আমার শহর ডেস্ক

শেয়ার জালিয়াতির মামলায় এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।
গতকাল সোমবার চট্টগ্রামের মহানগর হাকিম মো. আবু বকর সিদ্দিক এ আদেশ দেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী আবুল হাসেম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রতিবেদন দেয়ার পর শুনানি শেষে আদালত এই মামলার আসামি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত।
”মামলার অন্য একজন আসামি জামিনে আছেন।”
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৬ সালে ইনকনট্রেড লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মোট ২৩০০টি শেয়ারের মধ্যে বাদী মোহাম্মদ আমিরুল হক ও তার স্ত্রী নাসিরা সুলতানাকে মোট ৫০০টি শেয়ার হস্তান্তর করা হয়।
পরে ২০০৭ সালে ওই কোম্পানির নতুন ৩ লাখ ৭০ হাজার ১৬৭টি শেয়ার এবং ২০০৯ সালে আরো ৬ লাখ ২৭ হাজার ৫৩৩টি শেয়ার অনুমোদন করানো হয়। প্রতিষ্ঠানের কোনো ধরনের বোর্ড মিটিং না করে, জাল রেজোল্যুশন দেখিয়ে এবং শেয়ার হোল্ডারদের অনুমোদন ছাড়া দুই দফায় ৯ কোটি ৯৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা মূল্যের মোট ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৯০০টি শেয়ার ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন নিজের নামে করে নেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
ব্যবসায়ী আমিরুল হকের পক্ষে মুশফিক আল মাসুম বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ২৮ জুলাই ৫ জনকে বিবাদী করে নালিশি মামলা করেন। পরের মাসে আদালত মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোকে নির্দেশ দেয়।
পিবিআই এর চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক মোজাম্মেল হক তদন্ত শেষে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বাদী ও তার স্ত্রী কোম্পানির মোট ২৩০০ শেয়ারের মধ্যে ৫০০ শেয়ারের মালিক হলেও তাদেরকে ২০০৭ ও ২০০৯ সালে বৃদ্ধি করা শেয়ার দেওয়া হয়নি এবং এযাবত ব্যবসা পরিচালনার মুনাফাও দেওয়া হয়নি।
‘প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে শেয়ার আত্মসাত’ ও হুমকি প্রদানের অভিযোগে দুই বিবাদী ইনকনট্রেড লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ মহসিন সরকারের বিরুদ্ধে বাদীর করা অভিযোগের ‘সত্যতা মিলেছে’ বলে পিবিআই’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ইনকনট্রেড লিমিটেডের তিনজন পরিচালককে এই মামলায় বিবাদী করা হলেও পিবিআই’র তদন্ত প্রতিবেদনে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের ‘সত্যতা নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি’ বলে জানানো হয়।

শেয়ার জালিয়াতির মামলায় এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।
গতকাল সোমবার চট্টগ্রামের মহানগর হাকিম মো. আবু বকর সিদ্দিক এ আদেশ দেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী আবুল হাসেম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রতিবেদন দেয়ার পর শুনানি শেষে আদালত এই মামলার আসামি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত।
”মামলার অন্য একজন আসামি জামিনে আছেন।”
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৬ সালে ইনকনট্রেড লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মোট ২৩০০টি শেয়ারের মধ্যে বাদী মোহাম্মদ আমিরুল হক ও তার স্ত্রী নাসিরা সুলতানাকে মোট ৫০০টি শেয়ার হস্তান্তর করা হয়।
পরে ২০০৭ সালে ওই কোম্পানির নতুন ৩ লাখ ৭০ হাজার ১৬৭টি শেয়ার এবং ২০০৯ সালে আরো ৬ লাখ ২৭ হাজার ৫৩৩টি শেয়ার অনুমোদন করানো হয়। প্রতিষ্ঠানের কোনো ধরনের বোর্ড মিটিং না করে, জাল রেজোল্যুশন দেখিয়ে এবং শেয়ার হোল্ডারদের অনুমোদন ছাড়া দুই দফায় ৯ কোটি ৯৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা মূল্যের মোট ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৯০০টি শেয়ার ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন নিজের নামে করে নেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
ব্যবসায়ী আমিরুল হকের পক্ষে মুশফিক আল মাসুম বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ২৮ জুলাই ৫ জনকে বিবাদী করে নালিশি মামলা করেন। পরের মাসে আদালত মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোকে নির্দেশ দেয়।
পিবিআই এর চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক মোজাম্মেল হক তদন্ত শেষে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বাদী ও তার স্ত্রী কোম্পানির মোট ২৩০০ শেয়ারের মধ্যে ৫০০ শেয়ারের মালিক হলেও তাদেরকে ২০০৭ ও ২০০৯ সালে বৃদ্ধি করা শেয়ার দেওয়া হয়নি এবং এযাবত ব্যবসা পরিচালনার মুনাফাও দেওয়া হয়নি।
‘প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে শেয়ার আত্মসাত’ ও হুমকি প্রদানের অভিযোগে দুই বিবাদী ইনকনট্রেড লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ মহসিন সরকারের বিরুদ্ধে বাদীর করা অভিযোগের ‘সত্যতা মিলেছে’ বলে পিবিআই’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ইনকনট্রেড লিমিটেডের তিনজন পরিচালককে এই মামলায় বিবাদী করা হলেও পিবিআই’র তদন্ত প্রতিবেদনে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের ‘সত্যতা নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি’ বলে জানানো হয়।