চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপি আমাদের চেয়ে ১০ পার্সেন্ট ভোট বেশি পেয়েছে। জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ৬৮টি আসন ও জোটগতভাবে ৭৭টি আসন পেয়েছে। প্রধান বিরোধীদল মানে আগামীতে যারা ক্ষমতায় আসবে। আমরা আশা করছি, আগামীতে জামায়াতে ইসলামীই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে।
আজ রোববার সকালে ঈদগাহ মাঠে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নিজ নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়ন সম্পর্কে বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, অন্তবর্তী সরকার থাকাকালীন এ এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নিয়ে এসেছি। নির্বাচন অতিবাহিত হয়েছে মাত্র তিন মাস। এরই মধ্যে এলাকার উন্নয়নের আরও ১০০ কোটি টাকার বরাদ্দ এনেছি। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, সবে সরকারের তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। যদি বিএনপি পাঁচ বছর ক্ষমতায় টিকে যায়, তাহলে এই বরাদ্দ আরও কয়েকগুন বৃদ্ধি পাবে।
ডা. তাহের বলেন, চৌদ্দগ্রামের মৌলিক সমস্যা কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসা। এই চৌদ্দগ্রামে এই দুটোর স্থান হবে না। কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসায়ীদের ছয় মাস সময় দিলাম। আপনারা অন্য কোন ব্যবসা খোঁজেন। না হয়, ছয় মাসের পরেও যদি এই রাস্তায় থাকেন, তাহলে বুঝা গেল, আপনারা ইচ্ছে করেই এই রাস্তায় আছেন। কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা বেশি না, ভালো মানুষের সংখ্যা বেশি? অবশ্যই ভালো মানুষের সংখ্যা বেশি। কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসায়ীদের ধরার জন্য আপনারা ঘর থেকে বের হবেন কিনা? বের হলে, সমাজ থেকে অপরাধ কমে যাবে। আমার নেতৃত্বেই কিশোর গ্যাং ও মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালিত হবে। তাদেরকে আর ছাড় নয়।
উপজেলা জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠান হয়। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমির এডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, জামায়াতের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা সাবেক আমির আবদুস সাত্তার, কুমিল্লা মহানগরী সেক্রেটারী মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টারের এমডি ডা. শফিকুর রহমান পাটোয়ারী, ইসলামীক চিন্তাবিদ ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সাবেক আমির সাহাব উদ্দিন, সাবেক সেক্রেটারী শাহ মো. মিজানুর রহমান, পৌরসভা আমির মাওলানা মো. ইব্রাহীম, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, আবুল খায়ের, মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, রুহুল আমিন, মমিনুল ইসলাম, আব্দুস সোবহান, ইকবাল হোসেন মজুমদার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সভাপতি মাওলানা শাহজালাল, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী আব্দুর রহিম, এনসিপি কুমিল্লা অঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান, পৌরসভা জামায়াতের নায়েবে আমির কাজী ইয়াছিন, পৌরসভা সেক্রেটারী মোশাররফ হোসাইন ওপেল, শিবিরের দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারী নুরুল ইসলাম মোল্লা, উপজেলা সদর সভাপতি নাছির মিয়াজী। এ সময় চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাসহ উপজেলার তের ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী বেলাল হোসাইন।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপি আমাদের চেয়ে ১০ পার্সেন্ট ভোট বেশি পেয়েছে। জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ৬৮টি আসন ও জোটগতভাবে ৭৭টি আসন পেয়েছে। প্রধান বিরোধীদল মানে আগামীতে যারা ক্ষমতায় আসবে। আমরা আশা করছি, আগামীতে জামায়াতে ইসলামীই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে।
আজ রোববার সকালে ঈদগাহ মাঠে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নিজ নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়ন সম্পর্কে বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, অন্তবর্তী সরকার থাকাকালীন এ এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নিয়ে এসেছি। নির্বাচন অতিবাহিত হয়েছে মাত্র তিন মাস। এরই মধ্যে এলাকার উন্নয়নের আরও ১০০ কোটি টাকার বরাদ্দ এনেছি। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, সবে সরকারের তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। যদি বিএনপি পাঁচ বছর ক্ষমতায় টিকে যায়, তাহলে এই বরাদ্দ আরও কয়েকগুন বৃদ্ধি পাবে।
ডা. তাহের বলেন, চৌদ্দগ্রামের মৌলিক সমস্যা কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসা। এই চৌদ্দগ্রামে এই দুটোর স্থান হবে না। কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসায়ীদের ছয় মাস সময় দিলাম। আপনারা অন্য কোন ব্যবসা খোঁজেন। না হয়, ছয় মাসের পরেও যদি এই রাস্তায় থাকেন, তাহলে বুঝা গেল, আপনারা ইচ্ছে করেই এই রাস্তায় আছেন। কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা বেশি না, ভালো মানুষের সংখ্যা বেশি? অবশ্যই ভালো মানুষের সংখ্যা বেশি। কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসায়ীদের ধরার জন্য আপনারা ঘর থেকে বের হবেন কিনা? বের হলে, সমাজ থেকে অপরাধ কমে যাবে। আমার নেতৃত্বেই কিশোর গ্যাং ও মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালিত হবে। তাদেরকে আর ছাড় নয়।
উপজেলা জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠান হয়। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমির এডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, জামায়াতের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা সাবেক আমির আবদুস সাত্তার, কুমিল্লা মহানগরী সেক্রেটারী মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টারের এমডি ডা. শফিকুর রহমান পাটোয়ারী, ইসলামীক চিন্তাবিদ ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সাবেক আমির সাহাব উদ্দিন, সাবেক সেক্রেটারী শাহ মো. মিজানুর রহমান, পৌরসভা আমির মাওলানা মো. ইব্রাহীম, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, আবুল খায়ের, মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, রুহুল আমিন, মমিনুল ইসলাম, আব্দুস সোবহান, ইকবাল হোসেন মজুমদার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সভাপতি মাওলানা শাহজালাল, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী আব্দুর রহিম, এনসিপি কুমিল্লা অঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান, পৌরসভা জামায়াতের নায়েবে আমির কাজী ইয়াছিন, পৌরসভা সেক্রেটারী মোশাররফ হোসাইন ওপেল, শিবিরের দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারী নুরুল ইসলাম মোল্লা, উপজেলা সদর সভাপতি নাছির মিয়াজী। এ সময় চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাসহ উপজেলার তের ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী বেলাল হোসাইন।