নিজস্ব প্রতিবেদক

বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। প্রথমবার নির্বাচন করে তিনি প্রথমে সংসদ সদস্য (এমপি) ও প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত পাঁচটি সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন। ১৭ বছরে পাঁচটি নির্বাচনে তিনি ২৩ টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সব কয়টিতে তিনি বিজয়ী হন। ভোটে দাঁড়িয়ে সব আসনে জয়ী হওয়ার রেকর্ড আর কারও নেই। ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনেও তিনি সব কয়টি আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হন। ভোটের মাঠে তিনি ছিলেন ভীষণ জনপ্রিয় ব্যক্তি। শিষ্টাচার বজায় রেখে তিনি কথা বলতেন।
খালেদা জিয়া ঢাকা, চট্রগ্রাম, খুলনা, লক্ষীপুর, সিরাজগঞ্জ ও রাজশাহীর মতো জায়গা থেকেও সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। বগুড়া, ফেনীতে তো জিততেন-ই।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক শামসুন্নাহার বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন ভীষণ স্মার্ট। কথাবার্তায়, চলনে বলনে, দেশের জন্য তিনি ছিলেন ফিট ব্যক্তি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বেনজীর ভুট্রোর পর খালেদা জিয়া মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। আশি ও নব্বইয়ের দশকে বাংলার মা বোনেরা তাঁকে ভীষণ পছন্দ করতেন। তাঁর মধ্যে মায়ের মমতা ছিল। তাঁর জিহবা উল্টোপাল্টা হতো হতো। আপত্তিকর মন্তব্য তিনি করতেন না। যতটুকুন সম্ভব তিনি সংযত থাকতেন। যে কারণে নারী ভোটারেরা তাঁকে ভোট দিত বেশি। এই কারণে সব নির্বাচনে তিনি জিততেন।
তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার বয়স ৮০ বছর। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ থেকে তাঁর সংগ্রাম শুরু। এরপর ৫৫ বছর তাঁর সংগ্রামী জীবন। ১৯৮২ সাল থেকে তিনি বিএনপি চালান। ১৭ বছরে ভোটের মাঠে তিনি। তিনবার প্রধানমন্ত্রী , পাঁচবার সংসদ সদস্য।
কুমিল্লার এম কে আনোয়ার ও লে. কর্নেল (অব: ) আকবর হোসেন বীরপ্রতীকও কোন নির্বাচনে হারেননি। তাঁরা বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রীসভার সদস্য ছিলেন। খালেদা জিয়ার মতো বিনয়ী ও সৎ হওয়ার কারণে তাঁরাও ইতিহাসে স্থান করে আছেন। মানুষ তাঁদের বার বার ভোট দিতো।

বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। প্রথমবার নির্বাচন করে তিনি প্রথমে সংসদ সদস্য (এমপি) ও প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত পাঁচটি সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন। ১৭ বছরে পাঁচটি নির্বাচনে তিনি ২৩ টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সব কয়টিতে তিনি বিজয়ী হন। ভোটে দাঁড়িয়ে সব আসনে জয়ী হওয়ার রেকর্ড আর কারও নেই। ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনেও তিনি সব কয়টি আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হন। ভোটের মাঠে তিনি ছিলেন ভীষণ জনপ্রিয় ব্যক্তি। শিষ্টাচার বজায় রেখে তিনি কথা বলতেন।
খালেদা জিয়া ঢাকা, চট্রগ্রাম, খুলনা, লক্ষীপুর, সিরাজগঞ্জ ও রাজশাহীর মতো জায়গা থেকেও সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। বগুড়া, ফেনীতে তো জিততেন-ই।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক শামসুন্নাহার বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন ভীষণ স্মার্ট। কথাবার্তায়, চলনে বলনে, দেশের জন্য তিনি ছিলেন ফিট ব্যক্তি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বেনজীর ভুট্রোর পর খালেদা জিয়া মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। আশি ও নব্বইয়ের দশকে বাংলার মা বোনেরা তাঁকে ভীষণ পছন্দ করতেন। তাঁর মধ্যে মায়ের মমতা ছিল। তাঁর জিহবা উল্টোপাল্টা হতো হতো। আপত্তিকর মন্তব্য তিনি করতেন না। যতটুকুন সম্ভব তিনি সংযত থাকতেন। যে কারণে নারী ভোটারেরা তাঁকে ভোট দিত বেশি। এই কারণে সব নির্বাচনে তিনি জিততেন।
তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার বয়স ৮০ বছর। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ থেকে তাঁর সংগ্রাম শুরু। এরপর ৫৫ বছর তাঁর সংগ্রামী জীবন। ১৯৮২ সাল থেকে তিনি বিএনপি চালান। ১৭ বছরে ভোটের মাঠে তিনি। তিনবার প্রধানমন্ত্রী , পাঁচবার সংসদ সদস্য।
কুমিল্লার এম কে আনোয়ার ও লে. কর্নেল (অব: ) আকবর হোসেন বীরপ্রতীকও কোন নির্বাচনে হারেননি। তাঁরা বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রীসভার সদস্য ছিলেন। খালেদা জিয়ার মতো বিনয়ী ও সৎ হওয়ার কারণে তাঁরাও ইতিহাসে স্থান করে আছেন। মানুষ তাঁদের বার বার ভোট দিতো।