চান্দিনা প্রতিনিধি

চান্দিনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী এবং ২ জন মাদকসেবীকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া গ্যাসের সিলিন্ডার মজুদ করে কৃত্রিম সংকট দেখানোর অপরাধী চার ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। গত সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত চান্দিনার বিভিন্ন বাজারে পৃথক অভিযান চালিয়ে এ অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও চান্দিনা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নুর।
মাদকদ্রব্যের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জনকে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- দেবীদ্বার উপজেলার নবীয়াবাদ ডাক্তারপাড়া গ্রামের মো. ইব্রাহীম (৫০), একই উপজেলার মোহনপুর গ্রামের মো. সেলিম (৩৪), চান্দিনা উপজেলার হাড়িখোলা গ্রামের সুমন সরকার (২৮), একই উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের লিংকন সূত্রধর (১৯) ও পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ থানার সাখাওয়াত হোসেন লিমন (৪০)।

এদিকে বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট তৈরি এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে অবৈধ মজুত রাখার অপরাধে ৪ জন ব্যবসায়ীকে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আল নুর জানান, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স চলবে। এছাড়া সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে সাধারণ ক্রেতাদের জিম্মি করার চেষ্টা করায় এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

চান্দিনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী এবং ২ জন মাদকসেবীকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া গ্যাসের সিলিন্ডার মজুদ করে কৃত্রিম সংকট দেখানোর অপরাধী চার ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। গত সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত চান্দিনার বিভিন্ন বাজারে পৃথক অভিযান চালিয়ে এ অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও চান্দিনা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নুর।
মাদকদ্রব্যের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জনকে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- দেবীদ্বার উপজেলার নবীয়াবাদ ডাক্তারপাড়া গ্রামের মো. ইব্রাহীম (৫০), একই উপজেলার মোহনপুর গ্রামের মো. সেলিম (৩৪), চান্দিনা উপজেলার হাড়িখোলা গ্রামের সুমন সরকার (২৮), একই উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের লিংকন সূত্রধর (১৯) ও পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ থানার সাখাওয়াত হোসেন লিমন (৪০)।

এদিকে বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট তৈরি এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে অবৈধ মজুত রাখার অপরাধে ৪ জন ব্যবসায়ীকে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আল নুর জানান, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স চলবে। এছাড়া সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে সাধারণ ক্রেতাদের জিম্মি করার চেষ্টা করায় এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।