• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> জীবনযাপন

বেশি তেল পোড়াচ্ছে আপনার গাড়ি? জেনে নিন কারণ

আমার শহর লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ৫৪
logo

বেশি তেল পোড়াচ্ছে আপনার গাড়ি? জেনে নিন কারণ

আমার শহর লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ৫৪
Photo

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকট অনেক দেশের মতো আমাদের দেশেও বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। পেট্রোল, অকটেন কিংবা ডিজেলের দাম বাড়ায় গাড়ি ব্যবহারকারীদের ব্যয়ও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। ফলে এখন অনেকেই ভাবছেন কীভাবে গাড়ির জ্বালানি খরচ কমানো যায়। কিন্তু অনেক সময় চালকের অজান্তেই কিছু ভুলের কারণে গাড়ি স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি তেল খরচ করে। নিয়মিত এসব ভুল এড়িয়ে চলতে পারলে সহজেই জ্বালানি সাশ্রয় করা সম্ভব।

অযথা দ্রুত গতি ও হঠাৎ ব্রেক

গাড়ি দ্রুত গতিতে চালানো এবং বারবার হঠাৎ ব্রেক করা জ্বালানি খরচ বাড়ানোর অন্যতম কারণ। যখন গাড়ি দ্রুত গতিতে তোলা হয়, তখন ইঞ্জিনকে বেশি শক্তি উৎপাদন করতে হয়। আবার হঠাৎ ব্রেক করলে সেই শক্তি নষ্ট হয়ে যায়। তাই ধীরে ধীরে গতি বাড়ানো এবং আগেভাগে ব্রেক করলে তেলের অপচয় কম হয়।

টায়ারের চাপ কম থাকা

গাড়ির টায়ারে বাতাস কম থাকলে ইঞ্জিনকে গাড়ি এগিয়ে নিতে বেশি শক্তি ব্যবহার করতে হয়। এতে জ্বালানি খরচও বাড়ে। অনেক চালক নিয়মিত টায়ারের চাপ পরীক্ষা করেন না। অথচ সঠিক চাপ বজায় রাখলে মাইলেজ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।

অপ্রয়োজনীয়ভাবে ইঞ্জিন চালু রাখা

অনেকেই গাড়ি থামিয়ে রেখেও ইঞ্জিন বন্ধ করেন না। ট্রাফিক সিগন্যাল, পার্কিং বা অপেক্ষার সময় দীর্ঘক্ষণ ইঞ্জিন চালু থাকলে তেল অকারণে নষ্ট হয়। কয়েক মিনিটের বেশি দাঁড়িয়ে থাকতে হলে ইঞ্জিন বন্ধ রাখাই ভালো।

নিয়মিত সার্ভিস না করানো

গাড়ির ইঞ্জিন, এয়ার ফিল্টার, স্পার্ক প্লাগ বা ইনজেক্টর ঠিকমতো পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ না করলে জ্বালানি খরচ বেড়ে যায়। ময়লা এয়ার ফিল্টার বা পুরনো স্পার্ক প্লাগ ইঞ্জিনের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। তাই নির্দিষ্ট সময় পরপর সার্ভিস করানো জরুরি।

অতিরিক্ত ওজন বহন করা

গাড়িতে অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বহন করলে গাড়ির মোট ওজন বেড়ে যায়। এতে ইঞ্জিনকে বেশি শক্তি ব্যবহার করতে হয়, যার ফলে তেল খরচ বাড়ে। তাই গাড়িতে প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত মালামাল রাখা উচিত নয়।

এসি ব্যবহারে অসতর্কতা

গরমের সময় অনেকেই দীর্ঘ সময় এসি চালিয়ে গাড়ি ব্যবহার করেন। এসি চালু থাকলে ইঞ্জিনের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে এবং জ্বালানি খরচও কিছুটা বেড়ে যায়। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী এসি ব্যবহার করলে জ্বালানি সাশ্রয় করা সম্ভব।

ভুল গিয়ার ব্যবহার

ম্যানুয়াল গাড়ির ক্ষেত্রে অনেক চালক সঠিক গিয়ার ব্যবহার করেন না। কম গতিতে উচ্চ গিয়ার বা বেশি গতিতে নিচু গিয়ার ব্যবহার করলে ইঞ্জিনে চাপ পড়ে এবং জ্বালানি খরচ বাড়ে। সঠিক গিয়ার নির্বাচন করলে গাড়ির মাইলেজ ভালো থাকে।

সচেতনতাই সাশ্রয়ের অন্যতম উপায়

গাড়ির জ্বালানি খরচ কমাতে বড় কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না। বরং চালকের কিছু সচেতনতা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণই অনেক ক্ষেত্রে পার্থক্য গড়ে দেয়। টায়ারের চাপ ঠিক রাখা, নিয়মিত সার্ভিস করা, অযথা দ্রুত গতি এড়িয়ে চলা এবং ইঞ্জিন অপ্রয়োজনে চালু না রাখা এই সাধারণ অভ্যাসগুলোই জ্বালানি সাশ্রয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বর্তমান জ্বালানি সংকটের সময়ে এসব বিষয়ে সচেতন হলে খরচ কমানোর পাশাপাশি পরিবেশের ওপর চাপও কমানো সম্ভব।

Thumbnail image

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকট অনেক দেশের মতো আমাদের দেশেও বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। পেট্রোল, অকটেন কিংবা ডিজেলের দাম বাড়ায় গাড়ি ব্যবহারকারীদের ব্যয়ও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। ফলে এখন অনেকেই ভাবছেন কীভাবে গাড়ির জ্বালানি খরচ কমানো যায়। কিন্তু অনেক সময় চালকের অজান্তেই কিছু ভুলের কারণে গাড়ি স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি তেল খরচ করে। নিয়মিত এসব ভুল এড়িয়ে চলতে পারলে সহজেই জ্বালানি সাশ্রয় করা সম্ভব।

অযথা দ্রুত গতি ও হঠাৎ ব্রেক

গাড়ি দ্রুত গতিতে চালানো এবং বারবার হঠাৎ ব্রেক করা জ্বালানি খরচ বাড়ানোর অন্যতম কারণ। যখন গাড়ি দ্রুত গতিতে তোলা হয়, তখন ইঞ্জিনকে বেশি শক্তি উৎপাদন করতে হয়। আবার হঠাৎ ব্রেক করলে সেই শক্তি নষ্ট হয়ে যায়। তাই ধীরে ধীরে গতি বাড়ানো এবং আগেভাগে ব্রেক করলে তেলের অপচয় কম হয়।

টায়ারের চাপ কম থাকা

গাড়ির টায়ারে বাতাস কম থাকলে ইঞ্জিনকে গাড়ি এগিয়ে নিতে বেশি শক্তি ব্যবহার করতে হয়। এতে জ্বালানি খরচও বাড়ে। অনেক চালক নিয়মিত টায়ারের চাপ পরীক্ষা করেন না। অথচ সঠিক চাপ বজায় রাখলে মাইলেজ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।

অপ্রয়োজনীয়ভাবে ইঞ্জিন চালু রাখা

অনেকেই গাড়ি থামিয়ে রেখেও ইঞ্জিন বন্ধ করেন না। ট্রাফিক সিগন্যাল, পার্কিং বা অপেক্ষার সময় দীর্ঘক্ষণ ইঞ্জিন চালু থাকলে তেল অকারণে নষ্ট হয়। কয়েক মিনিটের বেশি দাঁড়িয়ে থাকতে হলে ইঞ্জিন বন্ধ রাখাই ভালো।

নিয়মিত সার্ভিস না করানো

গাড়ির ইঞ্জিন, এয়ার ফিল্টার, স্পার্ক প্লাগ বা ইনজেক্টর ঠিকমতো পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ না করলে জ্বালানি খরচ বেড়ে যায়। ময়লা এয়ার ফিল্টার বা পুরনো স্পার্ক প্লাগ ইঞ্জিনের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। তাই নির্দিষ্ট সময় পরপর সার্ভিস করানো জরুরি।

অতিরিক্ত ওজন বহন করা

গাড়িতে অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বহন করলে গাড়ির মোট ওজন বেড়ে যায়। এতে ইঞ্জিনকে বেশি শক্তি ব্যবহার করতে হয়, যার ফলে তেল খরচ বাড়ে। তাই গাড়িতে প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত মালামাল রাখা উচিত নয়।

এসি ব্যবহারে অসতর্কতা

গরমের সময় অনেকেই দীর্ঘ সময় এসি চালিয়ে গাড়ি ব্যবহার করেন। এসি চালু থাকলে ইঞ্জিনের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে এবং জ্বালানি খরচও কিছুটা বেড়ে যায়। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী এসি ব্যবহার করলে জ্বালানি সাশ্রয় করা সম্ভব।

ভুল গিয়ার ব্যবহার

ম্যানুয়াল গাড়ির ক্ষেত্রে অনেক চালক সঠিক গিয়ার ব্যবহার করেন না। কম গতিতে উচ্চ গিয়ার বা বেশি গতিতে নিচু গিয়ার ব্যবহার করলে ইঞ্জিনে চাপ পড়ে এবং জ্বালানি খরচ বাড়ে। সঠিক গিয়ার নির্বাচন করলে গাড়ির মাইলেজ ভালো থাকে।

সচেতনতাই সাশ্রয়ের অন্যতম উপায়

গাড়ির জ্বালানি খরচ কমাতে বড় কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না। বরং চালকের কিছু সচেতনতা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণই অনেক ক্ষেত্রে পার্থক্য গড়ে দেয়। টায়ারের চাপ ঠিক রাখা, নিয়মিত সার্ভিস করা, অযথা দ্রুত গতি এড়িয়ে চলা এবং ইঞ্জিন অপ্রয়োজনে চালু না রাখা এই সাধারণ অভ্যাসগুলোই জ্বালানি সাশ্রয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বর্তমান জ্বালানি সংকটের সময়ে এসব বিষয়ে সচেতন হলে খরচ কমানোর পাশাপাশি পরিবেশের ওপর চাপও কমানো সম্ভব।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

সাময়িক ব্লক করা হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ফের চালু করছে মেটা

২

বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে ফেসবুকে

৩

এবার ‘সুপার অ্যাপ’ হতে যাচ্ছে চ্যাটজিপিটি!

৪

ফ্রিজে মাছ ও মাংস কতদিন পর্যন্ত ভালো থাকে?

৫

মনের কষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে শরীরের উপরও

সম্পর্কিত

সাময়িক ব্লক করা হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ফের চালু করছে মেটা

সাময়িক ব্লক করা হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ফের চালু করছে মেটা

০৭ আগস্ট ২০২৬
বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে ফেসবুকে

বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে ফেসবুকে

১৯ জুন ২০২৬
এবার ‘সুপার অ্যাপ’ হতে যাচ্ছে চ্যাটজিপিটি!

এবার ‘সুপার অ্যাপ’ হতে যাচ্ছে চ্যাটজিপিটি!

১২ জুন ২০২৬
ফ্রিজে মাছ ও মাংস কতদিন পর্যন্ত ভালো থাকে?

ফ্রিজে মাছ ও মাংস কতদিন পর্যন্ত ভালো থাকে?

২৮ মে ২০২৬