আমার শহর ডেস্ক

মাহে রমজানের আজ ছাব্বিশতম দিবস। পবিত্র এই মাসের শেষ দশকের বরকতময় দিনগুলো দ্রুতই অতিক্রম করছে মুসলিম উম্মাহ। এ সময়টি অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ, কারণ এই শেষ দশ রাতের মধ্যেই রয়েছে মহিমান্বিত লাইলাতুল কদরের সম্ভাবনা-যে রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। তাই রমজানের ছাব্বিশতম দিন একজন মুমিনের জন্য ইবাদত-বন্দেগিতে আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ সময়।
রমজান মানুষের জীবনে আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের মাস। রোজার মাধ্যমে একজন মুসলমান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের নফসকে সংযত রাখতে শেখে। দিনের বেলায় ক্ষুধা ও তৃষ্ণা সহ্য করার মধ্য দিয়ে ধৈর্য, সহনশীলতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের শিক্ষা লাভ করে। এই সংযম মানুষকে গুনাহ থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে এবং তার অন্তরে আল্লাহভীতি বা তাকওয়ার চেতনা জাগিয়ে তোলে।
রমজানের শেষ দশ দিন ইবাদতের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই সময় ইবাদতে অধিক মনোযোগী হয়ে উঠতেন। তিনি রাত জেগে নামাজ আদায় করতেন, বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করতেন এবং আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া করতেন। অনেক সময় তিনি ইতেকাফে বসতেন, যাতে সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর ইবাদতে নিজেকে নিবেদিত করতে পারেন।
লাইলাতুল কদর এই শেষ দশকের সবচেয়ে মহিমান্বিত নিয়ামত। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, এই রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। এই রাতে ফেরেশতারা আল্লাহর নির্দেশ নিয়ে পৃথিবীতে অবতীর্ণ হন এবং চারদিকে শান্তি ও রহমতের পরিবেশ বিরাজ করে। তাই একজন সচেতন মুমিন চেষ্টা করেন শেষ দশকের প্রতিটি রাতকে ইবাদত, দোয়া ও জিকিরের মাধ্যমে অতিবাহিত করতে, যেন তিনি এই মহিমান্বিত রাতের ফজিলত লাভ করতে পারেন।
রমজানের এই দিনগুলো মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের চেতনা জাগ্রত করে। একজন রোজাদার ক্ষুধা ও তৃষ্ণার কষ্ট অনুভব করে দরিদ্র মানুষের দুঃখ উপলব্ধি করতে পারে। ফলে সমাজে দান-সদকা ও সাহায্য-সহযোগিতার প্রবণতা বৃদ্ধি পায় এবং মানুষের মধ্যে মানবিকতার বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।
রমজানের ছাব্বিশতম দিন আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে এই পবিত্র মাস শেষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই অবশিষ্ট সময়কে অবহেলা না করে যতটা সম্ভব ইবাদত, তওবা, কুরআন তিলাওয়াত ও নেক আমলে ব্যয় করা উচিত। যারা আন্তরিকতার সঙ্গে এই সময়কে কাজে লাগাতে পারে, তারা আল্লাহর রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত লাভের সৌভাগ্য অর্জন করতে পারে।
আসুন, মাহে রমজানের এই ছাব্বিশতম দিনে আমরা সবাই বেশি বেশি ইবাদত করি, আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং লাইলাতুল কদরের মহিমান্বিত ফজিলত লাভের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করি। আল্লাহ তায়ালা যেন আমাদের সবাইকে এই বরকতময় সময়ের পূর্ণ ফজিলত অর্জনের তাওফিক দান করেন। আমিন।

মাহে রমজানের আজ ছাব্বিশতম দিবস। পবিত্র এই মাসের শেষ দশকের বরকতময় দিনগুলো দ্রুতই অতিক্রম করছে মুসলিম উম্মাহ। এ সময়টি অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ, কারণ এই শেষ দশ রাতের মধ্যেই রয়েছে মহিমান্বিত লাইলাতুল কদরের সম্ভাবনা-যে রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। তাই রমজানের ছাব্বিশতম দিন একজন মুমিনের জন্য ইবাদত-বন্দেগিতে আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ সময়।
রমজান মানুষের জীবনে আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের মাস। রোজার মাধ্যমে একজন মুসলমান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের নফসকে সংযত রাখতে শেখে। দিনের বেলায় ক্ষুধা ও তৃষ্ণা সহ্য করার মধ্য দিয়ে ধৈর্য, সহনশীলতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের শিক্ষা লাভ করে। এই সংযম মানুষকে গুনাহ থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে এবং তার অন্তরে আল্লাহভীতি বা তাকওয়ার চেতনা জাগিয়ে তোলে।
রমজানের শেষ দশ দিন ইবাদতের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই সময় ইবাদতে অধিক মনোযোগী হয়ে উঠতেন। তিনি রাত জেগে নামাজ আদায় করতেন, বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করতেন এবং আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া করতেন। অনেক সময় তিনি ইতেকাফে বসতেন, যাতে সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর ইবাদতে নিজেকে নিবেদিত করতে পারেন।
লাইলাতুল কদর এই শেষ দশকের সবচেয়ে মহিমান্বিত নিয়ামত। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, এই রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। এই রাতে ফেরেশতারা আল্লাহর নির্দেশ নিয়ে পৃথিবীতে অবতীর্ণ হন এবং চারদিকে শান্তি ও রহমতের পরিবেশ বিরাজ করে। তাই একজন সচেতন মুমিন চেষ্টা করেন শেষ দশকের প্রতিটি রাতকে ইবাদত, দোয়া ও জিকিরের মাধ্যমে অতিবাহিত করতে, যেন তিনি এই মহিমান্বিত রাতের ফজিলত লাভ করতে পারেন।
রমজানের এই দিনগুলো মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের চেতনা জাগ্রত করে। একজন রোজাদার ক্ষুধা ও তৃষ্ণার কষ্ট অনুভব করে দরিদ্র মানুষের দুঃখ উপলব্ধি করতে পারে। ফলে সমাজে দান-সদকা ও সাহায্য-সহযোগিতার প্রবণতা বৃদ্ধি পায় এবং মানুষের মধ্যে মানবিকতার বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।
রমজানের ছাব্বিশতম দিন আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে এই পবিত্র মাস শেষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই অবশিষ্ট সময়কে অবহেলা না করে যতটা সম্ভব ইবাদত, তওবা, কুরআন তিলাওয়াত ও নেক আমলে ব্যয় করা উচিত। যারা আন্তরিকতার সঙ্গে এই সময়কে কাজে লাগাতে পারে, তারা আল্লাহর রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত লাভের সৌভাগ্য অর্জন করতে পারে।
আসুন, মাহে রমজানের এই ছাব্বিশতম দিনে আমরা সবাই বেশি বেশি ইবাদত করি, আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং লাইলাতুল কদরের মহিমান্বিত ফজিলত লাভের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করি। আল্লাহ তায়ালা যেন আমাদের সবাইকে এই বরকতময় সময়ের পূর্ণ ফজিলত অর্জনের তাওফিক দান করেন। আমিন।