আমার শহর ডেস্ক

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কলেজ শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান রাকিবকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার চার আসামির মধ্যে দু’জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অপর দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
আজ বুধবার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন আসামিদের জবানবন্দি রেকর্ড এবং রিমান্ড মঞ্জুরের আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই মো. মিঠু সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতার চার আসামির মধ্যে গোলাম রসুল শিহাব ও সাগর কবির আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অপরদিকে রাফিন শেখ ও শাহরিয়ার নাজিম জয়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, শিহাবকে ঘটনাস্থল শহীদ মিনার এলাকা থেকে, সাগরকে পটুয়াখালী থেকে এবং রাফিন ও জয়কে খুলনা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তাদের আদালতে হাজির করা হলে শিহাব ও সাগর স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। অন্যদিকে রাফিন ও জয়ের বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলেও আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্ঘাটন, ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল) ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত করতে রিমান্ড প্রয়োজন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিহাব ও সাগর হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এবং খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী সালাউদ্দিনের নির্দেশে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলেও জানিয়েছেন।
গত রোববার রাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ২৫ বছর বয়সী শেখ বোরহানুদ্দীন কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী তরিকুল ইসলাম খোকন, গত সোমবার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মোটরসাইকেলে করে শহীদ মিনারে যাওয়ার পরপরই রাকিবকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। পরে ৫-৬ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাকিবকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কলেজ শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান রাকিবকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার চার আসামির মধ্যে দু’জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অপর দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
আজ বুধবার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন আসামিদের জবানবন্দি রেকর্ড এবং রিমান্ড মঞ্জুরের আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই মো. মিঠু সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতার চার আসামির মধ্যে গোলাম রসুল শিহাব ও সাগর কবির আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অপরদিকে রাফিন শেখ ও শাহরিয়ার নাজিম জয়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, শিহাবকে ঘটনাস্থল শহীদ মিনার এলাকা থেকে, সাগরকে পটুয়াখালী থেকে এবং রাফিন ও জয়কে খুলনা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তাদের আদালতে হাজির করা হলে শিহাব ও সাগর স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। অন্যদিকে রাফিন ও জয়ের বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলেও আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্ঘাটন, ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল) ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত করতে রিমান্ড প্রয়োজন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিহাব ও সাগর হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এবং খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী সালাউদ্দিনের নির্দেশে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলেও জানিয়েছেন।
গত রোববার রাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ২৫ বছর বয়সী শেখ বোরহানুদ্দীন কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী তরিকুল ইসলাম খোকন, গত সোমবার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মোটরসাইকেলে করে শহীদ মিনারে যাওয়ার পরপরই রাকিবকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। পরে ৫-৬ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাকিবকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।