নিজস্ব প্রতিবেদক

অনুমোদনহীন ওষুধ তৈরি ও বাজারজাতের অভিযোগে কুমিল্লা বিসিক শিল্পনগরীর মডার্ন ড্রাগে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে বেশকিছু ওষুধ, কাঁচামাল ও উৎপাদন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার রাতে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) কুমিল্লার তথ্যের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক জুবায়ের ইসলাম মাত্র দুটি ওষুধ উৎপাদনের অনুমোদন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরি করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডিলারদের মাধ্যমে বিক্রি করে আসছিলেন।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খান বলেন, কারখানাটির বিরুদ্ধে অনুমোদন ছাড়া ওষুধ উৎপাদনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া কোনো অনুমোদিত টেকনিশিয়ান ছাড়াই ওষুধ উৎপাদন করা হচ্ছিল।
জব্দ মালামালের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযানে উপস্থিত ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর, কুমিল্লার অফিস সহকারী শাহ আলম সরকার বলেন, জব্দ করা ২২ ধরনের ওষুধের কোনো অনুমোদনপত্র দেখাতে পারেনি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। কয়েকটি বিদেশি ব্র্যান্ডের ওষুধও এখানে তৈরি করা হতো। বিশেষ করে শিশুদের জন্য উৎপাদিত কিছু ওষুধ জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
কারখানার মালিক জুবায়ের ইসলাম অভিযোগ আংশিক স্বীকার করে বলেন, কয়েকটি ওষুধ তৈরির অনুমোদন রয়েছে, তবে কিছু ওষুধের অনুমোদন নেওয়া হয়নি।
অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান হাসান মাহমুদ, এনএসআইয়ের কর্মকর্তারা এবং জেলা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুমোদনহীন ওষুধ তৈরি ও বাজারজাতের অভিযোগে কুমিল্লা বিসিক শিল্পনগরীর মডার্ন ড্রাগে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে বেশকিছু ওষুধ, কাঁচামাল ও উৎপাদন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার রাতে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) কুমিল্লার তথ্যের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক জুবায়ের ইসলাম মাত্র দুটি ওষুধ উৎপাদনের অনুমোদন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরি করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডিলারদের মাধ্যমে বিক্রি করে আসছিলেন।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খান বলেন, কারখানাটির বিরুদ্ধে অনুমোদন ছাড়া ওষুধ উৎপাদনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া কোনো অনুমোদিত টেকনিশিয়ান ছাড়াই ওষুধ উৎপাদন করা হচ্ছিল।
জব্দ মালামালের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযানে উপস্থিত ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর, কুমিল্লার অফিস সহকারী শাহ আলম সরকার বলেন, জব্দ করা ২২ ধরনের ওষুধের কোনো অনুমোদনপত্র দেখাতে পারেনি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। কয়েকটি বিদেশি ব্র্যান্ডের ওষুধও এখানে তৈরি করা হতো। বিশেষ করে শিশুদের জন্য উৎপাদিত কিছু ওষুধ জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
কারখানার মালিক জুবায়ের ইসলাম অভিযোগ আংশিক স্বীকার করে বলেন, কয়েকটি ওষুধ তৈরির অনুমোদন রয়েছে, তবে কিছু ওষুধের অনুমোদন নেওয়া হয়নি।
অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান হাসান মাহমুদ, এনএসআইয়ের কর্মকর্তারা এবং জেলা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।