নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি

ঢাকা-চট্রগ্রাম রেলপথের কুমিল্লার নাঙ্গলকোট পৌরবাজার রেলগেট থেকে রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত পূর্বপাশে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা প্রায় শতাধিক দোকানপাট উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে রেলওয়ে প্রশাসন। গতকাল বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, রেলওয়ে বিভাগীয় স্টেট অফিসার মো. খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা রেলপথের পাশে অবৈধভাবে গড়ে উঠা দোকানপাট উচ্ছেদ অভিযানে অংশ গ্রহণ করেন। এসময় নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্টেট ও সহকারী কমিশনার ভূমি মিল্টন চাকমা এ উচ্ছেদ অভিযানে সহযোগিতা করেন। এতে রেলওয়ের জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা প্রায় ১০০টি দোকানপাট ভ্যাকু মেশিন দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।
দোকান মালিকরা অভিযোগ করে বলেন, কোন ধরণের পূর্ব নোটিশ প্রদান না করে তাদের দোকান ঘরগুলো উচ্ছেদ করা হয়। এতে তাদের মালামালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় তাদেরকে পথে বসতে হয়েছে ।
রেলওয়ে বিভাগীয় স্টেট অফিসার মো. খোরশেদ আলম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী একটি মহল রেলওয়ের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে মার্কেট নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে আসছিলেন। তাদেরকে বার বার নোটিশ প্রদান এবং মাইকিং করার পরও তারা দখল ছাড়েনি। ফলে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে। পর্যায় ক্রমে সারা দেশে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ঢাকা-চট্রগ্রাম রেলপথের কুমিল্লার নাঙ্গলকোট পৌরবাজার রেলগেট থেকে রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত পূর্বপাশে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা প্রায় শতাধিক দোকানপাট উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে রেলওয়ে প্রশাসন। গতকাল বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, রেলওয়ে বিভাগীয় স্টেট অফিসার মো. খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা রেলপথের পাশে অবৈধভাবে গড়ে উঠা দোকানপাট উচ্ছেদ অভিযানে অংশ গ্রহণ করেন। এসময় নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্টেট ও সহকারী কমিশনার ভূমি মিল্টন চাকমা এ উচ্ছেদ অভিযানে সহযোগিতা করেন। এতে রেলওয়ের জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা প্রায় ১০০টি দোকানপাট ভ্যাকু মেশিন দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।
দোকান মালিকরা অভিযোগ করে বলেন, কোন ধরণের পূর্ব নোটিশ প্রদান না করে তাদের দোকান ঘরগুলো উচ্ছেদ করা হয়। এতে তাদের মালামালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় তাদেরকে পথে বসতে হয়েছে ।
রেলওয়ে বিভাগীয় স্টেট অফিসার মো. খোরশেদ আলম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী একটি মহল রেলওয়ের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে মার্কেট নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে আসছিলেন। তাদেরকে বার বার নোটিশ প্রদান এবং মাইকিং করার পরও তারা দখল ছাড়েনি। ফলে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে। পর্যায় ক্রমে সারা দেশে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।