• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> বাংলাদেশ
> ঢাকা বিভাগ

গণমাধ্যমকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা থেকে
প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ২১: ২৭
আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ২১: ৩২
logo

গণমাধ্যমকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা থেকে

প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ২১: ২৭
Photo

সারাদেশের সব গণমাধ্যমকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকেরা। একই সঙ্গে সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের নিরাপত্তাও চেয়েছেন তাঁরা। আজ শনিবার সকালে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) ও সম্পাদক পরিষদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত গণমাধ্যম সম্মিলনে এ আহ্বান জানানো হয়।

সম্মিলনে ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, রংপুর ও যশোরসহ বিভিন্ন জেলার সম্পাদক ও প্রকাশকেরা অংশ নেন।

সকাল সোয়া ১০টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে এ অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বণিক বার্তার সম্পাদক ও সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ।

সম্মিলনে বক্তব্য রাখেন যায়যায়দিনের সম্পাদক শফিক রেহমান, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, নিউ এজ সম্পাদক ও সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নুরুল কবীর, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান ও ডেইলি স্টারের প্লানিং এডিটর কামাল আহমেদ, কালের কন্ঠের সম্পাদক হাসান হাফিজ, আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক, পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, সাংবাদিক নেতা সৈয়দ আবদাল হোসেন, কাদের গণি চৌধুরী, সিলেট মিরর সম্পাদক আহমেদ নুর প্রমুখ।

সম্মিলনে উপস্থিত ছিলেন ইত্তেফাকের সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, সমকালের সম্পাদক শাহেদ মুহাম্মদ আলী, আজকের পত্রিকার সম্পাদক কামরুল হাসান, প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুল হক, ঢাকা পোস্টের সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম, কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আমার শহর পত্রিকার সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ প্রমুখ।

সাম্প্রতিক সময়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে সংগঠিত মব ভায়োলেন্সে আক্রান্ত । মত প্রকাশ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর ধারাবাহিকভাবে সংঘটিত এ হামলা নজির বিহীন। এসব ঘটনার প্রতিবাদে এবং স্বাধীন দায়িত্বশীল ও সাহসি সাংবাদিকতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান জানাতে এই সম্মিলনের আয়োজন করা হয়।

ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেছেন, স্বাধীন সাংবাদিকতাই একমাত্র প্রতিষ্ঠান যা নির্ভয়ে সত্য কথা বলতে পারে। সরকারের বাজেট ও উন্নয়ন প্রকল্প জনগণের টাকায় হয়—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, জবাবদিহিমূলক সমাজ ও নৈতিক সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠার এটাই উপযুক্ত সময়।

সাংবাদিকদের সামাজিক ডাক্তার বলে উল্লেখ করে মাহফুজ আনাম বলেন, শরীরে রোগ আছে কিনা জানতে যেমন মানুষ চিকিৎসকের কাছে যায়; তেমনি সাংবাদিকরাও সোশ্যাল ডক্টর (সামাজিক ডাক্তার)। সবসময় তাদের কাজই হল সমাজ পরিচালনার সীমাবদ্ধ ও ব্যর্থতাগুলোকে তুলে ধরা।

সম্মিলনে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে কথা বলেন মাহফুজ আনাম। তার মধ্যে তৃতীয় বিষয়ে কথা বলেন সংবাদপত্রের মালিকদের প্রসঙ্গে। এসময় তিনি সংবাদপত্রের বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা যারা সংবাদপত্রে বিনিয়োগ করেন, তাদের ধন্যবাদ। কিন্তু আপনি অন্য ইন্ডাস্ট্রিতে যে বিনিয়োগ করেন, সেই মানসিকতা নিয়েই যদি গণমাধ্যমে বিনিয়োগ করেন; তাহলে সেই গণমাধ্যম কখনোই জনগণের আস্থা অর্জন করবে না।’

মাহফুজ আনাম বলেন, ‘আমি সাংবাদিকতাকে মনে করি, উই আর সোশ্যাল ডক্টর, আমরা সামাজিক ডাক্তার। আমি যখন একটা ডাক্তারের কাছে যাই, কেন যাই? আমি জানতে চাই আমার শারীরিক কোনো অসুখ আছে কিনা, দুর্বলতা আছে কিনা, আমার কোলেস্টেরলের অবস্থা কী, আমার ভিটামিনের অবস্থা কী; অর্থাৎ আমার নেগেটিভ ইস্যুগুলোই জানতে চাই। আমি ডাক্তারের কাছে এটা শুনতে যাই না যে ইউ আর লুকিং ভেরি হ্যান্ডসাম, ইউ আর লুকিং ভেরি বিউটিফুল। একইভাবে সাংবাদিকরা সোশ্যাল ডক্টর।

তিনি সংবাদপত্রের মালিকপক্ষকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘আপনারা যদি আপনাদের ব্যবসায়িক স্বার্থে সাংবাদিকতাকে বাধ্য করেন, তাহলে সেই সাংবাদিকতা কিন্তু জনগণ গ্রহণ করবে না।’ সংবাদপত্রের মালিকপক্ষের একটি ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ রাখার অনুরোধ করেন তিনি।

এরপর তিনি গণমাধ্যমের সম্পাদকদের উদ্দেশে বলেন, একজন সম্পাদকের ব্যক্তিগত ও পেশাগত আচরণ পুরো প্রতিষ্ঠান ও পেশাকে প্রভাবিত করে। সম্পাদক হিসেবে নৈতিকতা ও পেশাগত মূল্যবোধ থেকে বিচ্যুতি ঘটলে শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, পুরো সাংবাদিকতাই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, আগামীতে নির্বাচিত সরকার এলেও সব সমস্যার সমাধান স্বয়ংক্রিয়ভাবে হবে না। তাই সাংবাদিকদের একত্রিত থাকতে হবে, একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে।

সংবাদপত্র সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর বলেছেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা কোনো অপরাধের আকাঙ্ক্ষা নয়। এই গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়নে যেসব প্রতিষ্ঠান কাজ করে সেগুলোকে রাষ্ট্র, সরকার, আইনগতভাবে কিংবা পেশিশক্তির মাধ্যমে স্তব্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এর জন্য নিজেদের মধ্যে একদিকে যেমন এই সংঘবদ্ধতার প্রয়োজন, তেমনি সম্মিলিত প্রয়াসগুলো গ্রহণ করার প্রয়োজন।

বাংলাদেশে সাংবাদিকতা এখনও সম্মানজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শফিক রেহমান। তবে সাংবাদিকদের অবশ্যই সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছাতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, সাংবাদিকতা এখনও বাংলাদেশে সম্মানজনক পেশা হয়ে ওঠেনি।সাংবাদিকরা বর্তমানে যে অবস্থানে আছেন, তা সম্মানজনক নয়। অথচ তাদের সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছানো অত্যন্ত জরুরি।

শফিক রেহমান আরও বলেন, সাংবাদিকদের প্রতি আমার একটি পরামর্শ-আপনারা একটি বিকল্প ব্যবস্থা করে রাখুন। আমি নিজে সঙ্গীতের মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেছি। আমার কাগজে সঙ্গীতের জন্য আলাদা আয়োজন ছিল। আপনাদেরও বিকল্প পেশা রাখা প্রয়োজন। শুধু সাংবাদিকতার ওপর নির্ভর করলে ভবিষ্যতে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হতে পারে উল্লেখ করে শফিক রেহমান বলেন, যদি কেউ কেবল সাংবাদিকতার ওপর নির্ভর করে থাকেন, তাহলে একসময় তাকে ‘দালাল’ উপাধি পেতেও হতে পারে-যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ। তিনি বলেছেন, ‘আমরা আমাদের জন্য যেমন দায়িত্ব পালন করব নিজেদের সুরক্ষার জন্য...এই সরকার চলে যাবে, নতুন যে দল আসবে, রাজনৈতিক দল যে দলই হোক, সেটা জাতীয় সরকার হোক বা একক সরকার হোক, আমরা তাদের কাছ থেকেও সেই সুরক্ষা আদায়ের জন্য সংগ্রামটা চালিয়ে যাব।’

সাংবাদিকতার কোড অব কনডাক্ট বা আচরণবিধির ওপর গুরুত্বারোপ করে কামাল আহমেদ বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই সাংবাদিকতার মানটা বজায় রাখার প্রশ্নে আপস হচ্ছে বা মানটা রক্ষা করা যাচ্ছে না। এটা রক্ষা করতে না পারার পেছনে অনেকগুলো কারণ আছে। সেই কারণগুলো দূর করতে হবে। এ জন্য সাংবাদিকতার কোড অব কনডাক্ট বা আচরণবিধি করার ওপর জোর দেন তিনি।

জ্যেষ্ঠ এই সাংবাদিক বলেন, ‘এ শিল্পে যত দ্রুত সম্ভব এ ধরনের আচরণবিধি নিয়ে আসতে পারি, অনুসরণ করতে পারি, প্রয়োগ করতে পারি; তত দ্রুত এই সাংবাদিকতার মান বাড়াতে পারব। এর মধ্য দিয়ে সাংবাদিক পরিচয়ের যে অবমূল্যায়ন হচ্ছে, অবমাননা হচ্ছে, সেটা বন্ধ করা সম্ভব হবে। এদিকটাই গুরুত্ব দিতে হবে।’

কামাল আহমেদ বলেন, ‘আমরা সাংবাদিকেরা অনেক সময় একাধিক হ্যাট পরিধান করি। কখনো আমরা পার্টটাইম রাজনীতিবিদ। কখনো পার্টটাইম ঠিকাদার। কখনো পার্টটাইম শিক্ষক,...সাংবাদিকতার পেশাটা অনেক সময় ওখানে যথাযথভাবে প্রতিনিধিত্ব করা হয় না।’

সাংবাদিকদের রাজনৈতিক পরিচয়সহ একাধিক পরিচয় থাকার ফলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় উল্লেখ করে সাবেক গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান বলেন, ‘এই যে দ্বৈত চরিত্রের মিশ্রণের ফলে বিপদটা হয়, দূষণ হয়—এই দূষণ থেকেও মুক্তি দরকার। সে ক্ষেত্রে একটা স্ট্যান্ডার্ড, কোড অব এথিকস আলোচনা হচ্ছে। এটি যদি হয়, তাহলে একটি বড় অগ্রগতি হবে।’

গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলার প্রসঙ্গে কামাল আহমেদ বলেন, ‘সাংবাদিক সুরক্ষার জন্য আমরা একটা সাংবাদিক সুরক্ষা আইনের সুপারিশ করেছিলাম সংস্কার কমিশন থেকে এবং এই সুরক্ষা আইনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন সবাই। আমার তো মনে হয় না যে কেউ এই সুরক্ষা আইনের বিরোধিতা করেছেন। আমি যতটুকু শুনেছি, সম্পাদক পরিষদ, মালিকদের সংগঠন এবং এই শিল্পের বিভিন্ন ইউনিয়নের পক্ষ থেকে সবাই এই সাংবাদিক সুরক্ষা আইনের প্রতি সমর্থন দিয়েছেন।’

সরকারের পক্ষ থেকে অঙ্গীকার থাকলেও এখনো আইনটি না হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে কামাল আহমেদ বলেন, ‘আমরা সুপারিশ জমা দেওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত যতজন সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী দেশের বিভিন্ন স্থানে আক্রান্ত হয়েছেন, যেসব গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান আক্রমণের শিকার হয়েছে, এর দায়দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে। কারণ, তারা অঙ্গীকার করেও সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেনি, সুপারিশের বিষয়টিকে শিকেয় তুলে রেখেছে।’

সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ তুলে জ্যেষ্ঠ এই সাংবাদিক বলেন, ‘গণতন্ত্রে গ্রেপ্তার কোনো ভাষা হতে পারে না। গণতন্ত্র হবে যুক্তির কথা, বিতর্কের কথা, আলোচনা মধ্য দিয়ে একটা সমঝোতা বা একটা পথ খুঁজে নেওয়ার প্রশ্ন।’

নোয়াব ও সম্পাদক পরিষদের সব সদস্য, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার, জাতীয় প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ডিপ্লোম্যাটিক করেসপনডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম, ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন, ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা এবং ঢাকার বাইরে কর্মরত সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের সম্পাদক-প্রকাশকেরা সম্মিলনে উপস্থিত হন। দায়িত্বশীল ও সাহসী সাংবাদিকতার জন্য একসঙ্গে দাঁড়ানোর এ আয়োজনে এসেছিলেন গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও কলাম লেখকেরাও।

Thumbnail image

সারাদেশের সব গণমাধ্যমকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকেরা। একই সঙ্গে সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের নিরাপত্তাও চেয়েছেন তাঁরা। আজ শনিবার সকালে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) ও সম্পাদক পরিষদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত গণমাধ্যম সম্মিলনে এ আহ্বান জানানো হয়।

সম্মিলনে ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, রংপুর ও যশোরসহ বিভিন্ন জেলার সম্পাদক ও প্রকাশকেরা অংশ নেন।

সকাল সোয়া ১০টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে এ অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বণিক বার্তার সম্পাদক ও সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ।

সম্মিলনে বক্তব্য রাখেন যায়যায়দিনের সম্পাদক শফিক রেহমান, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, নিউ এজ সম্পাদক ও সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নুরুল কবীর, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান ও ডেইলি স্টারের প্লানিং এডিটর কামাল আহমেদ, কালের কন্ঠের সম্পাদক হাসান হাফিজ, আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক, পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, সাংবাদিক নেতা সৈয়দ আবদাল হোসেন, কাদের গণি চৌধুরী, সিলেট মিরর সম্পাদক আহমেদ নুর প্রমুখ।

সম্মিলনে উপস্থিত ছিলেন ইত্তেফাকের সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, সমকালের সম্পাদক শাহেদ মুহাম্মদ আলী, আজকের পত্রিকার সম্পাদক কামরুল হাসান, প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুল হক, ঢাকা পোস্টের সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম, কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আমার শহর পত্রিকার সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ প্রমুখ।

সাম্প্রতিক সময়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে সংগঠিত মব ভায়োলেন্সে আক্রান্ত । মত প্রকাশ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর ধারাবাহিকভাবে সংঘটিত এ হামলা নজির বিহীন। এসব ঘটনার প্রতিবাদে এবং স্বাধীন দায়িত্বশীল ও সাহসি সাংবাদিকতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান জানাতে এই সম্মিলনের আয়োজন করা হয়।

ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেছেন, স্বাধীন সাংবাদিকতাই একমাত্র প্রতিষ্ঠান যা নির্ভয়ে সত্য কথা বলতে পারে। সরকারের বাজেট ও উন্নয়ন প্রকল্প জনগণের টাকায় হয়—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, জবাবদিহিমূলক সমাজ ও নৈতিক সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠার এটাই উপযুক্ত সময়।

সাংবাদিকদের সামাজিক ডাক্তার বলে উল্লেখ করে মাহফুজ আনাম বলেন, শরীরে রোগ আছে কিনা জানতে যেমন মানুষ চিকিৎসকের কাছে যায়; তেমনি সাংবাদিকরাও সোশ্যাল ডক্টর (সামাজিক ডাক্তার)। সবসময় তাদের কাজই হল সমাজ পরিচালনার সীমাবদ্ধ ও ব্যর্থতাগুলোকে তুলে ধরা।

সম্মিলনে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে কথা বলেন মাহফুজ আনাম। তার মধ্যে তৃতীয় বিষয়ে কথা বলেন সংবাদপত্রের মালিকদের প্রসঙ্গে। এসময় তিনি সংবাদপত্রের বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা যারা সংবাদপত্রে বিনিয়োগ করেন, তাদের ধন্যবাদ। কিন্তু আপনি অন্য ইন্ডাস্ট্রিতে যে বিনিয়োগ করেন, সেই মানসিকতা নিয়েই যদি গণমাধ্যমে বিনিয়োগ করেন; তাহলে সেই গণমাধ্যম কখনোই জনগণের আস্থা অর্জন করবে না।’

মাহফুজ আনাম বলেন, ‘আমি সাংবাদিকতাকে মনে করি, উই আর সোশ্যাল ডক্টর, আমরা সামাজিক ডাক্তার। আমি যখন একটা ডাক্তারের কাছে যাই, কেন যাই? আমি জানতে চাই আমার শারীরিক কোনো অসুখ আছে কিনা, দুর্বলতা আছে কিনা, আমার কোলেস্টেরলের অবস্থা কী, আমার ভিটামিনের অবস্থা কী; অর্থাৎ আমার নেগেটিভ ইস্যুগুলোই জানতে চাই। আমি ডাক্তারের কাছে এটা শুনতে যাই না যে ইউ আর লুকিং ভেরি হ্যান্ডসাম, ইউ আর লুকিং ভেরি বিউটিফুল। একইভাবে সাংবাদিকরা সোশ্যাল ডক্টর।

তিনি সংবাদপত্রের মালিকপক্ষকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘আপনারা যদি আপনাদের ব্যবসায়িক স্বার্থে সাংবাদিকতাকে বাধ্য করেন, তাহলে সেই সাংবাদিকতা কিন্তু জনগণ গ্রহণ করবে না।’ সংবাদপত্রের মালিকপক্ষের একটি ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ রাখার অনুরোধ করেন তিনি।

এরপর তিনি গণমাধ্যমের সম্পাদকদের উদ্দেশে বলেন, একজন সম্পাদকের ব্যক্তিগত ও পেশাগত আচরণ পুরো প্রতিষ্ঠান ও পেশাকে প্রভাবিত করে। সম্পাদক হিসেবে নৈতিকতা ও পেশাগত মূল্যবোধ থেকে বিচ্যুতি ঘটলে শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, পুরো সাংবাদিকতাই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, আগামীতে নির্বাচিত সরকার এলেও সব সমস্যার সমাধান স্বয়ংক্রিয়ভাবে হবে না। তাই সাংবাদিকদের একত্রিত থাকতে হবে, একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে।

সংবাদপত্র সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর বলেছেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা কোনো অপরাধের আকাঙ্ক্ষা নয়। এই গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়নে যেসব প্রতিষ্ঠান কাজ করে সেগুলোকে রাষ্ট্র, সরকার, আইনগতভাবে কিংবা পেশিশক্তির মাধ্যমে স্তব্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এর জন্য নিজেদের মধ্যে একদিকে যেমন এই সংঘবদ্ধতার প্রয়োজন, তেমনি সম্মিলিত প্রয়াসগুলো গ্রহণ করার প্রয়োজন।

বাংলাদেশে সাংবাদিকতা এখনও সম্মানজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শফিক রেহমান। তবে সাংবাদিকদের অবশ্যই সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছাতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, সাংবাদিকতা এখনও বাংলাদেশে সম্মানজনক পেশা হয়ে ওঠেনি।সাংবাদিকরা বর্তমানে যে অবস্থানে আছেন, তা সম্মানজনক নয়। অথচ তাদের সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছানো অত্যন্ত জরুরি।

শফিক রেহমান আরও বলেন, সাংবাদিকদের প্রতি আমার একটি পরামর্শ-আপনারা একটি বিকল্প ব্যবস্থা করে রাখুন। আমি নিজে সঙ্গীতের মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেছি। আমার কাগজে সঙ্গীতের জন্য আলাদা আয়োজন ছিল। আপনাদেরও বিকল্প পেশা রাখা প্রয়োজন। শুধু সাংবাদিকতার ওপর নির্ভর করলে ভবিষ্যতে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হতে পারে উল্লেখ করে শফিক রেহমান বলেন, যদি কেউ কেবল সাংবাদিকতার ওপর নির্ভর করে থাকেন, তাহলে একসময় তাকে ‘দালাল’ উপাধি পেতেও হতে পারে-যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ। তিনি বলেছেন, ‘আমরা আমাদের জন্য যেমন দায়িত্ব পালন করব নিজেদের সুরক্ষার জন্য...এই সরকার চলে যাবে, নতুন যে দল আসবে, রাজনৈতিক দল যে দলই হোক, সেটা জাতীয় সরকার হোক বা একক সরকার হোক, আমরা তাদের কাছ থেকেও সেই সুরক্ষা আদায়ের জন্য সংগ্রামটা চালিয়ে যাব।’

সাংবাদিকতার কোড অব কনডাক্ট বা আচরণবিধির ওপর গুরুত্বারোপ করে কামাল আহমেদ বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই সাংবাদিকতার মানটা বজায় রাখার প্রশ্নে আপস হচ্ছে বা মানটা রক্ষা করা যাচ্ছে না। এটা রক্ষা করতে না পারার পেছনে অনেকগুলো কারণ আছে। সেই কারণগুলো দূর করতে হবে। এ জন্য সাংবাদিকতার কোড অব কনডাক্ট বা আচরণবিধি করার ওপর জোর দেন তিনি।

জ্যেষ্ঠ এই সাংবাদিক বলেন, ‘এ শিল্পে যত দ্রুত সম্ভব এ ধরনের আচরণবিধি নিয়ে আসতে পারি, অনুসরণ করতে পারি, প্রয়োগ করতে পারি; তত দ্রুত এই সাংবাদিকতার মান বাড়াতে পারব। এর মধ্য দিয়ে সাংবাদিক পরিচয়ের যে অবমূল্যায়ন হচ্ছে, অবমাননা হচ্ছে, সেটা বন্ধ করা সম্ভব হবে। এদিকটাই গুরুত্ব দিতে হবে।’

কামাল আহমেদ বলেন, ‘আমরা সাংবাদিকেরা অনেক সময় একাধিক হ্যাট পরিধান করি। কখনো আমরা পার্টটাইম রাজনীতিবিদ। কখনো পার্টটাইম ঠিকাদার। কখনো পার্টটাইম শিক্ষক,...সাংবাদিকতার পেশাটা অনেক সময় ওখানে যথাযথভাবে প্রতিনিধিত্ব করা হয় না।’

সাংবাদিকদের রাজনৈতিক পরিচয়সহ একাধিক পরিচয় থাকার ফলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় উল্লেখ করে সাবেক গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান বলেন, ‘এই যে দ্বৈত চরিত্রের মিশ্রণের ফলে বিপদটা হয়, দূষণ হয়—এই দূষণ থেকেও মুক্তি দরকার। সে ক্ষেত্রে একটা স্ট্যান্ডার্ড, কোড অব এথিকস আলোচনা হচ্ছে। এটি যদি হয়, তাহলে একটি বড় অগ্রগতি হবে।’

গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলার প্রসঙ্গে কামাল আহমেদ বলেন, ‘সাংবাদিক সুরক্ষার জন্য আমরা একটা সাংবাদিক সুরক্ষা আইনের সুপারিশ করেছিলাম সংস্কার কমিশন থেকে এবং এই সুরক্ষা আইনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন সবাই। আমার তো মনে হয় না যে কেউ এই সুরক্ষা আইনের বিরোধিতা করেছেন। আমি যতটুকু শুনেছি, সম্পাদক পরিষদ, মালিকদের সংগঠন এবং এই শিল্পের বিভিন্ন ইউনিয়নের পক্ষ থেকে সবাই এই সাংবাদিক সুরক্ষা আইনের প্রতি সমর্থন দিয়েছেন।’

সরকারের পক্ষ থেকে অঙ্গীকার থাকলেও এখনো আইনটি না হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে কামাল আহমেদ বলেন, ‘আমরা সুপারিশ জমা দেওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত যতজন সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী দেশের বিভিন্ন স্থানে আক্রান্ত হয়েছেন, যেসব গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান আক্রমণের শিকার হয়েছে, এর দায়দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে। কারণ, তারা অঙ্গীকার করেও সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেনি, সুপারিশের বিষয়টিকে শিকেয় তুলে রেখেছে।’

সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ তুলে জ্যেষ্ঠ এই সাংবাদিক বলেন, ‘গণতন্ত্রে গ্রেপ্তার কোনো ভাষা হতে পারে না। গণতন্ত্র হবে যুক্তির কথা, বিতর্কের কথা, আলোচনা মধ্য দিয়ে একটা সমঝোতা বা একটা পথ খুঁজে নেওয়ার প্রশ্ন।’

নোয়াব ও সম্পাদক পরিষদের সব সদস্য, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার, জাতীয় প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ডিপ্লোম্যাটিক করেসপনডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম, ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন, ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা এবং ঢাকার বাইরে কর্মরত সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের সম্পাদক-প্রকাশকেরা সম্মিলনে উপস্থিত হন। দায়িত্বশীল ও সাহসী সাংবাদিকতার জন্য একসঙ্গে দাঁড়ানোর এ আয়োজনে এসেছিলেন গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও কলাম লেখকেরাও।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান, প্রজ্ঞাপন জারি

২

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

৩

গ্যাস বিস্ফোরণে মায়ের পর ছেলে, ছেলের পর চাচার মৃত্যু

৪

ফিতরার হার নির্ধারণ, জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা

৫

আজ পিলখানা হত্যাযজ্ঞের ১৭ বছর

সম্পর্কিত

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান, প্রজ্ঞাপন জারি

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান, প্রজ্ঞাপন জারি

২১ ঘণ্টা আগে
পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

২১ ঘণ্টা আগে
গ্যাস বিস্ফোরণে মায়ের পর ছেলে, ছেলের পর চাচার মৃত্যু

গ্যাস বিস্ফোরণে মায়ের পর ছেলে, ছেলের পর চাচার মৃত্যু

১ দিন আগে
ফিতরার হার নির্ধারণ, জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা

ফিতরার হার নির্ধারণ, জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা

১ দিন আগে