সাজিদুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

ডিজিটাল যোগাযোগের যুগে চিঠির আবেগ ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘চিঠি উৎসব’। এ উৎসবে অপ্রতিমের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি এবং বয়স নির্ণয়ে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহারের আহŸান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর চিঠি লিখেছেন বাংলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
গতকাল রোববার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাডমিন্টন কোর্টে কুমিল্লা পোস্টাল ডিভিশনের আয়োজনে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবের প্রতিপাদ্য ছিল- ‘সমন্বিত ডাক নেটওয়ার্ক, সীমাহীন সম্ভাবনা’।
উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফ‚র্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আয়োজনস্থলে অপ্রতিমের নামে একটি স্টল উৎসর্গসহ বিভিন্ন ধরনের স্টল, মেডিকেল বুথ ও পোস্টার প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের বিভিন্ন সেবা সম্পর্কেও তথ্য তুলে ধরা হয়।
উৎসবে অংশ নিয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী আয়েশা আক্তার বলেন, ‘চিঠি এমন একটি মাধ্যম, যার সাহায্যে মুখে না বলেও মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা অনুভ‚তিগুলো লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়। আজ চিঠি দিবস। এই বিশেষ দিনে প্রিয়জন কিংবা বন্ধুবান্ধবের কাছে মনের না-বলা কথাগুলো চিঠির মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া এক অন্যরকম অনুভ‚তি। তাই চিঠি দিবসে এসে আমার অন্যরকম ভালো লাগছে। এখানে এসে শব্দের মাধ্যমে মনের কথাগুলো প্রকাশের সুযোগ তৈরি হয়েছে।’
আয়োজনের বিষয়ে কুমিল্লা পোস্টাল ডিভিশনের ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত ৯ অক্টোবর বিশ্ব চিঠি দিবস উপলক্ষে আজ (গতকাল) ১১ অক্টোবর কুমিল্লা পোস্টাল ডিভিশনের পক্ষ থেকে আমরা চিঠি লিখন উৎসবের আয়োজন করেছি। আমাদের আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো বর্তমান ডিজিটাল যোগাযোগের যুগে চিঠি লেখার অভ্যাস ও আবেগঘন যোগাযোগের ঐতিহ্যকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ডাকসেবার গুরুত্ব ও কার্যক্রম নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

ডিজিটাল যোগাযোগের যুগে চিঠির আবেগ ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘চিঠি উৎসব’। এ উৎসবে অপ্রতিমের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি এবং বয়স নির্ণয়ে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহারের আহŸান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর চিঠি লিখেছেন বাংলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
গতকাল রোববার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাডমিন্টন কোর্টে কুমিল্লা পোস্টাল ডিভিশনের আয়োজনে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবের প্রতিপাদ্য ছিল- ‘সমন্বিত ডাক নেটওয়ার্ক, সীমাহীন সম্ভাবনা’।
উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফ‚র্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আয়োজনস্থলে অপ্রতিমের নামে একটি স্টল উৎসর্গসহ বিভিন্ন ধরনের স্টল, মেডিকেল বুথ ও পোস্টার প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের বিভিন্ন সেবা সম্পর্কেও তথ্য তুলে ধরা হয়।
উৎসবে অংশ নিয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী আয়েশা আক্তার বলেন, ‘চিঠি এমন একটি মাধ্যম, যার সাহায্যে মুখে না বলেও মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা অনুভ‚তিগুলো লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়। আজ চিঠি দিবস। এই বিশেষ দিনে প্রিয়জন কিংবা বন্ধুবান্ধবের কাছে মনের না-বলা কথাগুলো চিঠির মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া এক অন্যরকম অনুভ‚তি। তাই চিঠি দিবসে এসে আমার অন্যরকম ভালো লাগছে। এখানে এসে শব্দের মাধ্যমে মনের কথাগুলো প্রকাশের সুযোগ তৈরি হয়েছে।’
আয়োজনের বিষয়ে কুমিল্লা পোস্টাল ডিভিশনের ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত ৯ অক্টোবর বিশ্ব চিঠি দিবস উপলক্ষে আজ (গতকাল) ১১ অক্টোবর কুমিল্লা পোস্টাল ডিভিশনের পক্ষ থেকে আমরা চিঠি লিখন উৎসবের আয়োজন করেছি। আমাদের আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো বর্তমান ডিজিটাল যোগাযোগের যুগে চিঠি লেখার অভ্যাস ও আবেগঘন যোগাযোগের ঐতিহ্যকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ডাকসেবার গুরুত্ব ও কার্যক্রম নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া।