নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট হানাদার মুক্ত দিবস আজ। ১৯৭১ সালের এই দিনে এ অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জনসাধারণ তুমুল প্রতিরোধ গড়ে তুলে নাঙ্গলকোট এলাকা থেকে পাক হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করে।
জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর জুলাই মাসের প্রথম দিকে পাক হানাদার বাহিনী উপজেলার বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের পরিকোট সেতু সংলগ্ন ভূঁইয়া পুকুর পাড় এলাকাকে মিনি ক্যান্টেনমেন্টে পরিণত করে। সেখানে অনেক মুক্তিযোদ্ধাসহ নিরীহ কয়েক‘শ লোকজনকে ধরে নিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করে পাশ্ববর্তী ডাকাতিয়া নদীতে লাশ ফেলে দিতো। পাক হানাদার বাহিনীর হাতে ওই স্থানে অনেক নারীও নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ।
এছাড়া নাঙ্গলকোটের মৌকরা ইউনিয়নের তেলপাই গ্রামের মনু দিঘীরপাড়ে পাকসেনারা ৫জন অজ্ঞাত লোককে হত্যা করে মাটির নিচে পুঁতে ফেলেন। তাদের গণকবরটি এখনো চিহিৃত করা যায়নি। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণহত্যার আরেকটি স্থান হচ্ছে, উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের তেজেরবাজার এলাকা। পাকসেনারা তেজের বাজারে দুইজন অজ্ঞাত নিরীহ লোককে ধরে এনে হত্যা করে তেজের বাজার-সিজিয়ারা সড়কের পাশে গণকবর দেয়। তাদের গণকবরটি পুরনো দেয়াল ঘেরা অবস্থায় অবহেলা-অযত্নে পড়ে আছে। এছাড়া হাসানপুর রেলস্টেশন এলাকায় দৌলখাঁড় গ্রামের সিরাজুল আলম ওরপে আকমত আলী দারোগাকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ধরে নিয়ে দুইদিন পাশবিক নির্যাতনের পর নাঙ্গলকোট হাসানপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন নতুন মসজিদের সামনে গুলি করে হত্যা করে লাশ মাটিতে পুঁতে ফেলেন। মুক্তিযোদ্ধা আকমত আলী দারোগার কবরটি এখনো চিহিৃত করা যায়নি। শুধুমাত্র ঢাকা-চট্রগ্রাম রেলপথের হাসানপুর রেলস্টেশনের দক্ষিণ পাশে রেলপথের পাশে আকমত আলী দারোগার নামে একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয়া হয়।
২০০৬ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়া বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের পরিকোট নামক স্থানে পাকহানাদার বাহিনীর নির্মম হত্যাকান্ডের স্থান (মিনি ক্যান্টেমেন্টের এলাকা) বধ্যভূমির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। পরবর্তীতে বধ্যভূমি এলাকায় একটি বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করা হলেও তা অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে।
নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিজা আক্তার বিথী বলেন, হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে।

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট হানাদার মুক্ত দিবস আজ। ১৯৭১ সালের এই দিনে এ অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জনসাধারণ তুমুল প্রতিরোধ গড়ে তুলে নাঙ্গলকোট এলাকা থেকে পাক হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করে।
জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর জুলাই মাসের প্রথম দিকে পাক হানাদার বাহিনী উপজেলার বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের পরিকোট সেতু সংলগ্ন ভূঁইয়া পুকুর পাড় এলাকাকে মিনি ক্যান্টেনমেন্টে পরিণত করে। সেখানে অনেক মুক্তিযোদ্ধাসহ নিরীহ কয়েক‘শ লোকজনকে ধরে নিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করে পাশ্ববর্তী ডাকাতিয়া নদীতে লাশ ফেলে দিতো। পাক হানাদার বাহিনীর হাতে ওই স্থানে অনেক নারীও নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ।
এছাড়া নাঙ্গলকোটের মৌকরা ইউনিয়নের তেলপাই গ্রামের মনু দিঘীরপাড়ে পাকসেনারা ৫জন অজ্ঞাত লোককে হত্যা করে মাটির নিচে পুঁতে ফেলেন। তাদের গণকবরটি এখনো চিহিৃত করা যায়নি। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণহত্যার আরেকটি স্থান হচ্ছে, উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের তেজেরবাজার এলাকা। পাকসেনারা তেজের বাজারে দুইজন অজ্ঞাত নিরীহ লোককে ধরে এনে হত্যা করে তেজের বাজার-সিজিয়ারা সড়কের পাশে গণকবর দেয়। তাদের গণকবরটি পুরনো দেয়াল ঘেরা অবস্থায় অবহেলা-অযত্নে পড়ে আছে। এছাড়া হাসানপুর রেলস্টেশন এলাকায় দৌলখাঁড় গ্রামের সিরাজুল আলম ওরপে আকমত আলী দারোগাকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ধরে নিয়ে দুইদিন পাশবিক নির্যাতনের পর নাঙ্গলকোট হাসানপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন নতুন মসজিদের সামনে গুলি করে হত্যা করে লাশ মাটিতে পুঁতে ফেলেন। মুক্তিযোদ্ধা আকমত আলী দারোগার কবরটি এখনো চিহিৃত করা যায়নি। শুধুমাত্র ঢাকা-চট্রগ্রাম রেলপথের হাসানপুর রেলস্টেশনের দক্ষিণ পাশে রেলপথের পাশে আকমত আলী দারোগার নামে একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয়া হয়।
২০০৬ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়া বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের পরিকোট নামক স্থানে পাকহানাদার বাহিনীর নির্মম হত্যাকান্ডের স্থান (মিনি ক্যান্টেমেন্টের এলাকা) বধ্যভূমির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। পরবর্তীতে বধ্যভূমি এলাকায় একটি বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করা হলেও তা অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে।
নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিজা আক্তার বিথী বলেন, হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে।