আমার শহর ডেস্ক

শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সেবাপ্রদান প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
আজ বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারি কাজে সুষ্ঠু সমন্বয়, খোলামেলা আলোচনা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কর্মপরিবেশ আরও কার্যকর করতে হবে। কর্মকর্তাদের নির্ভয়ে ও যুক্তির ভিত্তিতে মতামত প্রদানের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রশাসনের অভ্যন্তরে অপ্রয়োজনীয় দূরত্ব কমিয়ে একটি সহযোগিতামূলক কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে শিক্ষা খাতে সেবার গতি ও মান বৃদ্ধি পায়।
শিক্ষকদের বিভিন্ন প্রশাসনিক সমস্যার দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত শিক্ষকদের যেন অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘ সময় অফিসে ঘোরাফেরা করতে না হয়। তাদের বেতন-ভাতা, পেনশন, ছুটি, বদলি, প্রশিক্ষণ ও উচ্চ শিক্ষাসংক্রান্ত বিষয়গুলো নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বদলিতে তদবির বন্ধ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম চালু করতে হবে। মন্ত্রী সেবাপ্রদান প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, দ্রুত ও আধুনিক করতে অটোমেশন এবং ডিজিটাল পদ্ধতি চালুর নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে যাতে সেবাপ্রার্থীরা সহজেই তাদের সমস্যার ধরন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ডেস্ক বা কর্মকর্তার তথ্য জানতে পারেন। একইসঙ্গে অনলাইন সেবার পরিধি সম্প্রসারণ করতে হবে। সভায় কর্মকর্তারা অনলাইন সিস্টেম ও সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনার কিছু সীমাবদ্ধতার বিষয় তুলে ধরেন।
মন্ত্রী এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান করে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দেন। সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সেবাপ্রদান প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
আজ বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারি কাজে সুষ্ঠু সমন্বয়, খোলামেলা আলোচনা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কর্মপরিবেশ আরও কার্যকর করতে হবে। কর্মকর্তাদের নির্ভয়ে ও যুক্তির ভিত্তিতে মতামত প্রদানের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রশাসনের অভ্যন্তরে অপ্রয়োজনীয় দূরত্ব কমিয়ে একটি সহযোগিতামূলক কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে শিক্ষা খাতে সেবার গতি ও মান বৃদ্ধি পায়।
শিক্ষকদের বিভিন্ন প্রশাসনিক সমস্যার দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত শিক্ষকদের যেন অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘ সময় অফিসে ঘোরাফেরা করতে না হয়। তাদের বেতন-ভাতা, পেনশন, ছুটি, বদলি, প্রশিক্ষণ ও উচ্চ শিক্ষাসংক্রান্ত বিষয়গুলো নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বদলিতে তদবির বন্ধ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম চালু করতে হবে। মন্ত্রী সেবাপ্রদান প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, দ্রুত ও আধুনিক করতে অটোমেশন এবং ডিজিটাল পদ্ধতি চালুর নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে যাতে সেবাপ্রার্থীরা সহজেই তাদের সমস্যার ধরন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ডেস্ক বা কর্মকর্তার তথ্য জানতে পারেন। একইসঙ্গে অনলাইন সেবার পরিধি সম্প্রসারণ করতে হবে। সভায় কর্মকর্তারা অনলাইন সিস্টেম ও সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনার কিছু সীমাবদ্ধতার বিষয় তুলে ধরেন।
মন্ত্রী এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান করে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দেন। সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।