নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্রীষ্মে কৃষ্ণচূড়া ও সোনালুর পাশাপাশি প্রকৃতিতে সৌন্দর্যবর্ধন করছে জারুল ফুল। বেগুনি রঙের এই ফুল সবুজের মধ্যে মুগ্ধতার আবেশ তৈরি করেছে। গাছের ডালে বেগুনি রঙের থোকায় থোকায় এই ফুল থাকে। ফুলের চওড়া তিন সেন্টিমিটার। পাপড়ির সংখ্যা ছয়টি। গাছের উচ্চতা ছয়মিটারের মতো। পাপড়িগুলো সাধারণত কুঁকড়ানো থাকে। আদি নিবাস চীনে। বাংলাদেশের আনাচে কানাচে এই ফুলের দেখা মেলে। এই ফুলের রঙে শাড়ি , কামিজ ও বিছানার চাদরও তৈরি হয়। জারুল ফুলের রস ডায়াবেটিসের জন্য খুবই উপকারি। এই ফুলের ওষুধি গুণও আছে।
জারুল এর বৈজ্ঞানিক নাম হলো Lagerstroemia speciosa। এটি লিথ্রেসি (Lythraceae) পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি মাঝারি আকারের পত্রমোচী বৃক্ষ, যা মূলত দক্ষিণ এশিয়ার প্রজাতি এবং বেগুনি রঙের সুন্দর ফুলের জন্য পরিচিত।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চের পাশে, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের নওয়াব ফয়জুন্নেছা ছাত্রীনিবাসের সামনে, কুমিল্লা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ অফিসে প্রবেশপথে, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা ও চট্রগ্রাম অংশে সড়ক বিভাজকে জারুল ফুলের দেখা মিলেছে। জারুল, সোনালু ও কৃষ্ণচ‚ড়া কোথাও কোথাও পাশাপাশি ফুটে আসে। বেগুনি, হলুদ ও লালে এই গ্রীষ্মে বাংলার পথপ্রান্তর। নিসর্গপ্রেমীরা জারুল ফুলকে ঘিরে ছবি তুলছেন।
জারুল ফুল লাল, হলুদ ও বেগুনি হয়ে থাকে। আমাদের দেশে বেগুনি ফুল বেশি হয়। একে বাংলার চেরি ফুলও বলা হয়ে থাকে। এটি গ্রীষ্মে ফুটলেও শরৎকাল পর্যন্ত সৌন্দর্য বিলিয়ে দেয়। জারুল ফুটেছে বনে বনে।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রুবাইয়া সুলতানা বলেন, ‘জারুল ফুল গ্রীম ঋতুতে ফুটে। প্রচন্ড রোদে বা বৃষ্টির পর এই ফুলের সৌন্দর্য আরও ছড়িয়ে পড়ে। আপন গতিতে বড় হয়ে এই গাছ ফুল দেয়। সেই ফুলের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য আমাদের আন্দোলিত করে।

গ্রীষ্মে কৃষ্ণচূড়া ও সোনালুর পাশাপাশি প্রকৃতিতে সৌন্দর্যবর্ধন করছে জারুল ফুল। বেগুনি রঙের এই ফুল সবুজের মধ্যে মুগ্ধতার আবেশ তৈরি করেছে। গাছের ডালে বেগুনি রঙের থোকায় থোকায় এই ফুল থাকে। ফুলের চওড়া তিন সেন্টিমিটার। পাপড়ির সংখ্যা ছয়টি। গাছের উচ্চতা ছয়মিটারের মতো। পাপড়িগুলো সাধারণত কুঁকড়ানো থাকে। আদি নিবাস চীনে। বাংলাদেশের আনাচে কানাচে এই ফুলের দেখা মেলে। এই ফুলের রঙে শাড়ি , কামিজ ও বিছানার চাদরও তৈরি হয়। জারুল ফুলের রস ডায়াবেটিসের জন্য খুবই উপকারি। এই ফুলের ওষুধি গুণও আছে।
জারুল এর বৈজ্ঞানিক নাম হলো Lagerstroemia speciosa। এটি লিথ্রেসি (Lythraceae) পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি মাঝারি আকারের পত্রমোচী বৃক্ষ, যা মূলত দক্ষিণ এশিয়ার প্রজাতি এবং বেগুনি রঙের সুন্দর ফুলের জন্য পরিচিত।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চের পাশে, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের নওয়াব ফয়জুন্নেছা ছাত্রীনিবাসের সামনে, কুমিল্লা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ অফিসে প্রবেশপথে, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা ও চট্রগ্রাম অংশে সড়ক বিভাজকে জারুল ফুলের দেখা মিলেছে। জারুল, সোনালু ও কৃষ্ণচ‚ড়া কোথাও কোথাও পাশাপাশি ফুটে আসে। বেগুনি, হলুদ ও লালে এই গ্রীষ্মে বাংলার পথপ্রান্তর। নিসর্গপ্রেমীরা জারুল ফুলকে ঘিরে ছবি তুলছেন।
জারুল ফুল লাল, হলুদ ও বেগুনি হয়ে থাকে। আমাদের দেশে বেগুনি ফুল বেশি হয়। একে বাংলার চেরি ফুলও বলা হয়ে থাকে। এটি গ্রীষ্মে ফুটলেও শরৎকাল পর্যন্ত সৌন্দর্য বিলিয়ে দেয়। জারুল ফুটেছে বনে বনে।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রুবাইয়া সুলতানা বলেন, ‘জারুল ফুল গ্রীম ঋতুতে ফুটে। প্রচন্ড রোদে বা বৃষ্টির পর এই ফুলের সৌন্দর্য আরও ছড়িয়ে পড়ে। আপন গতিতে বড় হয়ে এই গাছ ফুল দেয়। সেই ফুলের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য আমাদের আন্দোলিত করে।