• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> বাংলাদেশ

বঙ্গোপসাগরে গিয়ে ৯ মাস ধরে নিখোঁজ কুমিল্লার দুইজনসহ ১১ জেলে

অপহরণ মামলায় নতুন তথ্য

সানা উল্লাহ সানু
প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১১: ৩৭
logo

বঙ্গোপসাগরে গিয়ে ৯ মাস ধরে নিখোঁজ কুমিল্লার দুইজনসহ ১১ জেলে

সানা উল্লাহ সানু

প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১১: ৩৭
Photo

পাঁচ মেয়ের বাবা আলমগীর মাঝি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। প্রায় নয় মাস ধরে তাঁর কোনো খোঁজ নেই। বাবা ফিরবেন, এই আশায় প্রতিদিন পথ চেয়ে থাকে তাঁর পাঁচ মেয়ে। লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার মেঘনাপাড়ের সুজন গ্রামের বাড়িতে এখন তাদের দিন কাটে উৎকণ্ঠায়।

২০২৫ সালের ৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের ফিশারিঘাট থেকে ‘এফবি শরিফা-২’ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলারে করে সাগরে যান আলমগীরসহ চার জেলার ১১ জেলে। এদের মধ্যে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের ফজলে এলাহী ও নাঙ্গলকোটের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের দুই জেলে রয়েছেন। এরপর থেকে তাঁদের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও তাঁরা কোথায় আছেন, জীবিত না মৃত এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পরিবার।

নিখোঁজ ১১ জেলের মধ্যে লক্ষ্মীপুরের তিনজন, নোয়াখালীর চারজন, কুমিল্লার দুজন এবং চট্টগ্রামের দুজন। তাঁদের সন্ধান চেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানায় অপহরণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) তদন্তাধীন।

নিখোঁজ জেলেরা হলেন, লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার সুজন গ্রামের আলমগীর মাঝি (৫৪), চর গজারিয়া গ্রামের মামুন মিস্ত্রি (৩৪) ও সবুজ গ্রামের তছির আহমেদ (৪৩); নোয়াখালীর চর জব্বরের চর লক্ষ্মী গ্রামের আজাদ(৩০), চর নাঙ্গালিয়া গ্রামের আজাদ (২৭), পূর্ব চর মজিদ গ্রামের ইমাম উদ্দিন হোসেন (২৮) ও সুবর্ণচরের চর কাজি মোখলেছ গ্রামের সালাউদ্দিন; চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের পূর্ব খইয়াছড়া গ্রামের রুবেল ও পাহাড়তলী এলাকার মিলন মিয়া; এবং কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের ফজলে এলাহী ও নাঙ্গলকোটের নিশ্চিতপুর গ্রামের ইসমাইল।

জেসমিন বেগম জানায়, তার বাবা আলমগীর মাঝিসহ ১১ জেলে ওই দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চট্টগ্রামের পুরাতন ফিশারিঘাট এলাকার চান্দগাঁও ঘাট থেকে সাগরে মাছ ধরতে রওনা হন। এরপর তাঁদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ট্রলারটিরও কোনো সন্ধান মেলেনি।

নিখোঁজ আলমগীরের মেয়ে জেসমিন বেগমের অভিযোগ, তাঁর বাবা এর আগে একই ট্রলারে দুবার সাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। তৃতীয়বার যাওয়ার আগে ট্রলার পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের আচরণ নিয়ে তাঁর বাবার সন্দেহ তৈরি হয়েছিল। ট্রলারটি ছেড়ে দিতে চাওয়ায় মালিকপক্ষের সঙ্গে বিরোধও হয়। ঘটনার দিন তাঁকে ফোনে হুমকি দিয়ে ট্রলারে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন জেসমিন।

নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা ট্রলার মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তাঁরা কোনো স্পষ্ট তথ্য দেননি বলে অভিযোগ পরিবারের। বরং একপর্যায়ে জেসমিনকে আইনি পদক্ষেপ নিলে তাঁর বাবার বিরুদ্ধেই ট্রলার নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার মামলা করার হুমকি দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর ২০২৬ সালের ১৩ এপ্রিল জেসমিন বেগম চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আসামিরা হলেন-ট্রলার মালিক মাইন উদ্দিন নাহিদ কোম্পানি, নুরুল ইসলাম রাসেল, মোহাম্মদ বেলাল ও কামাল মেম্বার। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকেও আসামি করা হয়েছে। আসামিদের বাড়ি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া ও চট্টগ্রামে। তবে আসামিরা সকলে দীর্ঘ দিন যাবত চট্টগ্রামে বসবাস করেন।

মামলার সাবেক তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক ইমাম হোসেন বলেন, অপহরণ মামলার পর ডিবি ট্রলার মালিকসহ ৩জনকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে ট্রলার মালিকরা চট্টগ্রামের রিয়াজ উদ্দিন বাজারের একজন ব্যবসায়ীর ২৫০ বস্তা সিমেন্ট ও ময়দা নিয়ে ওই জেলেদের মাধ্যমে মিয়ানমারের উদ্দেশে পাঠায়। কিন্ত এরপর ওই ট্রলারের ভাগ্যে কি ঘটেছে তা আর জানতে পারেনি কেউ।

এ কর্মকর্তা আরো জানান, তিনি ওই ব্যবসায়ীকে শনাক্ত করতে পেরেছিলেন, যার বিরুদ্ধে থানায় আরো ৪-৫টি মামলা রয়েছে। অন্যদিকে মামলার ২ নং আসামি মো. রাসেলকে গ্রেপ্তার করলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যেতো। কিন্ত তিনি পলাতক। পরে তিনি অন্যত্র বদলি হওয়ায় তদন্তের পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে পারেননি।

বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা সিএমপির ডিবির উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম বলেন, মামলাটি তাঁর কাছে আসার পর তিনি জানতে পারেন, রিয়াজ উদ্দিন বাজারের ‘হানিফ এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সিমেন্ট ও ময়দা নিয়ে ট্রলারটি মিয়ানমারের উদ্দেশে যায়। তাঁর দাবি, মিয়ানমারের জান্তা সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ট্রলারের মাঝি-মাল্লাদের আটক করেছিল, এমন তথ্য মিয়ানমার থেকে ফেরত আসা এক জেলের কাছ থেকে পাওয়া গেছে। ওই জেলের জবানবন্দি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় রেকর্ড করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, মামলায় আগে গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসামি বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। আরেক আসামি মো. রাসেল পলাতক।

এদিকে নিখোঁজ জেলেদের মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু এলাকায় আরাকান আর্মির কাছে আটক থাকার আশঙ্কার কথাও পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করা হলেও পরিবারগুলো কোনো নিশ্চিত তথ্য পায়নি বলে জানিয়েছে। নিখোঁজ জেলেদের সন্ধানে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘স্বপ্ন নিয়ে’ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে যোগাযোগ করেছে। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আশরাফুল আলম হান্নান বলেন, বিজিবি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ এবং নিখোঁজ জেলেদের তালিকা দিয়ে আবেদন করা হলেও এখনো তাঁদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। পরে পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনও করেন।

আলমগীর মাঝির মেয়ে জেসমিন বলেন, ‘আমরা শুধু জানতে চাই, আমার বাবা ও অন্য জেলেরা কোথায় আছেন। তাঁরা বেঁচে আছেন কি না, সেটিও জানি না। নয় মাস ধরে প্রতিদিন অপেক্ষা করছি।’

Thumbnail image

পাঁচ মেয়ের বাবা আলমগীর মাঝি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। প্রায় নয় মাস ধরে তাঁর কোনো খোঁজ নেই। বাবা ফিরবেন, এই আশায় প্রতিদিন পথ চেয়ে থাকে তাঁর পাঁচ মেয়ে। লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার মেঘনাপাড়ের সুজন গ্রামের বাড়িতে এখন তাদের দিন কাটে উৎকণ্ঠায়।

২০২৫ সালের ৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের ফিশারিঘাট থেকে ‘এফবি শরিফা-২’ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলারে করে সাগরে যান আলমগীরসহ চার জেলার ১১ জেলে। এদের মধ্যে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের ফজলে এলাহী ও নাঙ্গলকোটের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের দুই জেলে রয়েছেন। এরপর থেকে তাঁদের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও তাঁরা কোথায় আছেন, জীবিত না মৃত এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পরিবার।

নিখোঁজ ১১ জেলের মধ্যে লক্ষ্মীপুরের তিনজন, নোয়াখালীর চারজন, কুমিল্লার দুজন এবং চট্টগ্রামের দুজন। তাঁদের সন্ধান চেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানায় অপহরণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) তদন্তাধীন।

নিখোঁজ জেলেরা হলেন, লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার সুজন গ্রামের আলমগীর মাঝি (৫৪), চর গজারিয়া গ্রামের মামুন মিস্ত্রি (৩৪) ও সবুজ গ্রামের তছির আহমেদ (৪৩); নোয়াখালীর চর জব্বরের চর লক্ষ্মী গ্রামের আজাদ(৩০), চর নাঙ্গালিয়া গ্রামের আজাদ (২৭), পূর্ব চর মজিদ গ্রামের ইমাম উদ্দিন হোসেন (২৮) ও সুবর্ণচরের চর কাজি মোখলেছ গ্রামের সালাউদ্দিন; চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের পূর্ব খইয়াছড়া গ্রামের রুবেল ও পাহাড়তলী এলাকার মিলন মিয়া; এবং কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের ফজলে এলাহী ও নাঙ্গলকোটের নিশ্চিতপুর গ্রামের ইসমাইল।

জেসমিন বেগম জানায়, তার বাবা আলমগীর মাঝিসহ ১১ জেলে ওই দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চট্টগ্রামের পুরাতন ফিশারিঘাট এলাকার চান্দগাঁও ঘাট থেকে সাগরে মাছ ধরতে রওনা হন। এরপর তাঁদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ট্রলারটিরও কোনো সন্ধান মেলেনি।

নিখোঁজ আলমগীরের মেয়ে জেসমিন বেগমের অভিযোগ, তাঁর বাবা এর আগে একই ট্রলারে দুবার সাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। তৃতীয়বার যাওয়ার আগে ট্রলার পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের আচরণ নিয়ে তাঁর বাবার সন্দেহ তৈরি হয়েছিল। ট্রলারটি ছেড়ে দিতে চাওয়ায় মালিকপক্ষের সঙ্গে বিরোধও হয়। ঘটনার দিন তাঁকে ফোনে হুমকি দিয়ে ট্রলারে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন জেসমিন।

নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা ট্রলার মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তাঁরা কোনো স্পষ্ট তথ্য দেননি বলে অভিযোগ পরিবারের। বরং একপর্যায়ে জেসমিনকে আইনি পদক্ষেপ নিলে তাঁর বাবার বিরুদ্ধেই ট্রলার নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার মামলা করার হুমকি দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর ২০২৬ সালের ১৩ এপ্রিল জেসমিন বেগম চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আসামিরা হলেন-ট্রলার মালিক মাইন উদ্দিন নাহিদ কোম্পানি, নুরুল ইসলাম রাসেল, মোহাম্মদ বেলাল ও কামাল মেম্বার। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকেও আসামি করা হয়েছে। আসামিদের বাড়ি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া ও চট্টগ্রামে। তবে আসামিরা সকলে দীর্ঘ দিন যাবত চট্টগ্রামে বসবাস করেন।

মামলার সাবেক তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক ইমাম হোসেন বলেন, অপহরণ মামলার পর ডিবি ট্রলার মালিকসহ ৩জনকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে ট্রলার মালিকরা চট্টগ্রামের রিয়াজ উদ্দিন বাজারের একজন ব্যবসায়ীর ২৫০ বস্তা সিমেন্ট ও ময়দা নিয়ে ওই জেলেদের মাধ্যমে মিয়ানমারের উদ্দেশে পাঠায়। কিন্ত এরপর ওই ট্রলারের ভাগ্যে কি ঘটেছে তা আর জানতে পারেনি কেউ।

এ কর্মকর্তা আরো জানান, তিনি ওই ব্যবসায়ীকে শনাক্ত করতে পেরেছিলেন, যার বিরুদ্ধে থানায় আরো ৪-৫টি মামলা রয়েছে। অন্যদিকে মামলার ২ নং আসামি মো. রাসেলকে গ্রেপ্তার করলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যেতো। কিন্ত তিনি পলাতক। পরে তিনি অন্যত্র বদলি হওয়ায় তদন্তের পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে পারেননি।

বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা সিএমপির ডিবির উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম বলেন, মামলাটি তাঁর কাছে আসার পর তিনি জানতে পারেন, রিয়াজ উদ্দিন বাজারের ‘হানিফ এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সিমেন্ট ও ময়দা নিয়ে ট্রলারটি মিয়ানমারের উদ্দেশে যায়। তাঁর দাবি, মিয়ানমারের জান্তা সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ট্রলারের মাঝি-মাল্লাদের আটক করেছিল, এমন তথ্য মিয়ানমার থেকে ফেরত আসা এক জেলের কাছ থেকে পাওয়া গেছে। ওই জেলের জবানবন্দি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় রেকর্ড করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, মামলায় আগে গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসামি বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। আরেক আসামি মো. রাসেল পলাতক।

এদিকে নিখোঁজ জেলেদের মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু এলাকায় আরাকান আর্মির কাছে আটক থাকার আশঙ্কার কথাও পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করা হলেও পরিবারগুলো কোনো নিশ্চিত তথ্য পায়নি বলে জানিয়েছে। নিখোঁজ জেলেদের সন্ধানে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘স্বপ্ন নিয়ে’ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে যোগাযোগ করেছে। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আশরাফুল আলম হান্নান বলেন, বিজিবি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ এবং নিখোঁজ জেলেদের তালিকা দিয়ে আবেদন করা হলেও এখনো তাঁদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। পরে পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনও করেন।

আলমগীর মাঝির মেয়ে জেসমিন বলেন, ‘আমরা শুধু জানতে চাই, আমার বাবা ও অন্য জেলেরা কোথায় আছেন। তাঁরা বেঁচে আছেন কি না, সেটিও জানি না। নয় মাস ধরে প্রতিদিন অপেক্ষা করছি।’

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

বিনিয়োগ, এলএনজি সরবরাহ ও দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

২

ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

৩

ফেনীর পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

৪

বঙ্গোপসাগরে গিয়ে ৯ মাস ধরে নিখোঁজ কুমিল্লার দুইজনসহ ১১ জেলে

৫

দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সম্পর্কিত

বিনিয়োগ, এলএনজি সরবরাহ ও দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বিনিয়োগ, এলএনজি সরবরাহ ও দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

১১ ঘণ্টা আগে
ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

১৩ ঘণ্টা আগে
ফেনীর পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ফেনীর পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১৮ ঘণ্টা আগে
দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

১ দিন আগে