নিজস্ব প্রতিবেদক

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালে কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে এলাকার উন্নয়নের জন্য এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ১৫ কোটি টাকা নিয়েছেন। আর এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও বর্তমানে কুমিল্লা-৪ আসনের (দেবীদ্বার) সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহ নিয়েছেন ১০ কোটি টাকা। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক মোস্তাক মিয়া এ তথ্য দেন।
কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসকের বক্তব্যে জবাব দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। কুমিল্লা-৪ আসনের (দেবীদ্বার) এই সংসদ সদস্য বলেছেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক যে টাকার কথা বলেছেন, সেটি উপজেলার জন্য বাজেট বরাদ্দ। সেই টাকা তাঁকে দেওয়া হয়নি।
এদিকে রাত ৮টা ৩০মিনিটে সংসদ সদস্য হাসনাত কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়াকে ফোন করেছিলেন। মোস্তাক মিয়া ওই সময়ে ফোনটি ধরতে পারেননি। এরপর তিনি রাত ৮টা ৪০মিনিটের দিকে হাসনাতকে ফোন করেন। এ সময়ে দুই নেতার মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একজন আরেকজনের কথার যুক্তি খÐন করেন।
জানতে চাইলে মোস্তাক মিয়া বলেন, আমি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় বলেছিলাম, ‘জিয়াউর রহমান বৈষম্যহীন সমাজ চেয়েছিলেন। বৈষম্যহীন দেশ চেয়েছিলেন। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা নিজেদের এলাকার জন্য (নিজ নিজ উপজেলা) বৈষম্য করে উন্নয়ন কাজের বরাদ্দ নিয়েছেন। যার তথ্য প্রমাণ আছে। আমি তো বলিনি, তাঁরা নিজেরা অর্থ নিয়েছে। বৈষম্য নিয়েই কথা বলতে ওই উদাহরণ দিয়েছি।’
ফোনে কথা কাটাকাটি প্রসঙ্গে মোস্তাক মিয়া বলেন, অবান্তর কথা বলায় আমিও পাল্টা বক্তব্য দিয়েছি।
জেলা পরিষদ প্রশাসকের এই বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘জেলা পরিষদের প্রশাসক যে কথাটি বলেছেন, তিনি সেটি দ্বারা উপজেলার জন্য বাজেট নেওয়ার কথা বুঝিয়েছেন। আর উপজেলার জন্য বাজেটের টাকা তো আমাকে দেওয়া হয়নি। এই বাজেট তো কোনো ব্যক্তিকে দেওয়া হয় না। দেওয়া হয়েছে, উপজেলাকে।’

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালে কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে এলাকার উন্নয়নের জন্য এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ১৫ কোটি টাকা নিয়েছেন। আর এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও বর্তমানে কুমিল্লা-৪ আসনের (দেবীদ্বার) সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহ নিয়েছেন ১০ কোটি টাকা। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক মোস্তাক মিয়া এ তথ্য দেন।
কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসকের বক্তব্যে জবাব দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। কুমিল্লা-৪ আসনের (দেবীদ্বার) এই সংসদ সদস্য বলেছেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক যে টাকার কথা বলেছেন, সেটি উপজেলার জন্য বাজেট বরাদ্দ। সেই টাকা তাঁকে দেওয়া হয়নি।
এদিকে রাত ৮টা ৩০মিনিটে সংসদ সদস্য হাসনাত কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়াকে ফোন করেছিলেন। মোস্তাক মিয়া ওই সময়ে ফোনটি ধরতে পারেননি। এরপর তিনি রাত ৮টা ৪০মিনিটের দিকে হাসনাতকে ফোন করেন। এ সময়ে দুই নেতার মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একজন আরেকজনের কথার যুক্তি খÐন করেন।
জানতে চাইলে মোস্তাক মিয়া বলেন, আমি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় বলেছিলাম, ‘জিয়াউর রহমান বৈষম্যহীন সমাজ চেয়েছিলেন। বৈষম্যহীন দেশ চেয়েছিলেন। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা নিজেদের এলাকার জন্য (নিজ নিজ উপজেলা) বৈষম্য করে উন্নয়ন কাজের বরাদ্দ নিয়েছেন। যার তথ্য প্রমাণ আছে। আমি তো বলিনি, তাঁরা নিজেরা অর্থ নিয়েছে। বৈষম্য নিয়েই কথা বলতে ওই উদাহরণ দিয়েছি।’
ফোনে কথা কাটাকাটি প্রসঙ্গে মোস্তাক মিয়া বলেন, অবান্তর কথা বলায় আমিও পাল্টা বক্তব্য দিয়েছি।
জেলা পরিষদ প্রশাসকের এই বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘জেলা পরিষদের প্রশাসক যে কথাটি বলেছেন, তিনি সেটি দ্বারা উপজেলার জন্য বাজেট নেওয়ার কথা বুঝিয়েছেন। আর উপজেলার জন্য বাজেটের টাকা তো আমাকে দেওয়া হয়নি। এই বাজেট তো কোনো ব্যক্তিকে দেওয়া হয় না। দেওয়া হয়েছে, উপজেলাকে।’