আমার শহর আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইউক্রেনে ইউরোপীয় সেনা মোতায়েনের যে আলোচনা চলছে, সে বিষয়ে কঠোর ভাষায় সতর্ক করেছে রাশিয়া। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইউক্রেনে যদি কোনও ইউরোপীয় সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়, তবে তারা রুশ সেনাবাহিনীর ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হয়ে উঠবে। অর্থাৎ ইউক্রেনে ইউরোপেীয় কোনও দেশের সেনা ঢ়ুকলেই তাদেরকে লক্ষ্য ধরে হামলা চালাবে রাশিয়া। তবে ইউরোপের সঙ্গে রাশিয়া সরাসরি যুদ্ধ চায় না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড বলছে, আজ রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা তাসে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন। ল্যাভরভ অভিযোগ করেন, কিয়েভকে ঘিরে ইউরোপীয় নেতারা মূলত নিজেদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে ব্যস্ত- এতে উপেক্ষিত হচ্ছে ইউক্রেনের জনগণ এবং তাদের নিজ নিজ দেশের মানুষের স্বার্থ।
এর আগে তিনি বলেন, ইউক্রেনে ইউরোপীয় সেনা পাঠানোর যেকোনও উদ্যোগ কিংবা কিয়েভকে সহায়তায় রাশিয়ার জব্দ করা সম্পদ ব্যবহার করা হলে তার জবাব দেবে মস্কো। তবে ল্যাভরভ জোর দিয়ে বলেন, রাশিয়ার ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধ করার কোনও পরিকল্পনা নেই। তার ভাষায়, ‘তবু যে কোনও বৈরী পদক্ষেপ, হোক সেটা ইউক্রেনে ইউরোপীয় সামরিক বাহিনী মোতায়েন বা রুশ সম্পদ জব্দ, আমার তার জবাব দেব। সে প্রস্তুতি আমাদের আছে।’ এদিকে তাইওয়ান ইস্যুতেও রাশিয়ার অবস্থান জানিয়েছে ল্যাভরভ। তিনি বলেন, তাইওয়ানের স্বাধীনতার যে কোনও প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে মস্কো। তিনি বলেন, দ্বীপটি চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা তাসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার এই শীর্ষ কূটনীতিক জাপানকে ‘সামরিকীকরণের পথে হাঁটার আগে ভালো করে ভাবতে’ সতর্কও করে দেন।

ইউক্রেনে ইউরোপীয় সেনা মোতায়েনের যে আলোচনা চলছে, সে বিষয়ে কঠোর ভাষায় সতর্ক করেছে রাশিয়া। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইউক্রেনে যদি কোনও ইউরোপীয় সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়, তবে তারা রুশ সেনাবাহিনীর ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হয়ে উঠবে। অর্থাৎ ইউক্রেনে ইউরোপেীয় কোনও দেশের সেনা ঢ়ুকলেই তাদেরকে লক্ষ্য ধরে হামলা চালাবে রাশিয়া। তবে ইউরোপের সঙ্গে রাশিয়া সরাসরি যুদ্ধ চায় না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড বলছে, আজ রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা তাসে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন। ল্যাভরভ অভিযোগ করেন, কিয়েভকে ঘিরে ইউরোপীয় নেতারা মূলত নিজেদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে ব্যস্ত- এতে উপেক্ষিত হচ্ছে ইউক্রেনের জনগণ এবং তাদের নিজ নিজ দেশের মানুষের স্বার্থ।
এর আগে তিনি বলেন, ইউক্রেনে ইউরোপীয় সেনা পাঠানোর যেকোনও উদ্যোগ কিংবা কিয়েভকে সহায়তায় রাশিয়ার জব্দ করা সম্পদ ব্যবহার করা হলে তার জবাব দেবে মস্কো। তবে ল্যাভরভ জোর দিয়ে বলেন, রাশিয়ার ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধ করার কোনও পরিকল্পনা নেই। তার ভাষায়, ‘তবু যে কোনও বৈরী পদক্ষেপ, হোক সেটা ইউক্রেনে ইউরোপীয় সামরিক বাহিনী মোতায়েন বা রুশ সম্পদ জব্দ, আমার তার জবাব দেব। সে প্রস্তুতি আমাদের আছে।’ এদিকে তাইওয়ান ইস্যুতেও রাশিয়ার অবস্থান জানিয়েছে ল্যাভরভ। তিনি বলেন, তাইওয়ানের স্বাধীনতার যে কোনও প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে মস্কো। তিনি বলেন, দ্বীপটি চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা তাসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার এই শীর্ষ কূটনীতিক জাপানকে ‘সামরিকীকরণের পথে হাঁটার আগে ভালো করে ভাবতে’ সতর্কও করে দেন।