১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের নিজ বাসা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরার পথে কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসান মোহাম্মদ তাসবির। এ সময় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে ছুরি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। গত সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরার পথে তিনি পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডে নামেন। পরে সেখান থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার জন্য কোটবাড়ি বিশ্বরোডে যাওয়ার উদ্দেশে সিএনজি অটোরিকশা খুঁজছিলেন। একপর্যায়ে একটি সিএনজি অটোরিকশা ক্যান্টনমেন্ট পর্যন্ত যাবে জানালে তিনি সেখানে ওঠেন। তখন অটোরিকশায় চালকসহ আরও দুই ব্যক্তি ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, কিছুদূর যাওয়ার পর পদুয়ার বাজার ও কোটবাড়ি বিশ্বরোডের মধ্যবর্তী একটি নির্জন স্থানে যাত্রী ওঠানোর কথা বলে অটোরিকশাটি থামানো হয়। পরে চালকসহ পেছনে বসা দুই ব্যক্তি তাকে ছুরি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। একপর্যায়ে তারা তার মোবাইল ফোনে থাকা বিকাশ অ্যাকাউন্ট ও মানিব্যাগ চেক করে সঙ্গে থাকা কিছু টাকা নিয়ে নেন।
পরে ছিনতাইয়ের বিষয়টি কাউকে না বলার শর্তে ভুক্তভোগীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি কাউকে জানালে পরবর্তীতে আবারও তাকে আটক করা হবে বলে হুমকি দেন ছিনতাইকারীরা। এমনকি তারা তার চেহারা টার্গেট করে রেখেছে বলেও জানান। ঘটনার পর ছিনতাইকারীদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমি কোনো লিখিত অভিযোগপত্র পায়নি। অভিযোগপত্র পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. লুৎফর রহমান বলেন, 'এ ব্যাপারে আমি অবগত আছি, ফেসবুকেও দেখেছি। আমাদের টিম সেটি নিয়ে কাজ করছে। আমরা সিসিটিভি ক্যামরা মাধ্যমে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।'

চট্টগ্রামের নিজ বাসা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরার পথে কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসান মোহাম্মদ তাসবির। এ সময় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে ছুরি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। গত সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরার পথে তিনি পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডে নামেন। পরে সেখান থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার জন্য কোটবাড়ি বিশ্বরোডে যাওয়ার উদ্দেশে সিএনজি অটোরিকশা খুঁজছিলেন। একপর্যায়ে একটি সিএনজি অটোরিকশা ক্যান্টনমেন্ট পর্যন্ত যাবে জানালে তিনি সেখানে ওঠেন। তখন অটোরিকশায় চালকসহ আরও দুই ব্যক্তি ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, কিছুদূর যাওয়ার পর পদুয়ার বাজার ও কোটবাড়ি বিশ্বরোডের মধ্যবর্তী একটি নির্জন স্থানে যাত্রী ওঠানোর কথা বলে অটোরিকশাটি থামানো হয়। পরে চালকসহ পেছনে বসা দুই ব্যক্তি তাকে ছুরি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। একপর্যায়ে তারা তার মোবাইল ফোনে থাকা বিকাশ অ্যাকাউন্ট ও মানিব্যাগ চেক করে সঙ্গে থাকা কিছু টাকা নিয়ে নেন।
পরে ছিনতাইয়ের বিষয়টি কাউকে না বলার শর্তে ভুক্তভোগীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি কাউকে জানালে পরবর্তীতে আবারও তাকে আটক করা হবে বলে হুমকি দেন ছিনতাইকারীরা। এমনকি তারা তার চেহারা টার্গেট করে রেখেছে বলেও জানান। ঘটনার পর ছিনতাইকারীদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমি কোনো লিখিত অভিযোগপত্র পায়নি। অভিযোগপত্র পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. লুৎফর রহমান বলেন, 'এ ব্যাপারে আমি অবগত আছি, ফেসবুকেও দেখেছি। আমাদের টিম সেটি নিয়ে কাজ করছে। আমরা সিসিটিভি ক্যামরা মাধ্যমে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।'