আমার শহর ডেস্ক

‘শারীরিক অসুস্থতা’য় পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। আজ সোমবার তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে শারীরিক অসুস্থতার কারণে পদত্যাগের আবেদন করেন। তাঁর পদত্যাগপত্র গৃহীত হলো।
পদত্যাগপত্রে তিনি লেখেন- আমি দীপেন দেওয়ান, এমপি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। দায়িত্ব গ্রহণের পর হতে আমি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছি। আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কাজের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নানাবিধ সমস্যা তৈরি হচ্ছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধির স্বার্থে আমার বর্তমান পদ থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করা আবশ্যক বলে মনে করছি।
অতএব, উপর্যুক্ত কারণে আমার পদত্যাগপত্র গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। তাঁর আবেদনের পরপরই সেটি গৃহীত হলো।
দীপেন দেওয়ান রাঙামাটি পার্বত্য জেলার নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

দীপেন দেওয়ান ১৯৬৩ সালের ৮ জুন রাঙ্গামাটির রাঙ্গাপানি এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা সুবিমল দেওয়ান জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় উপজাতীয় বিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন।
তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র জ্যেষ্ঠ নেতা। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ নং রাঙামাটি পার্বত্য জেলা আসন থেকে অংশগ্রহণ করে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয় রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক হিসেবে। পরবর্তীতে তিনি জেলা বিএনপির আহবায়ক এবং দীর্ঘ সময় সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
বর্তমানে তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ধর্ম বিষয়ক সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের অধিকার রক্ষা ও উন্নয়নে কাজ করে আসছেন।
২০০৫ সালে দলের সংকটময় সময়ে তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আহŸানে সাড়া দিয়ে, তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম জেলা জজ পদে দায়িত্বে থাকাকালীন স্বেচ্ছায় সরকারি চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে পুরোপুরি যোগ দেন। ২০০৭ সালের রাজনৈতিক সংকটের সময় দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কারাবন্দি ও দিশেহারা অবস্থায় থাকাকালে তিনি রাঙামাটিতে বিএনপির হাল ধরেন। তার নেতৃত্বাধীন সময়ে ২০১২ সালে রাঙামাটি পৌরসভায় ৩০ বছরের রেকর্ড ভেঙে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মেয়র নির্বাচিত হন।
শিক্ষাজীবনে তিনি রাঙামাটি সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অষ্টম ব্যাচ থেকে সফলতার সঙ্গে স্নাতক (এলএলবি) এবং এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ৭ম বিসিএস (জুডিশিয়াল) ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে বিচার বিভাগে যোগ দেন এবং দীর্ঘ ১৯ বছর অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দীপেন দেওয়ান বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (রাঙামাটি ইউনিট) এবং এফপিএবি (রাঙামাটি শাখা) এই সংগঠনগুলোর আজীবন সদস্য। এছাড়া তিনি রাঙামাটি আইন কলেজের একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
পারিবারিক জীবনে তিনি মৈত্রী চাকমার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁর স্ত্রী রাঙামাটি লেকার্স পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক ছিলেন। এ দম্পতির অদিতি দেওয়ান ও রাজেশ্বরী দেওয়ান নামে দুই কন্যাসন্তান রয়েছে।

‘শারীরিক অসুস্থতা’য় পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। আজ সোমবার তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে শারীরিক অসুস্থতার কারণে পদত্যাগের আবেদন করেন। তাঁর পদত্যাগপত্র গৃহীত হলো।
পদত্যাগপত্রে তিনি লেখেন- আমি দীপেন দেওয়ান, এমপি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। দায়িত্ব গ্রহণের পর হতে আমি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছি। আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কাজের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নানাবিধ সমস্যা তৈরি হচ্ছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধির স্বার্থে আমার বর্তমান পদ থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করা আবশ্যক বলে মনে করছি।
অতএব, উপর্যুক্ত কারণে আমার পদত্যাগপত্র গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। তাঁর আবেদনের পরপরই সেটি গৃহীত হলো।
দীপেন দেওয়ান রাঙামাটি পার্বত্য জেলার নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

দীপেন দেওয়ান ১৯৬৩ সালের ৮ জুন রাঙ্গামাটির রাঙ্গাপানি এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা সুবিমল দেওয়ান জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় উপজাতীয় বিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন।
তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র জ্যেষ্ঠ নেতা। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ নং রাঙামাটি পার্বত্য জেলা আসন থেকে অংশগ্রহণ করে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয় রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক হিসেবে। পরবর্তীতে তিনি জেলা বিএনপির আহবায়ক এবং দীর্ঘ সময় সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
বর্তমানে তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ধর্ম বিষয়ক সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের অধিকার রক্ষা ও উন্নয়নে কাজ করে আসছেন।
২০০৫ সালে দলের সংকটময় সময়ে তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আহŸানে সাড়া দিয়ে, তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম জেলা জজ পদে দায়িত্বে থাকাকালীন স্বেচ্ছায় সরকারি চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে পুরোপুরি যোগ দেন। ২০০৭ সালের রাজনৈতিক সংকটের সময় দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কারাবন্দি ও দিশেহারা অবস্থায় থাকাকালে তিনি রাঙামাটিতে বিএনপির হাল ধরেন। তার নেতৃত্বাধীন সময়ে ২০১২ সালে রাঙামাটি পৌরসভায় ৩০ বছরের রেকর্ড ভেঙে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মেয়র নির্বাচিত হন।
শিক্ষাজীবনে তিনি রাঙামাটি সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অষ্টম ব্যাচ থেকে সফলতার সঙ্গে স্নাতক (এলএলবি) এবং এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ৭ম বিসিএস (জুডিশিয়াল) ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে বিচার বিভাগে যোগ দেন এবং দীর্ঘ ১৯ বছর অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দীপেন দেওয়ান বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (রাঙামাটি ইউনিট) এবং এফপিএবি (রাঙামাটি শাখা) এই সংগঠনগুলোর আজীবন সদস্য। এছাড়া তিনি রাঙামাটি আইন কলেজের একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
পারিবারিক জীবনে তিনি মৈত্রী চাকমার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁর স্ত্রী রাঙামাটি লেকার্স পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক ছিলেন। এ দম্পতির অদিতি দেওয়ান ও রাজেশ্বরী দেওয়ান নামে দুই কন্যাসন্তান রয়েছে।