নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি

ওমরা পালনের উদ্দেশে সৌদি আরব গিয়ে হুতিদের হামলায় নিহত হয়েছেন মুফতি নাসরুল্লাহ (৩৫)। তিনি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের বদরপুর ওলামা বাড়ির মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহর ছেলে। তিনি ঢাকা কামরাঙ্গীরচরের জামিয়া আরাবিয়া রবিউল উলূম মাদ্রাসার সচিব ছিলেন।
মুফতি নাসরুল্লাহর বড় ভাই মাওলানা আহসান উল্লাহ বদর জানান, আমরা চার ভাই, তিন বোন। আমি সবার বড়। সে ছিল তৃতীয়। গত শনিবার সকালে মাদ্রাসায় কর্মরত ৪৫ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে নিয়ে তাঁরই নেতৃত্বে ওমরাহ হজের উদ্দেশে যাত্রা করে। রিয়াদে পৌঁছে সে জেদ্দার জন্য বোর্ডিং পাস সম্পন্ন করে। সে যেহেতু সবার দায়িত্বে ছিল, তাই একেবারেই সামনেই অবস্থান নেয়। তার ১০-১৫ হাত সামনেই মিসাইলটি পড়ে। এতে সে গুরুতর আহত হয়। তাকে তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু আমরা তাঁর কোনো খোঁজ পাচ্ছিলাম না। ধর্মমন্ত্রী ও বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। আজকে (গতকাল রোববার) বিকেল চারটায় আমরা এ বিষয়ে জানতে পারি। যে ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে সে সৌদি গিয়েছে, ওই প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী আমাদেরকে তাঁর ডেথ সার্টিফিকেট পাঠায়। আমরা সরকারের কাছে তাঁর মরদেহ দ্রæত ফেরত আনার উদ্যোগ চাই। স্ত্রীসহ তাঁর তিন সন্তান রয়েছে। তারা যেন যথাযথ ক্ষতিপূরণ পায়। আমরা সকলের কাছে দোয়া চাই।
নাসরুল্লাহর বাবা মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, গতকাল এয়ারপোর্টে নামার পর যোগাযোগ করেন। এরপর থেকে আর কোনো যোগাযোগ ছিল না, পরে আজ (রোববার) বিকেলে তার মৃত্যুর খবর পাই। আমরা তার মরদেহ দেশে আনার অপেক্ষায় আছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু রায়হান বলেন, খবর পাওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের সান্ত¡না দিয়েছি। নিহতের মরদেহ দেশে আনার জন্য যতটুকু সহযোগিতার প্রয়োজন তা করা হবে।

ওমরা পালনের উদ্দেশে সৌদি আরব গিয়ে হুতিদের হামলায় নিহত হয়েছেন মুফতি নাসরুল্লাহ (৩৫)। তিনি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের বদরপুর ওলামা বাড়ির মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহর ছেলে। তিনি ঢাকা কামরাঙ্গীরচরের জামিয়া আরাবিয়া রবিউল উলূম মাদ্রাসার সচিব ছিলেন।
মুফতি নাসরুল্লাহর বড় ভাই মাওলানা আহসান উল্লাহ বদর জানান, আমরা চার ভাই, তিন বোন। আমি সবার বড়। সে ছিল তৃতীয়। গত শনিবার সকালে মাদ্রাসায় কর্মরত ৪৫ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে নিয়ে তাঁরই নেতৃত্বে ওমরাহ হজের উদ্দেশে যাত্রা করে। রিয়াদে পৌঁছে সে জেদ্দার জন্য বোর্ডিং পাস সম্পন্ন করে। সে যেহেতু সবার দায়িত্বে ছিল, তাই একেবারেই সামনেই অবস্থান নেয়। তার ১০-১৫ হাত সামনেই মিসাইলটি পড়ে। এতে সে গুরুতর আহত হয়। তাকে তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু আমরা তাঁর কোনো খোঁজ পাচ্ছিলাম না। ধর্মমন্ত্রী ও বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। আজকে (গতকাল রোববার) বিকেল চারটায় আমরা এ বিষয়ে জানতে পারি। যে ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে সে সৌদি গিয়েছে, ওই প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী আমাদেরকে তাঁর ডেথ সার্টিফিকেট পাঠায়। আমরা সরকারের কাছে তাঁর মরদেহ দ্রæত ফেরত আনার উদ্যোগ চাই। স্ত্রীসহ তাঁর তিন সন্তান রয়েছে। তারা যেন যথাযথ ক্ষতিপূরণ পায়। আমরা সকলের কাছে দোয়া চাই।
নাসরুল্লাহর বাবা মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, গতকাল এয়ারপোর্টে নামার পর যোগাযোগ করেন। এরপর থেকে আর কোনো যোগাযোগ ছিল না, পরে আজ (রোববার) বিকেলে তার মৃত্যুর খবর পাই। আমরা তার মরদেহ দেশে আনার অপেক্ষায় আছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু রায়হান বলেন, খবর পাওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের সান্ত¡না দিয়েছি। নিহতের মরদেহ দেশে আনার জন্য যতটুকু সহযোগিতার প্রয়োজন তা করা হবে।