বুড়িচংয়ে অগ্নিকাণ্ডে মালামাল ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই

বুড়িচং প্রতিনিধি
Thumbnail image

কুমিল্লার বুড়িচং পৌরসভার মডেল একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজ সংলগ্ন এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে নগদ টাকা, আসবাবপত্র ও গৃহস্থালির মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের।

আজ সোমবার দুপুরে সিএনজি অটোরিকশা চালক শরীফের টিনশেড ঘরে বিদ্যুৎ শটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। খবর পেয়ে বুড়িচং ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ৪০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বুড়িচং ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মো. সাইদুল করিম জানান, খবর পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। আগুনে চার কক্ষবিশিষ্ট টিনশেড ঘরের ফ্রিজ, টেলিভিশন, খাট, চেয়ার—টেবিলসহ সব আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত শরীফ জানান, তার ছোট ভাই পাভেল নতুন সিএনজি কেনার জন্য ঘরে ৩ লাখ টাকা রেখেছিলেন। এছাড়া ছেলে জয়ের ৩০ হাজার টাকা, তার নিজের ১০ হাজার টাকা এবং তার মা গ্রামীণ ব্যাংক থেকে কিস্তিতে উত্তোলন করা ৬০ হাজার টাকাসহ প্রায় ৪ লাখ টাকা আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে ১০ লাখ টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

শরীফ ও তার মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, সবকিছু হারিয়ে আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি। এখন মাথা গেঁাজারও ঠাঁই নেই। ছেলে—মেয়ে, নাতি—নাতনিদের নিয়ে কোথায় আশ্রয় নেব, তা ভেবে পাচ্ছি না।

বুড়িচং মডেল একাডেমির প্রধান শিক্ষক মো. কবির হোসেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি পরিদর্শন করেন এবং স্কুলের পক্ষ থেকে নগদ ১০ হাজার টাকা বিতরণ করেন।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তানভীর হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন। তিনি জানান, সরকারি ত্রাণ তহবিল থেকে টিন, নগদ অর্থসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

সম্পর্কিত