বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আইনজীবী মো. কাইমুল হক রিংকু বলেছেন, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি মানবিক কারণে আসামিদের পক্ষে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে রাষ্ট্র ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য কাউকে দায়িত্ব দিতে পারে। সেক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আইনজীবী লড়বেন।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের হত্যা মামলার বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। গত শনিবার দুপুরে বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে অপ্রতিমের লাশ লালমাই পাহাড়ের ঝোপ-জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয়।
পিপি মো. কাইমুল হক রিংকু আরও বলেন, আমরা আজকে অপ্রতিমের বাবা-মাকে আশ্বস্ত করেছি ন্যায় এবং সুষ্ঠু বিচারের বিষয়ে। আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ জানাই সুষ্ঠু তদন্ত শেষে অপরাধীদের আদালতে প্রেরণ করার জন্য। শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ন্যায় বিচার পাইয়ে দিতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তদন্ত সুষ্ঠুভাবেই এগোচ্ছে, আমরা আশা করছি ইনশাআল্লাহ ন্যায় বিচার পাব। কোনো আইনজীবী মামলা না নিলে ন্যায় বিচারের স্বার্থে রাষ্ট্র অপরাধীদের জন্য আইনজীবী দেবেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. বেলাল উদ্দিন, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. সহিদ উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুল হক খন্দকার, সাবেক সভাপতি মো. শরিফুল ইসলামসহ জেলা আইনজীবী সমিতির অন্যান্য আইনজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান বলেন, অপ্রতিম খুবই মিশুক একটা ছেলে ছিল। অপরাধীদের বয়স নিয়ে একটা লুকোচুরি আমরা দেখতে পাচ্ছি। আপনাদের কাছে আমাদের অনুরোধ রামিসা হত্যার বিচারের মতো আমাদের অপ্রতিম হত্যারও সুষ্ঠু বিচার যেন হয়।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরিফুল করীম বলেন, অপরাধীদেরকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেমনভাবে গ্রেপ্তার করেছে, তেমনই তাদের থেকে জবানবন্দি নিতে আপনাদের ভূমিকা রয়েছে। অভিভাবকের সমস্যাকে কাজে লাগিয়ে কোনোভাবেই যেন অপরাধী শাস্তি থেকে মুক্তি না পায় সেই বিষয়ে খেয়াল রাখতে আপনাদের অনুরোধ জানাই। রামিসা হত্যার বিচার যেমনভাবে হয়েছে অপ্রতিমের হত্যারও যেন দ্রুত বিচার হয়।

কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আইনজীবী মো. কাইমুল হক রিংকু বলেছেন, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি মানবিক কারণে আসামিদের পক্ষে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে রাষ্ট্র ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য কাউকে দায়িত্ব দিতে পারে। সেক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আইনজীবী লড়বেন।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের হত্যা মামলার বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। গত শনিবার দুপুরে বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে অপ্রতিমের লাশ লালমাই পাহাড়ের ঝোপ-জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয়।
পিপি মো. কাইমুল হক রিংকু আরও বলেন, আমরা আজকে অপ্রতিমের বাবা-মাকে আশ্বস্ত করেছি ন্যায় এবং সুষ্ঠু বিচারের বিষয়ে। আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ জানাই সুষ্ঠু তদন্ত শেষে অপরাধীদের আদালতে প্রেরণ করার জন্য। শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ন্যায় বিচার পাইয়ে দিতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তদন্ত সুষ্ঠুভাবেই এগোচ্ছে, আমরা আশা করছি ইনশাআল্লাহ ন্যায় বিচার পাব। কোনো আইনজীবী মামলা না নিলে ন্যায় বিচারের স্বার্থে রাষ্ট্র অপরাধীদের জন্য আইনজীবী দেবেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. বেলাল উদ্দিন, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. সহিদ উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুল হক খন্দকার, সাবেক সভাপতি মো. শরিফুল ইসলামসহ জেলা আইনজীবী সমিতির অন্যান্য আইনজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান বলেন, অপ্রতিম খুবই মিশুক একটা ছেলে ছিল। অপরাধীদের বয়স নিয়ে একটা লুকোচুরি আমরা দেখতে পাচ্ছি। আপনাদের কাছে আমাদের অনুরোধ রামিসা হত্যার বিচারের মতো আমাদের অপ্রতিম হত্যারও সুষ্ঠু বিচার যেন হয়।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরিফুল করীম বলেন, অপরাধীদেরকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেমনভাবে গ্রেপ্তার করেছে, তেমনই তাদের থেকে জবানবন্দি নিতে আপনাদের ভূমিকা রয়েছে। অভিভাবকের সমস্যাকে কাজে লাগিয়ে কোনোভাবেই যেন অপরাধী শাস্তি থেকে মুক্তি না পায় সেই বিষয়ে খেয়াল রাখতে আপনাদের অনুরোধ জানাই। রামিসা হত্যার বিচার যেমনভাবে হয়েছে অপ্রতিমের হত্যারও যেন দ্রুত বিচার হয়।