কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কর্মস্থলে যোগদান না করা এবং অব্যাহতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছয় শিক্ষকের মূল পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, ‘শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী কর্মস্থলে যোগদান করেননি এবং অব্যাহতির আবেদন করেছেন সে সকল শিক্ষকের মূল পদ শূন্য ঘোষণার বিষয়ে গত ২৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১১১তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে শিক্ষকদের মূল পদ শূন্য ঘোষণা করা হলো। সিন্ডিকেটের গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা অর্থ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) আদায়ের প্রক্রিয়াও চলমান থাকবে।’
পদ শূন্য হওয়া শিক্ষকরা হলেন-পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দিপা রানী দাস, রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবাশীষ সেন, ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুমাইয়া হক চাঁদনী, মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আবদুল্লাহ, সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. কামাল হোসেন চৌধুরী এবং শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান।
তবে এসব শিক্ষকদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকা পাওনা আছে। এদের কেউ দুই বছরের ছুটি নিয়ে সাড়ে ছয় বছরেও ফেরেননি।
জানতে চাইলে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও যারা ফিরে আসেননি এবং অনেকে অব্যাহতির আবেদন করেছেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে সিন্ডিকেটে পদ শূন্যের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে তাদের এখনো অব্যাহতি দেওয়া হয়নি। তাদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে পাওনা রয়েছে, সেসব অর্থের লেনদেন সম্পন্ন করার জন্য তাদের চিঠি দেওয়া হচ্ছে। এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের অব্যাহতি দেওয়া হবে।’

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কর্মস্থলে যোগদান না করা এবং অব্যাহতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছয় শিক্ষকের মূল পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, ‘শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী কর্মস্থলে যোগদান করেননি এবং অব্যাহতির আবেদন করেছেন সে সকল শিক্ষকের মূল পদ শূন্য ঘোষণার বিষয়ে গত ২৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১১১তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে শিক্ষকদের মূল পদ শূন্য ঘোষণা করা হলো। সিন্ডিকেটের গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা অর্থ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) আদায়ের প্রক্রিয়াও চলমান থাকবে।’
পদ শূন্য হওয়া শিক্ষকরা হলেন-পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দিপা রানী দাস, রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবাশীষ সেন, ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুমাইয়া হক চাঁদনী, মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আবদুল্লাহ, সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. কামাল হোসেন চৌধুরী এবং শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান।
তবে এসব শিক্ষকদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকা পাওনা আছে। এদের কেউ দুই বছরের ছুটি নিয়ে সাড়ে ছয় বছরেও ফেরেননি।
জানতে চাইলে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও যারা ফিরে আসেননি এবং অনেকে অব্যাহতির আবেদন করেছেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে সিন্ডিকেটে পদ শূন্যের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে তাদের এখনো অব্যাহতি দেওয়া হয়নি। তাদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে পাওনা রয়েছে, সেসব অর্থের লেনদেন সম্পন্ন করার জন্য তাদের চিঠি দেওয়া হচ্ছে। এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের অব্যাহতি দেওয়া হবে।’