বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও তৎসংলগ্ন এলাকায় শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা বিধান, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মান নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা গতকাল সোমবার বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় কুমিল্লা পুলিশ প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সিটি করপোরেশন, স্থানীয় সরকার, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা ওয়াসা, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী ও অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে উপাচার্য এম এম শরীফুল করীম বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এই অঞ্চলের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ এবং এর সম্মান ও নিরাপত্তা সমগ্র কুমিল্লার সম্মানের সাথে জড়িত। তিনি শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন দক্ষিণ ক্যাম্পাস পর্যন্ত পুরো সড়কে অবিলম্বে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা, আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং রাস্তা প্রশস্ত ও সংস্কারের জোরালো দাবি জানান।
উপাচার্য বেলতলী আন্ডারপাসের নির্মাণকাজ দীর্ঘ পাঁচ বছরেও শেষ না হওয়ায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দ্রুততম সময়ে আন্ডারপাস ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে নেমে আসা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাপ্রোচ সড়কটি সংস্কারের আহ্বান জানান। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে শিফটিং শুরু হওয়ার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বেলতলী মোড় থেকে জেলখানা বাড়ি পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণে দ্রুত ডিপিপি প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার রোধে প্রশাসনকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। বহিরাগত মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মেসগুলোকে অতিসত্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শক দপ্তরে তালিকাভুক্ত করার জন্য মেস মালিকদের অনুরোধ জানান। পাশাপাশি কাজী নজরুল ইসলাম হলের অভ্যন্তরীণ পয়ঃনিষ্কাশন ও বাইরের জলাবদ্ধতা দূর করতে ড্রেনেজ নির্মাণের জন্য সদর দক্ষিণ উপজেলা প্রশাসনের নিকট দ্রুত বাজেট বরাদ্দের জন্য অনুরোধ জানান।
সভায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও ক্যাম্পাসসংলগ্ন এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন প্রস্তাব ও মতামত তুলে ধরা হয় এবং অংশীজনরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা ওয়াসার চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছান, জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান ও সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার হোসাইন প্রমুখ।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও তৎসংলগ্ন এলাকায় শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা বিধান, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মান নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা গতকাল সোমবার বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় কুমিল্লা পুলিশ প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সিটি করপোরেশন, স্থানীয় সরকার, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা ওয়াসা, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী ও অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে উপাচার্য এম এম শরীফুল করীম বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এই অঞ্চলের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ এবং এর সম্মান ও নিরাপত্তা সমগ্র কুমিল্লার সম্মানের সাথে জড়িত। তিনি শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন দক্ষিণ ক্যাম্পাস পর্যন্ত পুরো সড়কে অবিলম্বে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা, আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং রাস্তা প্রশস্ত ও সংস্কারের জোরালো দাবি জানান।
উপাচার্য বেলতলী আন্ডারপাসের নির্মাণকাজ দীর্ঘ পাঁচ বছরেও শেষ না হওয়ায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দ্রুততম সময়ে আন্ডারপাস ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে নেমে আসা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাপ্রোচ সড়কটি সংস্কারের আহ্বান জানান। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে শিফটিং শুরু হওয়ার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বেলতলী মোড় থেকে জেলখানা বাড়ি পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণে দ্রুত ডিপিপি প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার রোধে প্রশাসনকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। বহিরাগত মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মেসগুলোকে অতিসত্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শক দপ্তরে তালিকাভুক্ত করার জন্য মেস মালিকদের অনুরোধ জানান। পাশাপাশি কাজী নজরুল ইসলাম হলের অভ্যন্তরীণ পয়ঃনিষ্কাশন ও বাইরের জলাবদ্ধতা দূর করতে ড্রেনেজ নির্মাণের জন্য সদর দক্ষিণ উপজেলা প্রশাসনের নিকট দ্রুত বাজেট বরাদ্দের জন্য অনুরোধ জানান।
সভায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও ক্যাম্পাসসংলগ্ন এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন প্রস্তাব ও মতামত তুলে ধরা হয় এবং অংশীজনরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা ওয়াসার চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছান, জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান ও সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার হোসাইন প্রমুখ।