায় মুস্তাফা মনোয়ারকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিউমোনিয়ার ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি।
এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে প্রোস্টেট ক্যানসারের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন মুস্তাফা। ছিলেন লাইফ সাপোর্টে। সেবার ভারতের দিল্লিতে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছিলেন। ওই অসুস্থতার দুই বছর পর নিউমোনিয়ার ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে আইসিইউতে ভর্তি করানো হয় তাঁকে।
দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অনন্য অবদান রেখে দেশের অন্যতম শ্রদ্ধেয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত হন মুস্তাফা মনোয়ার। শিল্প ও সংস্কৃতিতে তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই। আজ সোমবার সকালে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
পরিবার সূত্র জানায়, চলতি মাসের ১৪ তারিখে অসুস্থ অবস্থায় মুস্তাফা মনোয়ারকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিউমোনিয়ার ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি।
এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে প্রোস্টেট ক্যানসারের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন মুস্তাফা। ছিলেন লাইফ সাপোর্টে। সেবার ভারতের দিল্লিতে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছিলেন। ওই অসুস্থতার দুই বছর পর নিউমোনিয়ার ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে আইসিইউতে ভর্তি করানো হয় তাঁকে।
দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অনন্য অবদান রেখে দেশের অন্যতম শ্রদ্ধেয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত হন মুস্তাফা মনোয়ার। শিল্প ও সংস্কৃতিতে তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।