নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার লালমাই উপজেলা বিএনপিতে অত্মাকলহ চরম আকার ধারণ করেছে। একদিকে কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর অনুসারীরা, অন্যদিকে কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার অনুসারীরা। দুই এমপির অনুসারীদের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে লালমাই উপলে-লার বাগমারা বাজারের ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার অনুসারী বাগমারা এলাকার বিএনপি দলীয় কর্মী জাকির হোসেনকে (জাকির মাওলানা নামে পরিচিত) মারধর করা হয়। এ ঘটনার জের ধরে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বাগমারা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করেন মোবাশ্বেরের অনুসারীরা। এ সময় লালমাই উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। একই সঙ্গে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করা হক ও হয়। তাঁরা মনিল হক চৌধুরী ও সম্পাদক ইউসুফ আলী মীর পিন্টুর বিরুদ্ধে শ্লোগান দেয়। এর আগেও জাকির মাওলানা ও পিন্টু গ্রুপের মধ্যে লালমাই বাজারে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পিন্টু মনিরুল হক চৌধুরীর অনুসারী। মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লা-১০ আসনের নেতা ও প্রার্থী ছিলেন। দল তাঁকে কুমিল্লা-৬ আসনে প্রার্থী করে। ১২ ফেব্রুয়ারির পর লালমাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মনিরুল হক চৌধুরীর অনুসারীদের সঙ্গে মোবাশ্বেরের অনুসারীদের বিরোধ বাড়ছেই। মোবাশ্বেরও মনিরুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থানে একের
পর এক বক্তব্য দিচ্ছেন। বক্তব্য দেওয়ার পর আবার মনিরুল হক চৌধুরীর কাছে গিয়ে মাফও চান এ বিষয়ে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার ভাষ্য, তিনি আমার বড় ভাই, মুরুব্বি। বক্তৃতা দেওয়ার পর উনার লগে মিটমাট করে আসি।
লালমাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী মীর পিন্টু বলেন, মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার সঙ্গে লালমাইতে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী নেই। তিনি সাংগঠনিক কাঠামো নষ্ট করে রাজনীতি করতে চান। বিতর্কিত ব্যক্তি ও যাঁরা গত ১৭বছর মাঠে ছিল না তাঁদের নিয়ে চলেন। আজকে আমাদের দলীয় কার্যালয়ে বহিরাগত এনে হামলা করা হয়।

কুমিল্লার লালমাই উপজেলা বিএনপিতে অত্মাকলহ চরম আকার ধারণ করেছে। একদিকে কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর অনুসারীরা, অন্যদিকে কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার অনুসারীরা। দুই এমপির অনুসারীদের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে লালমাই উপলে-লার বাগমারা বাজারের ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার অনুসারী বাগমারা এলাকার বিএনপি দলীয় কর্মী জাকির হোসেনকে (জাকির মাওলানা নামে পরিচিত) মারধর করা হয়। এ ঘটনার জের ধরে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বাগমারা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করেন মোবাশ্বেরের অনুসারীরা। এ সময় লালমাই উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। একই সঙ্গে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করা হক ও হয়। তাঁরা মনিল হক চৌধুরী ও সম্পাদক ইউসুফ আলী মীর পিন্টুর বিরুদ্ধে শ্লোগান দেয়। এর আগেও জাকির মাওলানা ও পিন্টু গ্রুপের মধ্যে লালমাই বাজারে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পিন্টু মনিরুল হক চৌধুরীর অনুসারী। মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লা-১০ আসনের নেতা ও প্রার্থী ছিলেন। দল তাঁকে কুমিল্লা-৬ আসনে প্রার্থী করে। ১২ ফেব্রুয়ারির পর লালমাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মনিরুল হক চৌধুরীর অনুসারীদের সঙ্গে মোবাশ্বেরের অনুসারীদের বিরোধ বাড়ছেই। মোবাশ্বেরও মনিরুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থানে একের
পর এক বক্তব্য দিচ্ছেন। বক্তব্য দেওয়ার পর আবার মনিরুল হক চৌধুরীর কাছে গিয়ে মাফও চান এ বিষয়ে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার ভাষ্য, তিনি আমার বড় ভাই, মুরুব্বি। বক্তৃতা দেওয়ার পর উনার লগে মিটমাট করে আসি।
লালমাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী মীর পিন্টু বলেন, মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার সঙ্গে লালমাইতে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী নেই। তিনি সাংগঠনিক কাঠামো নষ্ট করে রাজনীতি করতে চান। বিতর্কিত ব্যক্তি ও যাঁরা গত ১৭বছর মাঠে ছিল না তাঁদের নিয়ে চলেন। আজকে আমাদের দলীয় কার্যালয়ে বহিরাগত এনে হামলা করা হয়।