আমার শহর ডেস্ক

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় বিস্ফোরণে দগ্ধ এক মাদ্রাসাছাত্রের বাড়িতে পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল অভিযান চালিয়ে বিস্ফোরকসদৃশ আলামত জব্দ করেছে।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত উপজেলার কুশলী ইউনিয়নের নিলফা বাজার এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। দগ্ধ মতিউর রহমান (২৩) উপজেলার নিলফা গ্রামের মোস্তাক আহমেদের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে আসা বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের সদস্যরা মতিউর রহমানের বাড়ি তল্লাশি করে একটি অবিস্ফোরিত ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার করে তা নিষ্ক্রিয় করেন। এ ছাড়া বিস্ফোরিত বস্তুটির কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে।
টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি আইয়ুব আলী বলেন, মতিউর এর আগে অন্তত দুটি বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। প্রায় দেড় মাস আগে তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভেন্নাবাড়ী মাদ্রাসার পাশে একটি বিস্ফোরণ ঘটান। এ ছাড়া গত রবিবার নিজ বাড়ির পাশেও একই ধরনের আরেকটি বিস্ফোরণ ঘটান। সোমবার সন্ধ্যায় বাড়িতে এসএস পাইপ ও দেশলাইয়ের বারুদসহ বিভিন্ন উপাদান দিয়ে দুটি ককটেলসদৃশ বস্তু তৈরি করছিলেন। এ সময় সেখানে বিস্ফোরণ হয়। এতে মতিউরের হাত, পা, মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ দগ্ধ হয়।
স্থানীয় লোকজন আহত মতিউরকে উদ্ধার করে প্রথমে গোপালগঞ্জ মেডিকযাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
ওসি আইয়ুব আলী বলেন, ঢাকা থেকে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের সদস্যরা এসেছিলেন। তারা আলামত সংগ্রহ করেছেন। এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক অসীম কুমার ধর বলেন, আহত তরুণের শরীরের ক্ষতচিহ্ন আতশবাজির বিস্ফোরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়; বরং ককটেল বা হাতবোমার বিস্ফোরণে এটা হতে পারে।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় বিস্ফোরণে দগ্ধ এক মাদ্রাসাছাত্রের বাড়িতে পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল অভিযান চালিয়ে বিস্ফোরকসদৃশ আলামত জব্দ করেছে।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত উপজেলার কুশলী ইউনিয়নের নিলফা বাজার এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। দগ্ধ মতিউর রহমান (২৩) উপজেলার নিলফা গ্রামের মোস্তাক আহমেদের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে আসা বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের সদস্যরা মতিউর রহমানের বাড়ি তল্লাশি করে একটি অবিস্ফোরিত ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার করে তা নিষ্ক্রিয় করেন। এ ছাড়া বিস্ফোরিত বস্তুটির কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে।
টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি আইয়ুব আলী বলেন, মতিউর এর আগে অন্তত দুটি বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। প্রায় দেড় মাস আগে তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভেন্নাবাড়ী মাদ্রাসার পাশে একটি বিস্ফোরণ ঘটান। এ ছাড়া গত রবিবার নিজ বাড়ির পাশেও একই ধরনের আরেকটি বিস্ফোরণ ঘটান। সোমবার সন্ধ্যায় বাড়িতে এসএস পাইপ ও দেশলাইয়ের বারুদসহ বিভিন্ন উপাদান দিয়ে দুটি ককটেলসদৃশ বস্তু তৈরি করছিলেন। এ সময় সেখানে বিস্ফোরণ হয়। এতে মতিউরের হাত, পা, মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ দগ্ধ হয়।
স্থানীয় লোকজন আহত মতিউরকে উদ্ধার করে প্রথমে গোপালগঞ্জ মেডিকযাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
ওসি আইয়ুব আলী বলেন, ঢাকা থেকে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের সদস্যরা এসেছিলেন। তারা আলামত সংগ্রহ করেছেন। এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক অসীম কুমার ধর বলেন, আহত তরুণের শরীরের ক্ষতচিহ্ন আতশবাজির বিস্ফোরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়; বরং ককটেল বা হাতবোমার বিস্ফোরণে এটা হতে পারে।