আমার শহর ডেস্ক

আধুনিক আকাশপথের যুদ্ধের হুমকি থেকে নাগরিকদের সুরক্ষা এবং দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবিলম্বে অত্যাধুনিক বিদেশি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় এবং নিজস্ব প্রযুক্তিতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির জন্য গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম চালুর দাবিতে সরকারকে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান জনস্বার্থে এই আইনি নোটিশ পাঠান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানার কমান্ড্যান্ট বরাবর এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের কৌশল ও ধরন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। কোনো বিদেশি রাষ্ট্র কর্তৃক মিসাইল, যুদ্ধবিমান ও ড্রোন হামলা হলে দেশের সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি সাধারণ বেসামরিক নাগরিকদের জীবনও চরম হুমকিতে পড়বে। নোটিশে আরও বলা হয়, আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা, প্রতিবেশী মিয়ানমারের চলমান গৃহযুদ্ধ এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। প্রতিবেশী দেশ ভারত ইতোমধ্যে রাশিয়ার অত্যাধুনিক এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনে স্থাপন করেছে।
আঞ্চলিক ভারসাম্য ও সামরিক প্রতিরোধ সক্ষমতা বজায় রাখতে বাংলাদেশেরও অবিলম্বে মার্কিন প্যাট্রিয়ট অথবা সমমানের উন্নত চীনা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিদেশি প্রযুক্তির ওপর দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরতা কমানো এবং ব্যয় সংকোচনের লক্ষ্যে নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরিতে দেশীয় গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করা কৌশলগতভাবে অপরিহার্য বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
নোটিশে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অত্যাধুনিক বিদেশি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় এবং নিজস্ব প্রযুক্তি উদ্ভাবনে প্রয়োজনীয় তহবিল ও অবকাঠামো বরাদ্দের প্রক্রিয়া শুরু করতে এবং গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে জানাতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আধুনিক আকাশপথের যুদ্ধের হুমকি থেকে নাগরিকদের সুরক্ষা এবং দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবিলম্বে অত্যাধুনিক বিদেশি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় এবং নিজস্ব প্রযুক্তিতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির জন্য গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম চালুর দাবিতে সরকারকে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান জনস্বার্থে এই আইনি নোটিশ পাঠান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানার কমান্ড্যান্ট বরাবর এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের কৌশল ও ধরন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। কোনো বিদেশি রাষ্ট্র কর্তৃক মিসাইল, যুদ্ধবিমান ও ড্রোন হামলা হলে দেশের সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি সাধারণ বেসামরিক নাগরিকদের জীবনও চরম হুমকিতে পড়বে। নোটিশে আরও বলা হয়, আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা, প্রতিবেশী মিয়ানমারের চলমান গৃহযুদ্ধ এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। প্রতিবেশী দেশ ভারত ইতোমধ্যে রাশিয়ার অত্যাধুনিক এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনে স্থাপন করেছে।
আঞ্চলিক ভারসাম্য ও সামরিক প্রতিরোধ সক্ষমতা বজায় রাখতে বাংলাদেশেরও অবিলম্বে মার্কিন প্যাট্রিয়ট অথবা সমমানের উন্নত চীনা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিদেশি প্রযুক্তির ওপর দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরতা কমানো এবং ব্যয় সংকোচনের লক্ষ্যে নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরিতে দেশীয় গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করা কৌশলগতভাবে অপরিহার্য বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
নোটিশে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অত্যাধুনিক বিদেশি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় এবং নিজস্ব প্রযুক্তি উদ্ভাবনে প্রয়োজনীয় তহবিল ও অবকাঠামো বরাদ্দের প্রক্রিয়া শুরু করতে এবং গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে জানাতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।