নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামে ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলীখেলার ১১৭তম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন কুমিল্লার বাঘা শরীফ। ফাইনালে তিনি রাশেদ বলীকে পরাজিত করে শিরোপা জিতেছেন তিনি। এ নিয়ে টানা তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন শরীফ।
আজ শনিবার বিকেলে নগরের লালদীঘি মাঠে দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা শেষে এই ফল নির্ধারিত হয়।
ফাইনালে দুই বলীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলেন দুই জন।
২৪ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের খেলায় রাশেদকে পরাজিত করে জয়ী হন বাঘা শরীফ।
এর আগে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় মিঠু ও রাশেদ।
এ খেলায় মিঠুকে হারিয়ে রাশেদ ফাইনালে যান। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় বাঘা শরীফ ও শাহ জালাল। যদি সমঝোতার ভিত্তিতে বাঘা শরীফকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। ফলে ফাইনালে মুখোমুখী হন গতবারের দুই ফাইনালিস্ট বাঘা শরীফ ও রাশেদ। এ নিয়ে টানা তিন আসরে ফাইনালে মুখোমুখী হয়েছেন তারা।
এদিকে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জিতেছেন মিঠু।

রাশেদ বলী কুমিল্লা সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের নসরাইল গ্রামের বাসিন্দা। অন্যদিকে বাঘা শরীফ কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলার ঘারমোড়া ইউনিয়নের মণিপুর গ্রামের বাসিন্দা।
বলীখেলাকে কেন্দ্র করে লালদীঘি মাঠ সংলগ্ন এলাকায় বসা বৈশাখী মেলাতেও ছিল উপচে পড়া ভিড়। দিনভর কেনাবেচা, খাবারের স্টল ও বিনোদনের নানা আয়োজন ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অংশ নেওয়া ১০৮ জনের বলী অংশগ্রহণ করে এবারের আসর। আসরের টাইটেল স্পন্সর বাংলালিংক।
১৯০৯ সালে বদরপাতির ব্যবসায়ী আবদুল জব্বার সওদাগরের উদ্যোগে এই বলীখেলার সূচনা হয়। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় তরুণদের শক্তি ও সাহস জাগিয়ে তুলতেই শুরু হয়েছিল এই আয়োজন। ধীরে ধীরে তা চট্টগ্রামের মানুষের অন্যতম বড় উৎসবে পরিণত হয়।
প্রতিবছর ১২ বৈশাখ লালদীঘি মাঠে বসে এই বলীখেলা। একে ঘিরে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে জমে ওঠে বৈশাখী মেলা। কেনাবেচা, আড্ডা আর মানুষের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
শত বছরের বেশি সময় পেরিয়েও এই বলীখেলা এখনো চট্টগ্রামের মানুষের আবেগের জায়গা দখল করে আছে। আর সেই মাটিতেই আবারও নিজের আধিপত্যের ছাপ রেখে গেলেন বাঘা শরীফ।

চট্টগ্রামে ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলীখেলার ১১৭তম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন কুমিল্লার বাঘা শরীফ। ফাইনালে তিনি রাশেদ বলীকে পরাজিত করে শিরোপা জিতেছেন তিনি। এ নিয়ে টানা তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন শরীফ।
আজ শনিবার বিকেলে নগরের লালদীঘি মাঠে দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা শেষে এই ফল নির্ধারিত হয়।
ফাইনালে দুই বলীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলেন দুই জন।
২৪ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের খেলায় রাশেদকে পরাজিত করে জয়ী হন বাঘা শরীফ।
এর আগে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় মিঠু ও রাশেদ।
এ খেলায় মিঠুকে হারিয়ে রাশেদ ফাইনালে যান। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় বাঘা শরীফ ও শাহ জালাল। যদি সমঝোতার ভিত্তিতে বাঘা শরীফকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। ফলে ফাইনালে মুখোমুখী হন গতবারের দুই ফাইনালিস্ট বাঘা শরীফ ও রাশেদ। এ নিয়ে টানা তিন আসরে ফাইনালে মুখোমুখী হয়েছেন তারা।
এদিকে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জিতেছেন মিঠু।

রাশেদ বলী কুমিল্লা সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের নসরাইল গ্রামের বাসিন্দা। অন্যদিকে বাঘা শরীফ কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলার ঘারমোড়া ইউনিয়নের মণিপুর গ্রামের বাসিন্দা।
বলীখেলাকে কেন্দ্র করে লালদীঘি মাঠ সংলগ্ন এলাকায় বসা বৈশাখী মেলাতেও ছিল উপচে পড়া ভিড়। দিনভর কেনাবেচা, খাবারের স্টল ও বিনোদনের নানা আয়োজন ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অংশ নেওয়া ১০৮ জনের বলী অংশগ্রহণ করে এবারের আসর। আসরের টাইটেল স্পন্সর বাংলালিংক।
১৯০৯ সালে বদরপাতির ব্যবসায়ী আবদুল জব্বার সওদাগরের উদ্যোগে এই বলীখেলার সূচনা হয়। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় তরুণদের শক্তি ও সাহস জাগিয়ে তুলতেই শুরু হয়েছিল এই আয়োজন। ধীরে ধীরে তা চট্টগ্রামের মানুষের অন্যতম বড় উৎসবে পরিণত হয়।
প্রতিবছর ১২ বৈশাখ লালদীঘি মাঠে বসে এই বলীখেলা। একে ঘিরে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে জমে ওঠে বৈশাখী মেলা। কেনাবেচা, আড্ডা আর মানুষের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
শত বছরের বেশি সময় পেরিয়েও এই বলীখেলা এখনো চট্টগ্রামের মানুষের আবেগের জায়গা দখল করে আছে। আর সেই মাটিতেই আবারও নিজের আধিপত্যের ছাপ রেখে গেলেন বাঘা শরীফ।