আমার শহর ডেস্ক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যু করা প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র এখনও জমা পড়েনি। সেসব অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
আজ বুধবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিগত সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যু করা প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্সকৃত অস্ত্র এখনও জমা পড়েনি। নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ার পরও এসব অস্ত্র মাঠ পর্যায়ে থাকার বিষয়টিকে নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখছে সরকার। ফলে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে-অস্ত্রগুলো দ্রুত শনাক্ত, উদ্ধার ও প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
মন্ত্রী জানান, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত যেসব অস্ত্রের লাইসেন্স দেয়া হয়েছে, সেগুলোর একটি বড় অংশ পুনরায় যাচাই করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় জেলা পর্যায়ের কমিটি কাজ করবে এবং যেসব লাইসেন্স নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটিয়ে দেয়া হয়েছে বলে প্রমাণ মিলবে, সেগুলো বাতিল করে অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হবে। তবে পুরোনো বৈধ লাইসেন্সধারীদের ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে অস্ত্র ফেরত দেয়ার সুযোগ রাখা হবে।
অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে আরও কয়েকটি খাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মাদক, চাঁদাবাজি এবং অনলাইন জুয়ার মতো অপরাধ দমনে মাঠ প্রশাসনকে কঠোরভাবে কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অর্থ পাচার ও সামাজিক অবক্ষয় ঠেকাতে নতুন আইন প্রণয়নের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
মাঠ পর্যায়ে পুলিশ ও জেলা প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো ধরনের শিথিলতা সহ্য করা হবে না এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জনমনে স্বস্তি ফেরাতে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ করাকে বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যু করা প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র এখনও জমা পড়েনি। সেসব অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
আজ বুধবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিগত সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যু করা প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্সকৃত অস্ত্র এখনও জমা পড়েনি। নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ার পরও এসব অস্ত্র মাঠ পর্যায়ে থাকার বিষয়টিকে নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখছে সরকার। ফলে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে-অস্ত্রগুলো দ্রুত শনাক্ত, উদ্ধার ও প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
মন্ত্রী জানান, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত যেসব অস্ত্রের লাইসেন্স দেয়া হয়েছে, সেগুলোর একটি বড় অংশ পুনরায় যাচাই করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় জেলা পর্যায়ের কমিটি কাজ করবে এবং যেসব লাইসেন্স নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটিয়ে দেয়া হয়েছে বলে প্রমাণ মিলবে, সেগুলো বাতিল করে অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হবে। তবে পুরোনো বৈধ লাইসেন্সধারীদের ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে অস্ত্র ফেরত দেয়ার সুযোগ রাখা হবে।
অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে আরও কয়েকটি খাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মাদক, চাঁদাবাজি এবং অনলাইন জুয়ার মতো অপরাধ দমনে মাঠ প্রশাসনকে কঠোরভাবে কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অর্থ পাচার ও সামাজিক অবক্ষয় ঠেকাতে নতুন আইন প্রণয়নের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
মাঠ পর্যায়ে পুলিশ ও জেলা প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো ধরনের শিথিলতা সহ্য করা হবে না এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জনমনে স্বস্তি ফেরাতে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ করাকে বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।