সুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্রাহ্মণপাড়ার বেড়াখলা বালিকা বিদ্যালয়ে মব সৃষ্টি করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকাকে মারধর ও লাথি দিয়ে চেয়ার থেকে ফেলে দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বহিস্কৃত প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম সুজন। এরপর এ ঘটনা নিয়ে আদালতে মামলা গড়ায়। সম্প্রতি হাইকোর্টে গিয়ে সুজন মুচলেকা দেন ও অঙ্গীকার করেন আর তিনি স্কুলে যাবেন না। ওই ঘটনার পর এলাকায় এসে নতুন ফাঁদ পাতেন সুজন।
আদালতের নির্দেশে পদ ফিরে পাওয়া ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাছিনা ইসলামকে অপসারণ করতে এবার মিথ্যা বলে সহকারী শিক্ষকদের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বাক্ষর নেওয়া ও কর্মবিরতি ডেকেছেন। আজ রোববার শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে না যেতে তিনি কলকাঠি নাড়ছেন।
এছাড়া আদালতের নির্দেশে ‘বিদ্যালয় সীমানায় প্রবেশ না করা ও বিদ্যালয় চাবি হস্তান্তরের আদেশ’ কিছুই মানছেন না তিনি। সহকারী শিক্ষক থেকে বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলার মিটিংয়ে কথা বলে কৌশলে ‘ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারণে’র স্বাক্ষর সুজন নিজে গিয়ে আনার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, যে ছয়জন শিক্ষকের স্বাক্ষরের কথা বলে অপসারণের লক্ষে কর্মবিরতি ডাকা হয়েছে সেটিতেও দেওয়া হয়েছে ফাঁকি। এর মধ্যে একজন শিক্ষক জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন তাঁর প্রমাণ পাওয়া গেছে, একজন খন্ডকালীন শিক্ষক, একজন কর্মচারী তিনি অবসরপ্রাপ্ত, দুইজন শিক্ষক থেকে মিথ্যা বলে নেওয়া হয়েছে স্বাক্ষর।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার বেড়াখলা বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাছিনা ইসলামকে দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বিদ্যালয়টির বরখাস্তকৃত প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামকে স্কুলের সীমানায় প্রবেশ না করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিচারপতি কামরুল কাদের ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আজ রোববার ডাকা কর্মবিরতি হাছিনা ইসলামের অপসারণের জন্য, তা জানেন না স্বাক্ষর করা একাধিক সহকারী শিক্ষক।
কয়েকজন শিক্ষক থেকে বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলা ফেরাতে মিটিংয়ের কথা বলে স্বাক্ষর নেয় সুজন ও তাঁর অনুসারী আইসিটি শিক্ষক মেহেদী হাসান।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক ওই শিক্ষকগণ জানান, ‘ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার অপসারণের জন্য কর্মবিরতি ডাকা হয়েছে এমন কিছু বলে আমাদের স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি। আমরা কেন অপসারণ চাইব, ওনাকে তো আদালত পদে বসার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা দূর থেকে এখানে চাকরি করতে এসেছি। প্রাণ ভয়ে আছি। ব্যক্তির বিরোধের জন্য আমরা নিজেদের জীবন হারাতে চাই না’।
এছাড়া যে ছয়জন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে অপসারণপত্র ইউএনও বরাবর জমা দেওয়া হয়েছে, সেটিতেও রয়েছে ফাঁকি। প্রথম উল্লেখিত গণিত শিক্ষক মোহাম্মদ মফিজ উদ্দিনের নিয়োগ জালিয়াতি প্রমাণিত। আনিসুল হক বিদ্যালয়টির খণ্ডকালীন শিক্ষক, আর মো. আবুল কাশেম অবসরপ্রাপ্ত পরিচ্ছন্নতাকর্মী। বাকি শিক্ষকদের কাছ থেকে বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলার মিটিংয়ের কথা বলে স্বাক্ষর নেয় সুজন।
এই বিষয়ে আদালতের নির্দেশে পদ ফিরে পাওয়া ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাসিনা ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পরদিন (৩০ সেপ্টেম্বর) আমি বিদ্যালয়ে জয়েন করেছি। বিদ্যালয়ে এখন থেকে নিয়মিত ক্লাস হবে। সুজন মিথ্যা বলে শিক্ষকদের থেকে স্বাক্ষর নিয়ে কর্মবিরতির কথা বলছে। এআই দিয়ে মিথ্যা নিউজ করে ফটোকার্ড বানিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। সে অনেক শিক্ষককে পরোক্ষ হুমকি দিচ্ছে। আদালতের নির্দেশ তিনি মানছেন না। এখনো বিদ্যালয়ের চাবি ও পাসওয়ার্ড জমা দেয়নি। রোববার (আজ) বিদ্যালয় কার্যক্রম চলবে। আমি সকল শিক্ষকগণকে বলে দিয়েছি বিদ্যালয়ে আসতে। অভিভাবকগণকে অনুরোধ করবো মিথ্যা প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হতে।
অভিযোগ অস্বীকার করে বহিস্কৃত আমিনুল ইসলাম সুজন বলেন, বিদ্যালয় শিক্ষকরা শৃঙ্খলা ফেরাতে কর্মবিরতি করছে। আমার এখানে কোনো ইন্ধন নেই। আমি বিদ্যালয়ে যাই না। আমি কারো কাছ থেকে সই নিইনি।
ব্রাহ্মণাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন্নী ইসলামকে একাধিক বার ফোন রিসিভ করেননি এবং হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ করলেও তিনি সাড়া দেননি।
৩১ মার্চ কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার বেড়াখলা আবদুল মতিন খসরু বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাছিনা ইসলামকে মারধর ও লাথি মেরে চেয়ার থেকে ফেলে দেয়ার ঘটনা ঘটে।

ব্রাহ্মণপাড়ার বেড়াখলা বালিকা বিদ্যালয়ে মব সৃষ্টি করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকাকে মারধর ও লাথি দিয়ে চেয়ার থেকে ফেলে দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বহিস্কৃত প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম সুজন। এরপর এ ঘটনা নিয়ে আদালতে মামলা গড়ায়। সম্প্রতি হাইকোর্টে গিয়ে সুজন মুচলেকা দেন ও অঙ্গীকার করেন আর তিনি স্কুলে যাবেন না। ওই ঘটনার পর এলাকায় এসে নতুন ফাঁদ পাতেন সুজন।
আদালতের নির্দেশে পদ ফিরে পাওয়া ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাছিনা ইসলামকে অপসারণ করতে এবার মিথ্যা বলে সহকারী শিক্ষকদের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বাক্ষর নেওয়া ও কর্মবিরতি ডেকেছেন। আজ রোববার শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে না যেতে তিনি কলকাঠি নাড়ছেন।
এছাড়া আদালতের নির্দেশে ‘বিদ্যালয় সীমানায় প্রবেশ না করা ও বিদ্যালয় চাবি হস্তান্তরের আদেশ’ কিছুই মানছেন না তিনি। সহকারী শিক্ষক থেকে বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলার মিটিংয়ে কথা বলে কৌশলে ‘ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারণে’র স্বাক্ষর সুজন নিজে গিয়ে আনার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, যে ছয়জন শিক্ষকের স্বাক্ষরের কথা বলে অপসারণের লক্ষে কর্মবিরতি ডাকা হয়েছে সেটিতেও দেওয়া হয়েছে ফাঁকি। এর মধ্যে একজন শিক্ষক জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন তাঁর প্রমাণ পাওয়া গেছে, একজন খন্ডকালীন শিক্ষক, একজন কর্মচারী তিনি অবসরপ্রাপ্ত, দুইজন শিক্ষক থেকে মিথ্যা বলে নেওয়া হয়েছে স্বাক্ষর।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার বেড়াখলা বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাছিনা ইসলামকে দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বিদ্যালয়টির বরখাস্তকৃত প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামকে স্কুলের সীমানায় প্রবেশ না করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিচারপতি কামরুল কাদের ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আজ রোববার ডাকা কর্মবিরতি হাছিনা ইসলামের অপসারণের জন্য, তা জানেন না স্বাক্ষর করা একাধিক সহকারী শিক্ষক।
কয়েকজন শিক্ষক থেকে বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলা ফেরাতে মিটিংয়ের কথা বলে স্বাক্ষর নেয় সুজন ও তাঁর অনুসারী আইসিটি শিক্ষক মেহেদী হাসান।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক ওই শিক্ষকগণ জানান, ‘ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার অপসারণের জন্য কর্মবিরতি ডাকা হয়েছে এমন কিছু বলে আমাদের স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি। আমরা কেন অপসারণ চাইব, ওনাকে তো আদালত পদে বসার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা দূর থেকে এখানে চাকরি করতে এসেছি। প্রাণ ভয়ে আছি। ব্যক্তির বিরোধের জন্য আমরা নিজেদের জীবন হারাতে চাই না’।
এছাড়া যে ছয়জন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে অপসারণপত্র ইউএনও বরাবর জমা দেওয়া হয়েছে, সেটিতেও রয়েছে ফাঁকি। প্রথম উল্লেখিত গণিত শিক্ষক মোহাম্মদ মফিজ উদ্দিনের নিয়োগ জালিয়াতি প্রমাণিত। আনিসুল হক বিদ্যালয়টির খণ্ডকালীন শিক্ষক, আর মো. আবুল কাশেম অবসরপ্রাপ্ত পরিচ্ছন্নতাকর্মী। বাকি শিক্ষকদের কাছ থেকে বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলার মিটিংয়ের কথা বলে স্বাক্ষর নেয় সুজন।
এই বিষয়ে আদালতের নির্দেশে পদ ফিরে পাওয়া ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাসিনা ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পরদিন (৩০ সেপ্টেম্বর) আমি বিদ্যালয়ে জয়েন করেছি। বিদ্যালয়ে এখন থেকে নিয়মিত ক্লাস হবে। সুজন মিথ্যা বলে শিক্ষকদের থেকে স্বাক্ষর নিয়ে কর্মবিরতির কথা বলছে। এআই দিয়ে মিথ্যা নিউজ করে ফটোকার্ড বানিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। সে অনেক শিক্ষককে পরোক্ষ হুমকি দিচ্ছে। আদালতের নির্দেশ তিনি মানছেন না। এখনো বিদ্যালয়ের চাবি ও পাসওয়ার্ড জমা দেয়নি। রোববার (আজ) বিদ্যালয় কার্যক্রম চলবে। আমি সকল শিক্ষকগণকে বলে দিয়েছি বিদ্যালয়ে আসতে। অভিভাবকগণকে অনুরোধ করবো মিথ্যা প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হতে।
অভিযোগ অস্বীকার করে বহিস্কৃত আমিনুল ইসলাম সুজন বলেন, বিদ্যালয় শিক্ষকরা শৃঙ্খলা ফেরাতে কর্মবিরতি করছে। আমার এখানে কোনো ইন্ধন নেই। আমি বিদ্যালয়ে যাই না। আমি কারো কাছ থেকে সই নিইনি।
ব্রাহ্মণাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন্নী ইসলামকে একাধিক বার ফোন রিসিভ করেননি এবং হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ করলেও তিনি সাড়া দেননি।
৩১ মার্চ কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার বেড়াখলা আবদুল মতিন খসরু বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাছিনা ইসলামকে মারধর ও লাথি মেরে চেয়ার থেকে ফেলে দেয়ার ঘটনা ঘটে।