আমার শহর ডেস্ক

গাজীপুরের অন্তত আড়াই হাজার শিল্প কারখানার লাখ লাখ শ্রমিক গ্রামের বাড়ি ফিরছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে টানা ৪ দিন সরকারি ছুটি ঘোষণার পর গতকাল সোমবার রাত থেকেই শ্রমিকরা বাড়ি যেতে শুরু করেন। এ কারণে ঢাকা ময়মনসিংহ ও ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় বাড়তি ভাড়া নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তায়, পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে অভিযোগ তুলে সাধারণ যাত্রীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন।
মহাসড়ক দুটিতে গিয়ে দেখা যায়, ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। যে যেভাবে পারছেন গ্রামের দিকে যাত্রা করেছেন। তবে মহাসড়কে যানবাহনের সংকট থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। চন্দ্রা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, স্থবির হয়ে পড়েছে যানবাহন চালাচল। ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা এবং ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তায় যানবাহনের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় দিয়ে প্রায় ২২ জেলার যানবাহন চলাচল করে। ভোটের ছুটিকে কেন্দ্র করে একযোগে বিপুলসংখ্যক মানুষ বাড়ি ফেরায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি যানবাহন মহাসড়কে নেমেছে।
অন্যদিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তাসহ আশপাশের এলাকাতেও যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। যাত্রীদের অনেকে জানান, যানজটের কারণে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় গন্তব্যে পৌঁছাতে অতিরিক্ত সময় লাগছে।
যানজট নিরসনে গাজীপুর মহানগর পুলিশ, জেলা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে, যাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা যায়।
মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, হঠাৎ করেই মহাসড়কে স্বাভাবিকের চেয়ে অন্তত ১০ গুণ চাপ বেড়ে গেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে টানা ৪ দিন ছুটি পেয়ে শ্রমিকরা গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের কোনাবাড়ী ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক মাসুদ রানা বলেন, যানজট নিয়ন্ত্রণ ও যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম চালু রয়েছে।

গাজীপুরের অন্তত আড়াই হাজার শিল্প কারখানার লাখ লাখ শ্রমিক গ্রামের বাড়ি ফিরছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে টানা ৪ দিন সরকারি ছুটি ঘোষণার পর গতকাল সোমবার রাত থেকেই শ্রমিকরা বাড়ি যেতে শুরু করেন। এ কারণে ঢাকা ময়মনসিংহ ও ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় বাড়তি ভাড়া নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তায়, পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে অভিযোগ তুলে সাধারণ যাত্রীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন।
মহাসড়ক দুটিতে গিয়ে দেখা যায়, ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। যে যেভাবে পারছেন গ্রামের দিকে যাত্রা করেছেন। তবে মহাসড়কে যানবাহনের সংকট থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। চন্দ্রা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, স্থবির হয়ে পড়েছে যানবাহন চালাচল। ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা এবং ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তায় যানবাহনের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় দিয়ে প্রায় ২২ জেলার যানবাহন চলাচল করে। ভোটের ছুটিকে কেন্দ্র করে একযোগে বিপুলসংখ্যক মানুষ বাড়ি ফেরায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি যানবাহন মহাসড়কে নেমেছে।
অন্যদিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তাসহ আশপাশের এলাকাতেও যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। যাত্রীদের অনেকে জানান, যানজটের কারণে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় গন্তব্যে পৌঁছাতে অতিরিক্ত সময় লাগছে।
যানজট নিরসনে গাজীপুর মহানগর পুলিশ, জেলা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে, যাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা যায়।
মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, হঠাৎ করেই মহাসড়কে স্বাভাবিকের চেয়ে অন্তত ১০ গুণ চাপ বেড়ে গেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে টানা ৪ দিন ছুটি পেয়ে শ্রমিকরা গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের কোনাবাড়ী ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক মাসুদ রানা বলেন, যানজট নিয়ন্ত্রণ ও যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম চালু রয়েছে।