হাইকোর্টে বিচারপতিদের কাছে অঙ্গীকার
নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বেড়াখলা আবদুল মতিন খসরু গার্লস হাইস্কুলের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম সুজন স্কুল সীমানায় প্রবেশ করবেন না বলে মৌখিকভাবে অঙ্গীকার করেছেন। বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এক শুনানিতে গতকাল মঙ্গলবার তিনি এ অঙ্গীকার করেন। সুজন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান। সুজন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব বলপূর্বক পালন করছিলেন।
এ অবস্থায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাছিনা ইসলামের দায়িত্ব পালনে আর কোন বাধা রইল না। হাছিনা সম্প্রতি মবের শিকার হয়েছেন। তাঁকে সুজনের অনুসারীরা বিদ্যালয়ে গিয়ে হামলা করেন।
সম্প্রতি আমিনুল হক সুজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে আবেদনের পর তাঁর ব্যক্তিগত হাজিরা চেয়ে আবেদন করেন হাছিনা ইসলাম। গতকাল মঙ্গলবার শুনানির জন্য তা ওঠে। আদালতে হাছিনা, ইসলামের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব ও আইনজীবী খাজা তানভীর আহমেদ। আমিনুল ইসলামের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মাহবুব শফিক।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামকে স্কুল সীমানায় প্রবেশ না করতে মৌখিকভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান হাছিনার আইনজীবী খাজা তানভীর আহমেদ। তিনি বলেন, ফলে মবের শিকার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাছিনা ইসলামের নির্বিঘ্নে দায়িত্ব পালনে বাধা কাটল।
আমিনুল ইসলামের আইনজীবী মাহবুব শফিক বলেন, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম স্কুল সীমানায় প্রবেশ করবেন না বলে মৌখিকভাবে অঙ্গীকার করেছেন।
আদালত আবেদনটি (আমিনুলের ব্যক্তিগত হাজিরা চেয়ে) কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন। আমিনুল ইসলা-ে মর প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখতে ইতিমধ্যে দেওয়া নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে।
এর আগে কয়েক দফা তদন্তে নিয়োগ নিয়ে জালজালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আমিনুল ইসলামকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় বলে জানান আইনজীবী খাজা তানভীর আহমেদ। তিনি বলেন, এ নিয়ে রিট করেন আমিনুল। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। রুলে আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্তের কার্যক্রম কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। তবে আমিনুল ইসলাম রুলকে পুনর্বহালের আদেশ হিসেবে দেখিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দেন ও স্কুলে যাতায়াত শুরু করেন।
২০২৪ সালের ৬ এপ্রিল থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে হাছিনা ইসলাম দায়িত্ব পালন করে আসছেন। চলতি বছর ২৯ মার্চ আমিনুল ইসলাম দলবল নিয়ে স্কুলে ঢুকে মব করে মেরে তাঁকে স্কুল থেকে বের করে দেন।
আমিনুলের করা রিটে বিবাদী হিসেবে পক্ষ হয়ে আমিনুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে পুনর্বহালে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে হাছিনা আবেদন করেন বলে জানান তাঁর আইনজীবী খাজা তানভীর আহমেদ।
তিনি বলেন, এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৫ মে হাইকোর্ট এক আদেশে আমিনুল ইসলামকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পুনর্বহালে নিষেধাজ্ঞা দেন। এ সত্ত্বেও আমিনুল ইসলাম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে দায়িত্ব পালন করেন। যে কারণে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়। ১৩ জুলাই আদালত অবমাননার রুল হয়। আমিনুল ইসলা-ে মর ব্যক্তিগত হাজিরার নির্দেশনা চেয়ে আরেকটি আবেদন করেন। এ আবেদন শুনানির জন্য ছিল। শুনানিতে উপস্থিত আমিনুল ইসলামকে ডেকে আনা হয়। উপস্থিত হয়ে আমিনুল ইসলাম নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং অঙ্গীকার করেন স্কুলের সীমানায় প্রবেশ করবেন না।

ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বেড়াখলা আবদুল মতিন খসরু গার্লস হাইস্কুলের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম সুজন স্কুল সীমানায় প্রবেশ করবেন না বলে মৌখিকভাবে অঙ্গীকার করেছেন। বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এক শুনানিতে গতকাল মঙ্গলবার তিনি এ অঙ্গীকার করেন। সুজন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান। সুজন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব বলপূর্বক পালন করছিলেন।
এ অবস্থায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাছিনা ইসলামের দায়িত্ব পালনে আর কোন বাধা রইল না। হাছিনা সম্প্রতি মবের শিকার হয়েছেন। তাঁকে সুজনের অনুসারীরা বিদ্যালয়ে গিয়ে হামলা করেন।
সম্প্রতি আমিনুল হক সুজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে আবেদনের পর তাঁর ব্যক্তিগত হাজিরা চেয়ে আবেদন করেন হাছিনা ইসলাম। গতকাল মঙ্গলবার শুনানির জন্য তা ওঠে। আদালতে হাছিনা, ইসলামের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব ও আইনজীবী খাজা তানভীর আহমেদ। আমিনুল ইসলামের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মাহবুব শফিক।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামকে স্কুল সীমানায় প্রবেশ না করতে মৌখিকভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান হাছিনার আইনজীবী খাজা তানভীর আহমেদ। তিনি বলেন, ফলে মবের শিকার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাছিনা ইসলামের নির্বিঘ্নে দায়িত্ব পালনে বাধা কাটল।
আমিনুল ইসলামের আইনজীবী মাহবুব শফিক বলেন, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম স্কুল সীমানায় প্রবেশ করবেন না বলে মৌখিকভাবে অঙ্গীকার করেছেন।
আদালত আবেদনটি (আমিনুলের ব্যক্তিগত হাজিরা চেয়ে) কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন। আমিনুল ইসলা-ে মর প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখতে ইতিমধ্যে দেওয়া নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে।
এর আগে কয়েক দফা তদন্তে নিয়োগ নিয়ে জালজালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আমিনুল ইসলামকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় বলে জানান আইনজীবী খাজা তানভীর আহমেদ। তিনি বলেন, এ নিয়ে রিট করেন আমিনুল। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। রুলে আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্তের কার্যক্রম কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। তবে আমিনুল ইসলাম রুলকে পুনর্বহালের আদেশ হিসেবে দেখিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দেন ও স্কুলে যাতায়াত শুরু করেন।
২০২৪ সালের ৬ এপ্রিল থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে হাছিনা ইসলাম দায়িত্ব পালন করে আসছেন। চলতি বছর ২৯ মার্চ আমিনুল ইসলাম দলবল নিয়ে স্কুলে ঢুকে মব করে মেরে তাঁকে স্কুল থেকে বের করে দেন।
আমিনুলের করা রিটে বিবাদী হিসেবে পক্ষ হয়ে আমিনুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে পুনর্বহালে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে হাছিনা আবেদন করেন বলে জানান তাঁর আইনজীবী খাজা তানভীর আহমেদ।
তিনি বলেন, এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৫ মে হাইকোর্ট এক আদেশে আমিনুল ইসলামকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পুনর্বহালে নিষেধাজ্ঞা দেন। এ সত্ত্বেও আমিনুল ইসলাম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে দায়িত্ব পালন করেন। যে কারণে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়। ১৩ জুলাই আদালত অবমাননার রুল হয়। আমিনুল ইসলা-ে মর ব্যক্তিগত হাজিরার নির্দেশনা চেয়ে আরেকটি আবেদন করেন। এ আবেদন শুনানির জন্য ছিল। শুনানিতে উপস্থিত আমিনুল ইসলামকে ডেকে আনা হয়। উপস্থিত হয়ে আমিনুল ইসলাম নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং অঙ্গীকার করেন স্কুলের সীমানায় প্রবেশ করবেন না।