নিজস্ব প্রতিবেদক

লাখো লাখো মানুষ অশ্রুসিক্ত নয়নে বিএনপির চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ বিদায় জানান। ৮০ বছরের এক বর্ণাঢ্য জীবন কাটিয়ে বেগম খালেদা জিয়া অনন্তের ঠিকানায়। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মানুষ বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নেন। তিনি ছিলেন ঐক্যের প্রতীক। বাংলাদেশের মানুষ গতকাল ঐক্যবদ্ধভাবে এই জানাজায় অংশ নিয়ে তাঁকে বিরল সম্মান প্রদর্শন করেন। মানুষের হৃদয়ে খালেদা জিয়া স্থান করে আছেন, গতকালের জানাজা তারই প্রমাণ করে।
গতকাল বুধবার বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আপোসহীন নেত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজার নামাজ পড়ান জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, খালেদা জিয়ার পুত্র বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পরিবারের সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের প্রতিনিধি, বিদেশি অতিথি, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, আলেম-ওলামাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। জানাজায় অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব) এম. সাখাওয়াত হোসেন, ড. আসিফ নজরুল, আলী ইমাম মজুমদার, আদিলুর রহমান খান, রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, মির্জা আববাস, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল, মিয়া গোলাম পরওয়ার, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদী, সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতা, তিন বাহিনী প্রধান, সরকারের উর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন। জানাজার আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও সংগ্রামী জীবনচিত্র তুলে ধরেন। উঠে আসে পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার আমলে খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ এবং মিথ্যা মামলায় কারাবন্দি করার চিত্রও। জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরের মাঠ, বাইরের অংশ, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ছাড়িয়ে বিজয় সরণি, কারওয়ান বাজার, আগারগাঁও পর্যন্ত এলাকায় লাখ লাখ মানুষ এ জানাজায় অংশ নেন। জানাজার পর স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি বীর উত্তম জিয়াউর রহমানের পাশে খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমহিত করা হয়। এসময় খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্য, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ, বিদেশি অতিথি, রাষ্ট্রদূত ও বিএনপি মনোনীত রাজনীি তবিদরা উপস্থিত ছিলেন। দাফনকাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্নের জন্য সেখানে নির্ধারিত ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত আর কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। দাফনকাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে জনসাধারণের চলাচল সীমিত ছিল।
সরেজমিনে সংসদ ভবন এলাকা: যে যেভাবেই পারছেন সারাদেশ থেকে ছুটে এসেছেন রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায়। সকাল থেকেই জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় নানা শ্রেণির মানুষের ঢল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লোকে লোকারণ্য এই এলাকা। এদের কেউ এসেছেন সীমান্তবর্তী ভারতের মেঘালয় রাজ্যের লাগোয়া সিলেটের জৈন্তাপুর এলাকা থেকে। জাফলং থেকে। এসেছেন ৩০০ আসনের বিএনপি ও শরিক এমপিরাও। আছে মহিলাদের জন্য আলাদা জানাজার নামাজ পড়ার জায়গা। গতকাল বুধবার দুপুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। কুমিল্লা থেকে গত মঙ্গলবার রাতে এসেছেন কলেজ শিক্ষক মো. নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া এক অনন্য নেত্রী। তিনি সংবেদনশীল মানুষ। তাঁর জানাজায় শরিক হয়েছি। কোটবাড়ি থেকে জানাজায় এসেছেন মেহেদী হাসান। তিনি বলেন, প্রিয় নেত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে এসেছি। গতকাল রাত দুইটা ৩০ মিনিটে ঢাকায় আসেন ড্যাব নেতা ডা. মিনহাজুর রহমান তারেক। তিনি বলেন, দেশনেত্রীর জানাজার নামাজ পড়তে এসেছি।
কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট তৌহিদুর রহমান বলেন, লাখো লাখো মানুষ। দেখছি। এমন নেত্রী আর এদেশে আসবেন না আর কখনো।
কুমিল্লা জিলা স্কুল সড়কের বাসিন্দা ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যা-লয়ের ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ আহমেদ বলেন, খালেদা জিয়া বিএনপির ঐক্যের প্রতীক। তাঁর প্রতি আমাদের গভীর অনুরাগ। এ কারনেই জানাজায় এসেছি। এদিকে জানাজা শেষে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়। এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সরকারের উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান, খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

লাখো লাখো মানুষ অশ্রুসিক্ত নয়নে বিএনপির চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ বিদায় জানান। ৮০ বছরের এক বর্ণাঢ্য জীবন কাটিয়ে বেগম খালেদা জিয়া অনন্তের ঠিকানায়। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মানুষ বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নেন। তিনি ছিলেন ঐক্যের প্রতীক। বাংলাদেশের মানুষ গতকাল ঐক্যবদ্ধভাবে এই জানাজায় অংশ নিয়ে তাঁকে বিরল সম্মান প্রদর্শন করেন। মানুষের হৃদয়ে খালেদা জিয়া স্থান করে আছেন, গতকালের জানাজা তারই প্রমাণ করে।
গতকাল বুধবার বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আপোসহীন নেত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজার নামাজ পড়ান জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, খালেদা জিয়ার পুত্র বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পরিবারের সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের প্রতিনিধি, বিদেশি অতিথি, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, আলেম-ওলামাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। জানাজায় অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব) এম. সাখাওয়াত হোসেন, ড. আসিফ নজরুল, আলী ইমাম মজুমদার, আদিলুর রহমান খান, রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, মির্জা আববাস, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল, মিয়া গোলাম পরওয়ার, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদী, সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতা, তিন বাহিনী প্রধান, সরকারের উর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন। জানাজার আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও সংগ্রামী জীবনচিত্র তুলে ধরেন। উঠে আসে পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার আমলে খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ এবং মিথ্যা মামলায় কারাবন্দি করার চিত্রও। জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরের মাঠ, বাইরের অংশ, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ছাড়িয়ে বিজয় সরণি, কারওয়ান বাজার, আগারগাঁও পর্যন্ত এলাকায় লাখ লাখ মানুষ এ জানাজায় অংশ নেন। জানাজার পর স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি বীর উত্তম জিয়াউর রহমানের পাশে খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমহিত করা হয়। এসময় খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্য, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ, বিদেশি অতিথি, রাষ্ট্রদূত ও বিএনপি মনোনীত রাজনীি তবিদরা উপস্থিত ছিলেন। দাফনকাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্নের জন্য সেখানে নির্ধারিত ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত আর কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। দাফনকাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে জনসাধারণের চলাচল সীমিত ছিল।
সরেজমিনে সংসদ ভবন এলাকা: যে যেভাবেই পারছেন সারাদেশ থেকে ছুটে এসেছেন রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায়। সকাল থেকেই জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় নানা শ্রেণির মানুষের ঢল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লোকে লোকারণ্য এই এলাকা। এদের কেউ এসেছেন সীমান্তবর্তী ভারতের মেঘালয় রাজ্যের লাগোয়া সিলেটের জৈন্তাপুর এলাকা থেকে। জাফলং থেকে। এসেছেন ৩০০ আসনের বিএনপি ও শরিক এমপিরাও। আছে মহিলাদের জন্য আলাদা জানাজার নামাজ পড়ার জায়গা। গতকাল বুধবার দুপুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। কুমিল্লা থেকে গত মঙ্গলবার রাতে এসেছেন কলেজ শিক্ষক মো. নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া এক অনন্য নেত্রী। তিনি সংবেদনশীল মানুষ। তাঁর জানাজায় শরিক হয়েছি। কোটবাড়ি থেকে জানাজায় এসেছেন মেহেদী হাসান। তিনি বলেন, প্রিয় নেত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে এসেছি। গতকাল রাত দুইটা ৩০ মিনিটে ঢাকায় আসেন ড্যাব নেতা ডা. মিনহাজুর রহমান তারেক। তিনি বলেন, দেশনেত্রীর জানাজার নামাজ পড়তে এসেছি।
কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট তৌহিদুর রহমান বলেন, লাখো লাখো মানুষ। দেখছি। এমন নেত্রী আর এদেশে আসবেন না আর কখনো।
কুমিল্লা জিলা স্কুল সড়কের বাসিন্দা ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যা-লয়ের ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ আহমেদ বলেন, খালেদা জিয়া বিএনপির ঐক্যের প্রতীক। তাঁর প্রতি আমাদের গভীর অনুরাগ। এ কারনেই জানাজায় এসেছি। এদিকে জানাজা শেষে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়। এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সরকারের উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান, খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।