নিজস্ব প্রতিবেদক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব হলেন ওল্ড ভিক্টোরিয়ান্স মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা।
আজ মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধতন নিয়োগ-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ওই তথ্য জানানো হয়। এর আগে মামুনুর একই বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব (অতিরিক্ত) ছিলেন।
তাঁর গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামে। তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।
তিনি কুমিল্লার ২০০৯ সালে দেবীদ্বার ও ২০০৬ সালে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছিলেন। একজন সৎ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর সুনাম রয়েছে।
মো. মামুনুর রশীদ ভুঞা ১৯৮৮ সালে এসএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। এরপর ১৯৯০ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসিতে বিজ্ঞানে থেকে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। পরে তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে রসায়নে অনার্স ও মাস্টার্স করেন। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রসায়নে সারাদেশের মধ্যে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন। মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে তৃতীয় হন। ১৯৯৯ সালের ২৫ জানুয়ারি তিনি বিসিএস প্রশাসনে (ক্যাডার) যোগ দেন। তিনি বিসিএস ১৮তম ক্যাডারের কর্মকর্তা। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব হলেন ওল্ড ভিক্টোরিয়ান্স মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা।
আজ মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধতন নিয়োগ-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ওই তথ্য জানানো হয়। এর আগে মামুনুর একই বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব (অতিরিক্ত) ছিলেন।
তাঁর গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামে। তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।
তিনি কুমিল্লার ২০০৯ সালে দেবীদ্বার ও ২০০৬ সালে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছিলেন। একজন সৎ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর সুনাম রয়েছে।
মো. মামুনুর রশীদ ভুঞা ১৯৮৮ সালে এসএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। এরপর ১৯৯০ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসিতে বিজ্ঞানে থেকে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। পরে তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে রসায়নে অনার্স ও মাস্টার্স করেন। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রসায়নে সারাদেশের মধ্যে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন। মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে তৃতীয় হন। ১৯৯৯ সালের ২৫ জানুয়ারি তিনি বিসিএস প্রশাসনে (ক্যাডার) যোগ দেন। তিনি বিসিএস ১৮তম ক্যাডারের কর্মকর্তা। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক।