নিজস্ব প্রতিবেদক

তিন শর্তে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। তিনি এত দিন মাউশির পরিচালকের (মাধ্যমিক) পাশাপাশি মাউশির মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তাঁর বাড়ি চাঁদপুর জেলায়। তিনি শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের ঘনিষ্ঠজন ও একই জেলার বাসিন্দা।
আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ এর উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে মইনুদ্দিন আল মাহমুদকে মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) করা হয়।
তিনটি শর্তে তাঁকে মহাপরিচালক করা হয়েছে। এগুলো হলো- এই চলতি দায়িত্ব কোনো পদোন্নতি নয়। এই দায়িত্বের কারণে তিনি পদোন্নতি দাবি করতে পারবেন না। এই পদে নিয়মিত পদোন্নতির মাধ্যমে কর্মকর্তা নিয়োগ করা হলে তাঁর যোগদানের তারিখ থেকে এই চলতি দায়িত্বের আদেশটি বাতিল বলে গণ্য হবে।
মাউশি সূত্রে জানা গেছে, মাউশিতে ছয় মাস ধরে নিয়মিত মহাপরিচালক (ডিজি) ছিল না। পদটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই একধরনের অস্থিরতা চলে আসছিল। সরকারও আস্থাশীল কোনো শিক্ষক খুঁজে পাচ্ছিলেন না। যে কারণে শিক্ষামন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হওয়ায় ও এ দপ্তরে কাজের অভিজ্ঞতা থাকায় তাঁকে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়।
জানা গেছে, একাধিক দায়িত্বে থাকায় শিক্ষকেরা মাউশিতে গিয়ে ডিজিকে খুঁজে পেতেন না। এ কারণে অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে ডিজির চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গত বছরের ১৪ অক্টোবর মাউশির তৎকালীন মহাপরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মদ আজাদ খানকে সরিয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। এর আগে একই বছরে নিয়োগ পাওয়া অধ্যাপক এহতেসাম উল হককে মাত্র ২০ দিনের মাথায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
আজাদ খানকে সরিয়ে দেওয়ার পর সংস্থাটির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) বি এম আবদুল হান্নান অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে মহাপরিচালকের কাজ চালিয়ে আসছিলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৯ এপ্রিল জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাঁকে সরিয়ে দিয়ে সরকারি তিতুমীর কলেজে সংযুক্ত করা হয়।
এরপর ১৬ এপ্রিল মাউশির মহাপরিচালক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদকে সংস্থাটির ডিজির অতিরিক্ত দায়িত্বসহ আর্থিক ক্ষমতা দেওয়া হয়।

তিন শর্তে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। তিনি এত দিন মাউশির পরিচালকের (মাধ্যমিক) পাশাপাশি মাউশির মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তাঁর বাড়ি চাঁদপুর জেলায়। তিনি শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের ঘনিষ্ঠজন ও একই জেলার বাসিন্দা।
আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ এর উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে মইনুদ্দিন আল মাহমুদকে মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) করা হয়।
তিনটি শর্তে তাঁকে মহাপরিচালক করা হয়েছে। এগুলো হলো- এই চলতি দায়িত্ব কোনো পদোন্নতি নয়। এই দায়িত্বের কারণে তিনি পদোন্নতি দাবি করতে পারবেন না। এই পদে নিয়মিত পদোন্নতির মাধ্যমে কর্মকর্তা নিয়োগ করা হলে তাঁর যোগদানের তারিখ থেকে এই চলতি দায়িত্বের আদেশটি বাতিল বলে গণ্য হবে।
মাউশি সূত্রে জানা গেছে, মাউশিতে ছয় মাস ধরে নিয়মিত মহাপরিচালক (ডিজি) ছিল না। পদটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই একধরনের অস্থিরতা চলে আসছিল। সরকারও আস্থাশীল কোনো শিক্ষক খুঁজে পাচ্ছিলেন না। যে কারণে শিক্ষামন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হওয়ায় ও এ দপ্তরে কাজের অভিজ্ঞতা থাকায় তাঁকে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়।
জানা গেছে, একাধিক দায়িত্বে থাকায় শিক্ষকেরা মাউশিতে গিয়ে ডিজিকে খুঁজে পেতেন না। এ কারণে অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে ডিজির চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গত বছরের ১৪ অক্টোবর মাউশির তৎকালীন মহাপরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মদ আজাদ খানকে সরিয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। এর আগে একই বছরে নিয়োগ পাওয়া অধ্যাপক এহতেসাম উল হককে মাত্র ২০ দিনের মাথায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
আজাদ খানকে সরিয়ে দেওয়ার পর সংস্থাটির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) বি এম আবদুল হান্নান অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে মহাপরিচালকের কাজ চালিয়ে আসছিলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৯ এপ্রিল জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাঁকে সরিয়ে দিয়ে সরকারি তিতুমীর কলেজে সংযুক্ত করা হয়।
এরপর ১৬ এপ্রিল মাউশির মহাপরিচালক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদকে সংস্থাটির ডিজির অতিরিক্ত দায়িত্বসহ আর্থিক ক্ষমতা দেওয়া হয়।