আমার শহর ডেস্ক

নারায়নগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এই ঘোষণা দিয়েছেন।
সরে দাঁড়ানোর কারণ হিসেবে তিনি তার পারিবারিক নিরাপত্তার কথা ভেবেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন।
মাসুদুজ্জামান বলেন, আপনাদের অনেকেরই মন ভেঙে যাবে। আমি আসলে নির্বাচন করবো না। আমি উদ্বিগ্ন। আমি আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। আমি জানি এটা কি পরিমাণ কষ্ট আপনাদের জন্য আশার জায়গা ছিল, আশাহত হতে হচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত নেয়া আমার জন্য সহজ ছিলো না। ব্যক্তিগত কারণ এবং কিছু পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমাকে ক্ষমা করে দিয়েন। একজন সমাজকর্মী হিসেবে আজীবন আপনাদের পাশে থাকবো। আমি জানি কি কাজ করতে যাচ্ছি। এটা অনেকেরই কাছে তীরে এসে ফিরে যাওয়ার মতো অবস্থা। আমার কাছেও এটা মনে হচ্ছে। অনেকেরই বুক ফেটে যাচ্ছে। আমার সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নেই।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি আমার পরিবারকে সময় দিতে পারি না। অনেক রাত্র হয়ে যাওয়ায় কিন্তু নির্বাচনের কারণে আমি যেতে পারি না। আমার পরিবার চাচ্ছে না। আমার পরিবারের সদস্যরা অত্যন্ত ব্যতীত এবং ভীত। এর বাহিরেও কিছু নিরাপত্তা ইস্যু আছে। এটা বিশদ বর্ণনা দেওয়ার মতো নয়। পরিবেশটাই নেতিবাচক। সবকিছু বিবেচনা করে আমি নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
এর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২৩৭টি সংসদীয় আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের চারটি আসনে প্রার্থীর নাম রয়েছে। গত ৩ নভেম্বর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তালিকা প্রকাশ করেন।
এই তালিকায় থাকায় নারায়ণগঞ্জের চারটি আসনের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে মাসুদুজ্জামান মাসুদের নামও ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের তফশিল ঘোষণার পর তিনি নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
তার আগে, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগদান করেছিলেন।

নারায়নগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এই ঘোষণা দিয়েছেন।
সরে দাঁড়ানোর কারণ হিসেবে তিনি তার পারিবারিক নিরাপত্তার কথা ভেবেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন।
মাসুদুজ্জামান বলেন, আপনাদের অনেকেরই মন ভেঙে যাবে। আমি আসলে নির্বাচন করবো না। আমি উদ্বিগ্ন। আমি আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। আমি জানি এটা কি পরিমাণ কষ্ট আপনাদের জন্য আশার জায়গা ছিল, আশাহত হতে হচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত নেয়া আমার জন্য সহজ ছিলো না। ব্যক্তিগত কারণ এবং কিছু পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমাকে ক্ষমা করে দিয়েন। একজন সমাজকর্মী হিসেবে আজীবন আপনাদের পাশে থাকবো। আমি জানি কি কাজ করতে যাচ্ছি। এটা অনেকেরই কাছে তীরে এসে ফিরে যাওয়ার মতো অবস্থা। আমার কাছেও এটা মনে হচ্ছে। অনেকেরই বুক ফেটে যাচ্ছে। আমার সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নেই।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি আমার পরিবারকে সময় দিতে পারি না। অনেক রাত্র হয়ে যাওয়ায় কিন্তু নির্বাচনের কারণে আমি যেতে পারি না। আমার পরিবার চাচ্ছে না। আমার পরিবারের সদস্যরা অত্যন্ত ব্যতীত এবং ভীত। এর বাহিরেও কিছু নিরাপত্তা ইস্যু আছে। এটা বিশদ বর্ণনা দেওয়ার মতো নয়। পরিবেশটাই নেতিবাচক। সবকিছু বিবেচনা করে আমি নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
এর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২৩৭টি সংসদীয় আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের চারটি আসনে প্রার্থীর নাম রয়েছে। গত ৩ নভেম্বর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তালিকা প্রকাশ করেন।
এই তালিকায় থাকায় নারায়ণগঞ্জের চারটি আসনের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে মাসুদুজ্জামান মাসুদের নামও ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের তফশিল ঘোষণার পর তিনি নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
তার আগে, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগদান করেছিলেন।