নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রবেশ পদ সহকারী শিক্ষক পদটি বিসিএস ক্যাডারভুক্ত করাসহ চার দফা দাবিতে আগামীকাল সোমবার থেকে পূর্ণ দিবস কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন শিক্ষকেরা। কর্মবিরতির অংশ হিসেবে তাঁরা চলমান বার্ষিক পরীক্ষাও বন্ধ রাখবেন। বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় সমন্বয় পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক ও একটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেবেকা সুলতানা আমার শহরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে মাঝপথে বার্ষিক পরীক্ষা বন্ধ করার কর্মসূচি দেওয়ায় ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষকেরা শ্লোগান তুলেছে নো ইনক্রিমেন্ট নো ওয়ার্ক, নো গেজেট অব সেকেন্ডারি নো ওয়ার্ক, নো টি এস এস জি ও অ্যাডভান্স ইনক্রিমেন্ট নো ওয়ার্ক, নো প্রমোশন নো ওয়ার্ক।
মাধ্যমিক শিক্ষকদের চারটি দাবি হলো— সহকারী শিক্ষক পদকে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারভুক্ত করে ‘মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর’ এর গেজেট প্রকাশ। বিদ্যালয় ও পরিদর্শন শাখায় কর্মরত শিক্ষকদের বিভিন্ন শূন্য পদে নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদায়ন দ্রুত কার্যকর করা। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের আলোকে বকেয়া টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেডের মঞ্জুরি আদেশ দেওয়া। ২০১৫ সালের আগের মতো সহকারী শিক্ষকদের ২ থেকে ৩টি ইনক্রিমেন্টসহ অগ্রিম বর্ধিত বেতনুসুবিধা বহাল করে গেজেট প্রকাশ।
সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘদিনের পেশাগত মর্যাদা ও বেতন-ভাতা সংক্রান্ত চার দফা দাবির বিষয়ে আজ রোববার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে শিক্ষকেরা দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। কিন্তু দাবিগুলো না মানায় আগামীকাল থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন।
কুমিল্লার একজন অভিভাবক বলেন, নভেম্বরের ২০ তারিখের পর থেকে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষার মাঝপথে পরীক্ষা বন্ধের ঘোষণা দেওয়া অন্যায়। এ পর্যন্ত মাধ্যমিকের কোন শিক্ষার্থীদের কারণে পড়াশোনা বন্ধ হয়নি। এখন শিক্ষকেরা পরীক্ষা বন্ধ করছে। এটা কোনভাবেই কাম্য নয়। শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবি পূরণ হোক, অভিভাবক হিসেবে আমরাও তা চাই। কিন্তু আতকা কর্মসূচি দিয়ে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা আটকে দেওয়া অযৌক্তিক। বার্ষিক পরীক্ষার পর ছেলেমেয়েদের নানা ধরণের কর্মসূচি থাকে।

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রবেশ পদ সহকারী শিক্ষক পদটি বিসিএস ক্যাডারভুক্ত করাসহ চার দফা দাবিতে আগামীকাল সোমবার থেকে পূর্ণ দিবস কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন শিক্ষকেরা। কর্মবিরতির অংশ হিসেবে তাঁরা চলমান বার্ষিক পরীক্ষাও বন্ধ রাখবেন। বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় সমন্বয় পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক ও একটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেবেকা সুলতানা আমার শহরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে মাঝপথে বার্ষিক পরীক্ষা বন্ধ করার কর্মসূচি দেওয়ায় ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষকেরা শ্লোগান তুলেছে নো ইনক্রিমেন্ট নো ওয়ার্ক, নো গেজেট অব সেকেন্ডারি নো ওয়ার্ক, নো টি এস এস জি ও অ্যাডভান্স ইনক্রিমেন্ট নো ওয়ার্ক, নো প্রমোশন নো ওয়ার্ক।
মাধ্যমিক শিক্ষকদের চারটি দাবি হলো— সহকারী শিক্ষক পদকে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারভুক্ত করে ‘মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর’ এর গেজেট প্রকাশ। বিদ্যালয় ও পরিদর্শন শাখায় কর্মরত শিক্ষকদের বিভিন্ন শূন্য পদে নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদায়ন দ্রুত কার্যকর করা। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের আলোকে বকেয়া টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেডের মঞ্জুরি আদেশ দেওয়া। ২০১৫ সালের আগের মতো সহকারী শিক্ষকদের ২ থেকে ৩টি ইনক্রিমেন্টসহ অগ্রিম বর্ধিত বেতনুসুবিধা বহাল করে গেজেট প্রকাশ।
সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘদিনের পেশাগত মর্যাদা ও বেতন-ভাতা সংক্রান্ত চার দফা দাবির বিষয়ে আজ রোববার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে শিক্ষকেরা দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। কিন্তু দাবিগুলো না মানায় আগামীকাল থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন।
কুমিল্লার একজন অভিভাবক বলেন, নভেম্বরের ২০ তারিখের পর থেকে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষার মাঝপথে পরীক্ষা বন্ধের ঘোষণা দেওয়া অন্যায়। এ পর্যন্ত মাধ্যমিকের কোন শিক্ষার্থীদের কারণে পড়াশোনা বন্ধ হয়নি। এখন শিক্ষকেরা পরীক্ষা বন্ধ করছে। এটা কোনভাবেই কাম্য নয়। শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবি পূরণ হোক, অভিভাবক হিসেবে আমরাও তা চাই। কিন্তু আতকা কর্মসূচি দিয়ে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা আটকে দেওয়া অযৌক্তিক। বার্ষিক পরীক্ষার পর ছেলেমেয়েদের নানা ধরণের কর্মসূচি থাকে।