নিজস্ব প্রতিবেদক

চার বছর আগে কবি ফখরুল হুদা হেলাল গত হয়েছেন। কিন্তু রেখে গেছেন অমলিন স্মৃতি। স্মরণ সভায় সেই স্মৃতির ঝাঁপিই মেলে ধরেন তাঁর সাহচর্যে থাকা নানা পেশার মানুষ। তাঁর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এক সভা হয়। এতে নগর কবি ফখরুল হুদা হেলালকে নিয়ে নানা ধরনের স্মৃতিচারণ করেন তাঁর সময়ের সেরা বন্ধু ও সুহৃদরা। অনুষ্ঠানে তাঁর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়।

কবি ফখরুল হুদা হেলাল সংসদের সভাপতি অধ্যক্ষ মো. শামীম হায়দারের সভাপতিত্বে ওই সভা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, সংগঠক ফখরুল ইসলাম রচি, অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান, ড. আলী হোসেন চৌধুরী, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব বদরুল হুদা জেনু, অধ্যক্ষ বিধান চন্দ, সাংবাদিক নীতিশ সাহা, নাট্য ব্যক্তিত্ব শাহজাহান চৌধুরী, ডা. ইকবাল আনোয়ার, বশির উল আনোয়ার, বদরুল হুদা জেনু, কবি খায়রুল আহসান মানিক, সফিকুল বোরহান, বিজন দাস, সাইয়িদ মাহমুদ পারভেজ, আবদুল কাইয়ুম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মতিন, শিক্ষক রতন ভৌমিক প্রণয়, কবি হালিম আবদুল্লাহ, সাবেক খেলোয়াড় রফিকুল ইসলাম সোহেল, চন্দন দাস, টাউন হলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল কবীর ও আমার শহর পত্রিকার সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ । স্বাগত বক্তব্য দেন সংসদের সাধারণ সম্পাদক আজাদ সরকার লিটন।

বক্তারা বলেন, কবি ফখরুল হুদা হেলাল ছিলেন ভয়ানক আমুদে মানুষ। তাঁর আবেগ ছিল বেশি। যা কিছু করতেন সত্য বলতেন। এই শহরে কবি হেলাল নাটক করেছেন। সংগঠন করেছেন। কবিতা লিখেছেন। কবিদের নিয়ে কবিতা পড়ার আয়োজন করেছেন। কবিতাই ছিল তাঁর ধ্যানজ্ঞান।
তাঁর কবিতার বইগুলোর নাম ছিল সুন্দর । জোড়া টিকটিকি, ঈশ^রের পৌরসভা, অনামিকায় প্রবাল, তোমার হাতে খাব ও পপির চিঠির শেষ অংশ। অবসরে তিনি সুরা পড়তেন, মোনাজাত ধরতেন।
ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, কবি ফখরুল হুদা হেলাল ছিলেন এই শহরের কবি। কুমিল্লা শহরের কবি। তিনি যা বিশ্বাস করতেন তা বলতেন।

বক্তারা বলেন, কবি হেলাল রিকশায় চলতেন। তাঁর চলনে বলনে ভাব ছিল। লম্বা চুল, সুঠাম দেহ, ভরাট কন্ঠ। শেষ জীবনে স্ত্রীকে হারিয়ে তাঁর যাপিত জীবনে ছন্দ হারান। কিন্তু ছোট ভাই বদরুল হুদা জেনুর দায়িত্বশীল ভূমিকা তাঁকে উজ্জীবিত করেছিল। কবিতা বাংলার আহবায়ক, সে আমি তুমি ও নাটক করেছেন তিনি।

চার বছর আগে কবি ফখরুল হুদা হেলাল গত হয়েছেন। কিন্তু রেখে গেছেন অমলিন স্মৃতি। স্মরণ সভায় সেই স্মৃতির ঝাঁপিই মেলে ধরেন তাঁর সাহচর্যে থাকা নানা পেশার মানুষ। তাঁর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এক সভা হয়। এতে নগর কবি ফখরুল হুদা হেলালকে নিয়ে নানা ধরনের স্মৃতিচারণ করেন তাঁর সময়ের সেরা বন্ধু ও সুহৃদরা। অনুষ্ঠানে তাঁর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়।

কবি ফখরুল হুদা হেলাল সংসদের সভাপতি অধ্যক্ষ মো. শামীম হায়দারের সভাপতিত্বে ওই সভা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, সংগঠক ফখরুল ইসলাম রচি, অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান, ড. আলী হোসেন চৌধুরী, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব বদরুল হুদা জেনু, অধ্যক্ষ বিধান চন্দ, সাংবাদিক নীতিশ সাহা, নাট্য ব্যক্তিত্ব শাহজাহান চৌধুরী, ডা. ইকবাল আনোয়ার, বশির উল আনোয়ার, বদরুল হুদা জেনু, কবি খায়রুল আহসান মানিক, সফিকুল বোরহান, বিজন দাস, সাইয়িদ মাহমুদ পারভেজ, আবদুল কাইয়ুম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মতিন, শিক্ষক রতন ভৌমিক প্রণয়, কবি হালিম আবদুল্লাহ, সাবেক খেলোয়াড় রফিকুল ইসলাম সোহেল, চন্দন দাস, টাউন হলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল কবীর ও আমার শহর পত্রিকার সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ । স্বাগত বক্তব্য দেন সংসদের সাধারণ সম্পাদক আজাদ সরকার লিটন।

বক্তারা বলেন, কবি ফখরুল হুদা হেলাল ছিলেন ভয়ানক আমুদে মানুষ। তাঁর আবেগ ছিল বেশি। যা কিছু করতেন সত্য বলতেন। এই শহরে কবি হেলাল নাটক করেছেন। সংগঠন করেছেন। কবিতা লিখেছেন। কবিদের নিয়ে কবিতা পড়ার আয়োজন করেছেন। কবিতাই ছিল তাঁর ধ্যানজ্ঞান।
তাঁর কবিতার বইগুলোর নাম ছিল সুন্দর । জোড়া টিকটিকি, ঈশ^রের পৌরসভা, অনামিকায় প্রবাল, তোমার হাতে খাব ও পপির চিঠির শেষ অংশ। অবসরে তিনি সুরা পড়তেন, মোনাজাত ধরতেন।
ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, কবি ফখরুল হুদা হেলাল ছিলেন এই শহরের কবি। কুমিল্লা শহরের কবি। তিনি যা বিশ্বাস করতেন তা বলতেন।

বক্তারা বলেন, কবি হেলাল রিকশায় চলতেন। তাঁর চলনে বলনে ভাব ছিল। লম্বা চুল, সুঠাম দেহ, ভরাট কন্ঠ। শেষ জীবনে স্ত্রীকে হারিয়ে তাঁর যাপিত জীবনে ছন্দ হারান। কিন্তু ছোট ভাই বদরুল হুদা জেনুর দায়িত্বশীল ভূমিকা তাঁকে উজ্জীবিত করেছিল। কবিতা বাংলার আহবায়ক, সে আমি তুমি ও নাটক করেছেন তিনি।