আমার শহর ডেস্ক

অচিরেই একাত্তরের বাংলাদেশে ফিরতে চান জনপ্রিয় লেখক, অধ্যাপক ও কম্পিউটার বিজ্ঞানী ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল।
গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে এক অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় বিজ্ঞানকল্প লেখক ও সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. শিক্ষাবিদ মুহম্মদ জাফর ইকবাল এসব কথা বলেন।
গত মে মাসে নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলায়’ ঘোষিত নবী-জিনাত সাহিত্য পুরস্কার আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে তুলে দিতে ‘একাত্তরের প্রহরী ফাউন্ডেশন’ এ সমাবেশের আয়োজন করে।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর বিশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও তাঁর সহধর্মিণী একই বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন হক আমেরিকাতে অবস্থান করছেন। সেখানে তাঁদের দুই ছেলে মেয়ে নাবিল ও ইয়াশিমও থাকেন।
যদিও অনুষ্ঠানে মুহম্মদ জাফর ইকবাল আমেরিকায় তাঁর এই প্রবাস জীবনকে ‘নির্বাসিত’ বলে উল্লেখ করেন।
মুক্তিযোদ্ধা নূরুন নবীর বাসভবনের সামনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লেখক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা সমবেত হন।
পুরস্কার নিতে গিয়ে জাফর ইকবাল বাংলাদেশের গত অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘ওরা রিসেট বাটন টিপতে চেয়েছে। আমি পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে এর পরিণতি ও ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া জানি; ইতিহাস মুছে ফেলা এত সহজ নয়।’
নিজের শহীদ পিতার স্মৃতিচারণ করে মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, এই দেশ কখনোই একাত্তরের পরাজিত শক্তির হতে পারে না।
তরুণ প্রজন্মের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি প্রবাসে থাকা তাঁর শিক্ষার্থীদের ‘বিলিওনিয়ার’ হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সেই অর্থ দিয়ে দেশে বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্মের জন্য নতুন শিক্ষাকেন্দ্র গড়ে তোলার আহবান জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত একাত্তরের আদর্শেই ফিরে যাবে। বাংলাদেশ মহান মুক্তিযুদ্ধের ভূমি। দেশ সেদিকেই ফিরবে। যারা একাত্তরের চেতনা মুছে দিতে চেয়েছে, এরা এখন চিহ্নিত এবং এদের শাস্তি পেতেই হবে।
জাফর ইকবাল বলেন, তাঁরা বর্তমানে ‘দেশহীন’ অবস্থায় থাকলেও অচিরেই একাত্তরের সেই বাংলাদেশে ফিরতে চান। যেখানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর উত্তরাধিকার সমুন্নত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, একটি সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসকে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে।
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন হক বাংলাদেশের সর্বশেষ অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের চরম ক্ষতি যে লোকটি করেছেন, তাঁর নাম ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর মনে যে এই বিষ জমা ছিল, তা কেউ বুঝতে পারেনি।.
জাফর ইকবালের বড় ভাই কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের প্রয়াণ দিবস হওয়ায় তাঁকে স্মরণ করে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়।
ফকির ইলিয়াসের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন নূরুন নবী। বক্তব্য দেন জাকারিয়া চৌধুরী, সাংবাদিক বেলাল বেগ ও সেজান মাহমুদ।

অচিরেই একাত্তরের বাংলাদেশে ফিরতে চান জনপ্রিয় লেখক, অধ্যাপক ও কম্পিউটার বিজ্ঞানী ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল।
গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে এক অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় বিজ্ঞানকল্প লেখক ও সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. শিক্ষাবিদ মুহম্মদ জাফর ইকবাল এসব কথা বলেন।
গত মে মাসে নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলায়’ ঘোষিত নবী-জিনাত সাহিত্য পুরস্কার আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে তুলে দিতে ‘একাত্তরের প্রহরী ফাউন্ডেশন’ এ সমাবেশের আয়োজন করে।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর বিশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও তাঁর সহধর্মিণী একই বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন হক আমেরিকাতে অবস্থান করছেন। সেখানে তাঁদের দুই ছেলে মেয়ে নাবিল ও ইয়াশিমও থাকেন।
যদিও অনুষ্ঠানে মুহম্মদ জাফর ইকবাল আমেরিকায় তাঁর এই প্রবাস জীবনকে ‘নির্বাসিত’ বলে উল্লেখ করেন।
মুক্তিযোদ্ধা নূরুন নবীর বাসভবনের সামনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লেখক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা সমবেত হন।
পুরস্কার নিতে গিয়ে জাফর ইকবাল বাংলাদেশের গত অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘ওরা রিসেট বাটন টিপতে চেয়েছে। আমি পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে এর পরিণতি ও ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া জানি; ইতিহাস মুছে ফেলা এত সহজ নয়।’
নিজের শহীদ পিতার স্মৃতিচারণ করে মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, এই দেশ কখনোই একাত্তরের পরাজিত শক্তির হতে পারে না।
তরুণ প্রজন্মের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি প্রবাসে থাকা তাঁর শিক্ষার্থীদের ‘বিলিওনিয়ার’ হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সেই অর্থ দিয়ে দেশে বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্মের জন্য নতুন শিক্ষাকেন্দ্র গড়ে তোলার আহবান জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত একাত্তরের আদর্শেই ফিরে যাবে। বাংলাদেশ মহান মুক্তিযুদ্ধের ভূমি। দেশ সেদিকেই ফিরবে। যারা একাত্তরের চেতনা মুছে দিতে চেয়েছে, এরা এখন চিহ্নিত এবং এদের শাস্তি পেতেই হবে।
জাফর ইকবাল বলেন, তাঁরা বর্তমানে ‘দেশহীন’ অবস্থায় থাকলেও অচিরেই একাত্তরের সেই বাংলাদেশে ফিরতে চান। যেখানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর উত্তরাধিকার সমুন্নত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, একটি সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসকে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে।
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন হক বাংলাদেশের সর্বশেষ অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের চরম ক্ষতি যে লোকটি করেছেন, তাঁর নাম ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর মনে যে এই বিষ জমা ছিল, তা কেউ বুঝতে পারেনি।.
জাফর ইকবালের বড় ভাই কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের প্রয়াণ দিবস হওয়ায় তাঁকে স্মরণ করে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়।
ফকির ইলিয়াসের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন নূরুন নবী। বক্তব্য দেন জাকারিয়া চৌধুরী, সাংবাদিক বেলাল বেগ ও সেজান মাহমুদ।