আমার শহর ডেস্ক

মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলেও সবকিছু একদিনে বাস্তবায়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক মানের মানবাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্য থাকলেও দেশের সামাজিক-রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় ধীরে ধীরে এগোতে হবে।
আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগরে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫: নতুন সংসদের কাছে প্রত্যাশা’ শীর্ষক একটি সংলাপে সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে অনেকগুলোই সংসদে পাস বা সংশোধন করে গ্রহণ করতে হবে। তবে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার পর ৩০ দিনের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ অনুমোদন বা বাতিলের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকায় বাস্তবিকভাবে সবগুলো একসঙ্গে পাস করা কঠিন হবে।
তিনি বলেন, সংসদ ১২ মার্চ বসার কথা থাকলেও মাঝখানে সাপ্তাহিক ছুটি, শবে কদর, জাতীয় দিবস ও দীর্ঘ ছুটির কারণে কার্যত সময় আরও কমে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এই ৩০ দিন কার্যদিবস নয়, ক্যালেন্ডার ডে। ফলে সময় খুব সীমিত। যেগুলো সম্ভব হবে সেগুলো বিল আকারে এনে পাস করব, কিছু সংশোধন করতে হবে, আর কিছু অধ্যাদেশ হয়তো স্বাভাবিকভাবেই ল্যাপস করবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার কমিশন সম্পর্কিত অধ্যাদেশটি সংসদে আলোচনার জন্য আনা হবে। বেশিরভাগ বিষয়ে ঐকমত্য থাকলেও কিছু ধারা সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে। তিনি বলেন, মানবাধিকার আমাদের অঙ্গীকারের বিষয়। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার ও ৩১ দফা কর্মসূচিতে এ বিষয়ে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি রয়েছে। গুম কমিশন সংক্রান্ত আইনসহ কয়েকটি অধ্যাদেশ বিস্তারিত পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে দায় নির্ধারণের (সুপেরিয়র লাইয়াবিলিটি) বিষয়ে কিছু অস্পষ্টতা আছে, যা সংসদীয় কমিটিতে আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করা হবে।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মাত্রা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্য আমাদের। তবে বাস্তবতা বিবেচনায় ধাপে ধাপে এগোতে হবে।
‘ওভারনাইট’ পরিবর্তন সম্ভব নয় জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অর্জন করতে হলে দেশের সামাজিক ও ধর্মীয় বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা চাই মানবাধিকার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যাক। কিন্তু আমাদের সমাজ, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় মূল্যবোধের কারণে কিছু বিষয় ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, কিছু ইস্যুতে আন্তর্জাতিক চাপ থাকলেও দেশের সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিতে হয়। দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতের ‘ব্যাড প্র্যাকটিস’ দূর করে সংসদ ও রাজনৈতিক দলগুলোকে গণতান্ত্রিক চর্চা বাড়াতে হবে। আমরা সংসদ থেকেই ভালো গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চাই। ধীরে ধীরে সেই সংস্কৃতি মাঠেও প্রতিষ্ঠিত হবে।
‘জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন’ হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে যেসব বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রয়েছে, সেগুলো নিয়ে সংসদে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, জনগণ আমাদের ইশতেহার দেখে ভোট দিয়েছে। সেই ম্যান্ডেট অনুযায়ীই আমরা সংসদে সিদ্ধান্ত নেব। সংলাপে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলেও সবকিছু একদিনে বাস্তবায়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক মানের মানবাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্য থাকলেও দেশের সামাজিক-রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় ধীরে ধীরে এগোতে হবে।
আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগরে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫: নতুন সংসদের কাছে প্রত্যাশা’ শীর্ষক একটি সংলাপে সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে অনেকগুলোই সংসদে পাস বা সংশোধন করে গ্রহণ করতে হবে। তবে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার পর ৩০ দিনের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ অনুমোদন বা বাতিলের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকায় বাস্তবিকভাবে সবগুলো একসঙ্গে পাস করা কঠিন হবে।
তিনি বলেন, সংসদ ১২ মার্চ বসার কথা থাকলেও মাঝখানে সাপ্তাহিক ছুটি, শবে কদর, জাতীয় দিবস ও দীর্ঘ ছুটির কারণে কার্যত সময় আরও কমে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এই ৩০ দিন কার্যদিবস নয়, ক্যালেন্ডার ডে। ফলে সময় খুব সীমিত। যেগুলো সম্ভব হবে সেগুলো বিল আকারে এনে পাস করব, কিছু সংশোধন করতে হবে, আর কিছু অধ্যাদেশ হয়তো স্বাভাবিকভাবেই ল্যাপস করবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার কমিশন সম্পর্কিত অধ্যাদেশটি সংসদে আলোচনার জন্য আনা হবে। বেশিরভাগ বিষয়ে ঐকমত্য থাকলেও কিছু ধারা সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে। তিনি বলেন, মানবাধিকার আমাদের অঙ্গীকারের বিষয়। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার ও ৩১ দফা কর্মসূচিতে এ বিষয়ে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি রয়েছে। গুম কমিশন সংক্রান্ত আইনসহ কয়েকটি অধ্যাদেশ বিস্তারিত পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে দায় নির্ধারণের (সুপেরিয়র লাইয়াবিলিটি) বিষয়ে কিছু অস্পষ্টতা আছে, যা সংসদীয় কমিটিতে আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করা হবে।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মাত্রা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্য আমাদের। তবে বাস্তবতা বিবেচনায় ধাপে ধাপে এগোতে হবে।
‘ওভারনাইট’ পরিবর্তন সম্ভব নয় জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অর্জন করতে হলে দেশের সামাজিক ও ধর্মীয় বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা চাই মানবাধিকার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যাক। কিন্তু আমাদের সমাজ, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় মূল্যবোধের কারণে কিছু বিষয় ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, কিছু ইস্যুতে আন্তর্জাতিক চাপ থাকলেও দেশের সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিতে হয়। দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতের ‘ব্যাড প্র্যাকটিস’ দূর করে সংসদ ও রাজনৈতিক দলগুলোকে গণতান্ত্রিক চর্চা বাড়াতে হবে। আমরা সংসদ থেকেই ভালো গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চাই। ধীরে ধীরে সেই সংস্কৃতি মাঠেও প্রতিষ্ঠিত হবে।
‘জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন’ হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে যেসব বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রয়েছে, সেগুলো নিয়ে সংসদে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, জনগণ আমাদের ইশতেহার দেখে ভোট দিয়েছে। সেই ম্যান্ডেট অনুযায়ীই আমরা সংসদে সিদ্ধান্ত নেব। সংলাপে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।