নিজস্ব প্রতিবেদক

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, ‘পার্ক, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানের তীব্র সংকট নিরসনে সারা দেশে ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।’
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
জাকারিয়া তাহের বলেন, ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বর্তমানে দেশব্যাপী প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।
তিনি জানান, রাজধানীর ফার্মগেটে আনোয়ারা উদ্যানে একটি পার্ক নির্মাণ, রামপুরা, খিলগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় এলাকা এবং খিলগাঁও পুনর্বাসন এলাকায় তিনটি খেলার মাঠ উন্নয়ন, পাশাপাশি খিলগাঁওয়ে ঈদগাহ, পার্ক ও কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে চট্টগ্রামে দুটি এবং কক্সবাজারে দুটি পার্ক নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
এ ছাড়া ঢাকার রমনা পার্ক আধুনিকায়নের কাজ শেষ করে তা জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দায় আরো একটি পার্ক নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।
জাকারিয়া তাহের বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে সরকার সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পরিবেশ সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি বলেন, যথাযথ পরিকল্পনা ও গবেষণার মাধ্যমে ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে বহুতল ভবন নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ ছাড়া নগর উন্নয়ন প্রকল্পে আধুনিক নির্মাণ প্রযুক্তি, পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, স্বতন্ত্র পয়ঃশোধনাগার (এসটিপি) এবং পর্যাপ্ত সবুজায়নের ব্যবহারে সরকার উৎসাহিত করছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, ‘পার্ক, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানের তীব্র সংকট নিরসনে সারা দেশে ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।’
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
জাকারিয়া তাহের বলেন, ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বর্তমানে দেশব্যাপী প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।
তিনি জানান, রাজধানীর ফার্মগেটে আনোয়ারা উদ্যানে একটি পার্ক নির্মাণ, রামপুরা, খিলগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় এলাকা এবং খিলগাঁও পুনর্বাসন এলাকায় তিনটি খেলার মাঠ উন্নয়ন, পাশাপাশি খিলগাঁওয়ে ঈদগাহ, পার্ক ও কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে চট্টগ্রামে দুটি এবং কক্সবাজারে দুটি পার্ক নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
এ ছাড়া ঢাকার রমনা পার্ক আধুনিকায়নের কাজ শেষ করে তা জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দায় আরো একটি পার্ক নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।
জাকারিয়া তাহের বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে সরকার সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পরিবেশ সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি বলেন, যথাযথ পরিকল্পনা ও গবেষণার মাধ্যমে ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে বহুতল ভবন নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ ছাড়া নগর উন্নয়ন প্রকল্পে আধুনিক নির্মাণ প্রযুক্তি, পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, স্বতন্ত্র পয়ঃশোধনাগার (এসটিপি) এবং পর্যাপ্ত সবুজায়নের ব্যবহারে সরকার উৎসাহিত করছে।