ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি

আদালতের দেওয়া চার বছরের সশ্রম কারাদÐের সাজা মাথা নিয়ে দীর্ঘ আট বছর ধরে ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন মো. শরীফ (৪২) নামের এক ব্যক্তি। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি এলাকার তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক কারবারিদের একজন। কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল রোববার রাতে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের নারায়ণপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার শরীফ ওই ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের প্রয়াত আব্দুর রশিদের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণপাড়া থানার একটি মাদক মামলায় আদালত মো. শরীফকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। সাজার রায় ঘোষণার পর থেকেই আইন ও আদালতের চোখ ফাঁকি দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান তিনি। দীর্ঘ আট বছর ধরে তিনি ভারতেই বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। সম্প্রতি তিনি সীমান্ত পেরিয়ে গোপনে এলাকায় ফিরেছেন-এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ তৎপর হয়।
রোববার পুলিশের একটি বিশেষ দল শশীদল ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী নারায়ণপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় নিজ এলাকা থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার মো. শরীফের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও সাজা কার্যকর করার জন্য পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আদালতের দেওয়া চার বছরের সশ্রম কারাদÐের সাজা মাথা নিয়ে দীর্ঘ আট বছর ধরে ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন মো. শরীফ (৪২) নামের এক ব্যক্তি। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি এলাকার তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক কারবারিদের একজন। কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল রোববার রাতে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের নারায়ণপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার শরীফ ওই ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের প্রয়াত আব্দুর রশিদের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণপাড়া থানার একটি মাদক মামলায় আদালত মো. শরীফকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। সাজার রায় ঘোষণার পর থেকেই আইন ও আদালতের চোখ ফাঁকি দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান তিনি। দীর্ঘ আট বছর ধরে তিনি ভারতেই বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। সম্প্রতি তিনি সীমান্ত পেরিয়ে গোপনে এলাকায় ফিরেছেন-এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ তৎপর হয়।
রোববার পুলিশের একটি বিশেষ দল শশীদল ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী নারায়ণপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় নিজ এলাকা থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার মো. শরীফের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও সাজা কার্যকর করার জন্য পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।