রোড সেফটি ফাউনন্ডেশন
আমার শহর ডেস্ক

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় মার্চে সড়ক দুঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। গত মাসে ৫৭৬টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৫৩২ জন, যা দেশের সড়ক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। সংগঠনটি বলছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে নিহতের সংখ্যা ১৫ দশমিক ৪২ জন। মার্চ মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ১৬ জনে। এ হিসেবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বেড়েছে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ২ হাজার ২২১ জন। নিহতদের মধ্যে নারী ৬৬ এবং শিশু ৯৮ জন। এ সময়ে ১৪টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত, ২৭ জন আহত এবং ৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। একই সময়ে ৪৮টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ৬৭ জন নিহত এবং ২২৪ জন আহত হয়েছেন।
গতকাল শনিবার সকালে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন সংবাদপোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে বলে সংগঠনটি জানায়। দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়াড় মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ২০৪ জন, বাসের যাত্রী ৪৫ জন, ট্রাক-পিকআপ-ট্রাক্টরের আরোহী ২৮ জন, প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাসের আরোহী ৪৬ জন, তিন চাকার যানবাহনের যাত্রী (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-লেগুনা) ৯৪ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-পাখিভ্যান-ভটভটি টমটম-মাহিন্দ্র) ২৩ জন এবং সাইকেল আরোহী ১৩ জন নিহত হয়েছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৭১টি ভাতীয় মহাসড়কে, ২৬৪টি আঞ্চলিক সড়কে, ৭০টি গ্রামীণ সড়কে, ৬২টি শহরের সড়কে এবং ৯টি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে। দুর্ঘটনার মধ্যে ১৬৬টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২৩১টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ৮৬টি পথচারীকে চাপা বা ধাকা দেওয়া, ৮২টি যানবাহনের পেছনে আঘাত এবং ১১টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১২৬টি দুর্ঘটনায় ১৩৭সবচেয়ে কম ২৭টি দুর্ঘটনায় নিহত জন নিহত হয়েছেন। সিলেট বিভাগে হয়েছেন ২৬ জন। রাজধানী ঢাকায় ৪৬টি দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত এবং ৬৯ জন আহত হয়েছেন।
সংঘগঠনটি বলছে, অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে অতিরিক্ত গতির কারণে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। এ গতি নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারি এবং চালকদের প্রেরণামূলক প্রশিক্ষণ দরকার। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছেড় ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, ত্রুটিপূর্ণ সড়ক, বেপরোয়া গতি, চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, শারীরিক-মানসিক অদক্ষতা অসুস্থতা।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় মার্চে সড়ক দুঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। গত মাসে ৫৭৬টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৫৩২ জন, যা দেশের সড়ক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। সংগঠনটি বলছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে নিহতের সংখ্যা ১৫ দশমিক ৪২ জন। মার্চ মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ১৬ জনে। এ হিসেবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বেড়েছে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ২ হাজার ২২১ জন। নিহতদের মধ্যে নারী ৬৬ এবং শিশু ৯৮ জন। এ সময়ে ১৪টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত, ২৭ জন আহত এবং ৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। একই সময়ে ৪৮টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ৬৭ জন নিহত এবং ২২৪ জন আহত হয়েছেন।
গতকাল শনিবার সকালে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন সংবাদপোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে বলে সংগঠনটি জানায়। দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়াড় মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ২০৪ জন, বাসের যাত্রী ৪৫ জন, ট্রাক-পিকআপ-ট্রাক্টরের আরোহী ২৮ জন, প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাসের আরোহী ৪৬ জন, তিন চাকার যানবাহনের যাত্রী (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-লেগুনা) ৯৪ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-পাখিভ্যান-ভটভটি টমটম-মাহিন্দ্র) ২৩ জন এবং সাইকেল আরোহী ১৩ জন নিহত হয়েছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৭১টি ভাতীয় মহাসড়কে, ২৬৪টি আঞ্চলিক সড়কে, ৭০টি গ্রামীণ সড়কে, ৬২টি শহরের সড়কে এবং ৯টি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে। দুর্ঘটনার মধ্যে ১৬৬টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২৩১টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ৮৬টি পথচারীকে চাপা বা ধাকা দেওয়া, ৮২টি যানবাহনের পেছনে আঘাত এবং ১১টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১২৬টি দুর্ঘটনায় ১৩৭সবচেয়ে কম ২৭টি দুর্ঘটনায় নিহত জন নিহত হয়েছেন। সিলেট বিভাগে হয়েছেন ২৬ জন। রাজধানী ঢাকায় ৪৬টি দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত এবং ৬৯ জন আহত হয়েছেন।
সংঘগঠনটি বলছে, অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে অতিরিক্ত গতির কারণে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। এ গতি নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারি এবং চালকদের প্রেরণামূলক প্রশিক্ষণ দরকার। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছেড় ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, ত্রুটিপূর্ণ সড়ক, বেপরোয়া গতি, চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, শারীরিক-মানসিক অদক্ষতা অসুস্থতা।