মেঘনা প্রতিনিধি

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের নলচর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক রবিউল্লাহ রবি সরকার এবং একই ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আব্দুল বারেকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুজনই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হতে ইচ্ছুক হওয়ায় এই বিরোধ আরও তীব্র রূপ নেয়।
এরই জের ধরে সোমবার রাতে রবি সরকারের বাড়ির সামনে আব্দুল বারেকের অনুসারীরা পাঁচটি বাজি ফোটান। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। দফায় দফায় চলা এই সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হন।
সংঘর্ষের পর আহতরা চিকিৎসার জন্য পাশের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাসেল আহমেদ ভূঁইয়া জানান, আহতদের মধ্যে ১৮ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে গুরুতর আহত জামাল ও সালমা নামের দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের নলচর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক রবিউল্লাহ রবি সরকার এবং একই ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আব্দুল বারেকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুজনই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হতে ইচ্ছুক হওয়ায় এই বিরোধ আরও তীব্র রূপ নেয়।
এরই জের ধরে সোমবার রাতে রবি সরকারের বাড়ির সামনে আব্দুল বারেকের অনুসারীরা পাঁচটি বাজি ফোটান। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। দফায় দফায় চলা এই সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হন।
সংঘর্ষের পর আহতরা চিকিৎসার জন্য পাশের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাসেল আহমেদ ভূঁইয়া জানান, আহতদের মধ্যে ১৮ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে গুরুতর আহত জামাল ও সালমা নামের দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’