নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা নগরের কোতোয়ালি মডেল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮ হাজার ৩১৮টি মোবাইল সিমসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১১)। এ সময় অভিযুক্ত এক ভিওআইপি ব্যবসায়ী পালিয়ে যান।
আজ বুধবার র্যাব-১১, সিপিসি-২ কুমিল্লা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার রাতে র্যাব-১১-এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল নগরের কাপ্তান বাজার এলাকায় অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় মো. আবু সাঈদ চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
অভিযানে তার বাসা থেকে ৮ হাজার ৩১৮টি মোবাইল সিম, দুইটি সিম বক্স, দুইটি মনিটর, দুইটি সিপিইউ, দুইটি রাউটার, একটি ল্যাপটপ, একটি পিসি ও দুইটি কিবোর্ড উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, পলাতক আবু সাঈদ চৌধুরী (৩৪) নগরের কাপ্তান বাজার এলাকার আব্দুল মতিন চৌধুরীর ছেলে। তিনি একটি অবৈধ ভিওআইপি চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে লাইসেন্স ছাড়াই এ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। এ ছাড়া, সফটওয়্যারভিত্তিক সুইচের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কল রাউটিং, সরকারের কর ও রাজস্ব ফাঁকি এবং অবৈধভাবে পেমেন্ট ও রিচার্জ সেবা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
র্যাব-১১ জানায়, পলাতক আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে এবং অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কুমিল্লা নগরের কোতোয়ালি মডেল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮ হাজার ৩১৮টি মোবাইল সিমসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১১)। এ সময় অভিযুক্ত এক ভিওআইপি ব্যবসায়ী পালিয়ে যান।
আজ বুধবার র্যাব-১১, সিপিসি-২ কুমিল্লা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার রাতে র্যাব-১১-এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল নগরের কাপ্তান বাজার এলাকায় অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় মো. আবু সাঈদ চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
অভিযানে তার বাসা থেকে ৮ হাজার ৩১৮টি মোবাইল সিম, দুইটি সিম বক্স, দুইটি মনিটর, দুইটি সিপিইউ, দুইটি রাউটার, একটি ল্যাপটপ, একটি পিসি ও দুইটি কিবোর্ড উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, পলাতক আবু সাঈদ চৌধুরী (৩৪) নগরের কাপ্তান বাজার এলাকার আব্দুল মতিন চৌধুরীর ছেলে। তিনি একটি অবৈধ ভিওআইপি চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে লাইসেন্স ছাড়াই এ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। এ ছাড়া, সফটওয়্যারভিত্তিক সুইচের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কল রাউটিং, সরকারের কর ও রাজস্ব ফাঁকি এবং অবৈধভাবে পেমেন্ট ও রিচার্জ সেবা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
র্যাব-১১ জানায়, পলাতক আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে এবং অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।