নিজস্ব প্রতিবেদক

চৌদ্দগ্রামে মানসিক প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইকরামুল হক (৩৭) নামের এক অটোরিকশাচালককে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১১। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ওই নারীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন ইকরামুল। এরপর তাঁকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি।
আজ সোমবার বিকেলে এসআরবি-১১-এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. ইমরুল হাসান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এর আগে একইদিন ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার যুক্তিখোলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১০ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক অটোরিকশাচালককে মানসিক প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করতে দেখা যায়। ভিডিওটি বাহিনীর নজরে এলে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার এবং ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধারের লক্ষে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইকরামুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ১০ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চৌদ্দগ্রাম থানার শামুকসার রাস্তার মাথায় একটি কলাবাগানে মানসিক প্রতিবন্ধী ওই নারীকে ফুসলিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে ইকরামুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর কলাবাগান থেকে বের হওয়ার সময় রাসেল নামে আরেক অটোরিকশাচালক ইকরামুলকে দেখতে পান এবং তার ভিডিও ধারণ করেন। ওই সময় ইকরামুল নিজের দোষ স্বীকার করেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এরপর ইকরামুল আত্মগোপনে চলে যান। একপর্যায়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি-১১-এর সিপিসি-২-এর একটি দল।

চৌদ্দগ্রামে মানসিক প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইকরামুল হক (৩৭) নামের এক অটোরিকশাচালককে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১১। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ওই নারীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন ইকরামুল। এরপর তাঁকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি।
আজ সোমবার বিকেলে এসআরবি-১১-এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. ইমরুল হাসান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এর আগে একইদিন ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার যুক্তিখোলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১০ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক অটোরিকশাচালককে মানসিক প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করতে দেখা যায়। ভিডিওটি বাহিনীর নজরে এলে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার এবং ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধারের লক্ষে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইকরামুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ১০ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চৌদ্দগ্রাম থানার শামুকসার রাস্তার মাথায় একটি কলাবাগানে মানসিক প্রতিবন্ধী ওই নারীকে ফুসলিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে ইকরামুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর কলাবাগান থেকে বের হওয়ার সময় রাসেল নামে আরেক অটোরিকশাচালক ইকরামুলকে দেখতে পান এবং তার ভিডিও ধারণ করেন। ওই সময় ইকরামুল নিজের দোষ স্বীকার করেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এরপর ইকরামুল আত্মগোপনে চলে যান। একপর্যায়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি-১১-এর সিপিসি-২-এর একটি দল।