আমার শহর ডেস্ক

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন খান মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে এম হাফিজ উদ্দিন খান রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। হাফিজ উদ্দিন খানের আত্মীয় মৌসুমী মোস্তফা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিরাজগঞ্জ শহরের সমাজকল্যাণ মোড় এলাকার প্রয়াত শিক্ষক কোব্বাদ আলী খানের ছেলে হাফিজ উদ্দিন খান সৎ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি উত্তরার বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতেন। স্ত্রী ও কানাডাপ্রবাসী দুই মেয়ে রেখে গেছেন হাফিজ উদ্দিন খান।
তাঁর মামাতো ভাই লিয়াকত আলী গণমাধ্যমকে বলেন, 'দুই মেয়ের পরিবার কানাডা থেকে আসার পর জানাজার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। তবে তাঁকে গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জের রহমতগঞ্জ কবরস্থানে দাফন করা হবে- এটি নিশ্চিত।'
১৯৬০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে বিএ (সম্মান) এবং ১৯৬১ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন হাফিজ উদ্দিন খান। পরে তিনি যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স বিষয়ে ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন। ১৯৬৪ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন হাফিজ উদ্দিন। স্বাধীনতার পর ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সিনিয়র সার্ভিস পুলে অন্তর্ভুক্ত করে। দীর্ঘ কর্মজীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পর ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশের ষষ্ঠ মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক হিসেবে নিযুক্ত হন। প্রায় ৩৫ বছর সরকারি চাকরি শেষে ১৯৯৯ সালের ৭ আগস্ট তিনি অবসর নেন।
সরকারি দায়িত্বের পাশাপাশি আর্থিক খাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন হাফিজ উদ্দিন খান। তিনি বেসিক ব্যাংক লিমিটেড ও রূপালী ব্যাংকের পরিচালক এবং অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালের ১৬ জুলাই থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে তিনি উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে অর্থ, পরিকল্পনা এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেডের পরিচালক ছিলেন।

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন খান মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে এম হাফিজ উদ্দিন খান রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। হাফিজ উদ্দিন খানের আত্মীয় মৌসুমী মোস্তফা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিরাজগঞ্জ শহরের সমাজকল্যাণ মোড় এলাকার প্রয়াত শিক্ষক কোব্বাদ আলী খানের ছেলে হাফিজ উদ্দিন খান সৎ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি উত্তরার বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতেন। স্ত্রী ও কানাডাপ্রবাসী দুই মেয়ে রেখে গেছেন হাফিজ উদ্দিন খান।
তাঁর মামাতো ভাই লিয়াকত আলী গণমাধ্যমকে বলেন, 'দুই মেয়ের পরিবার কানাডা থেকে আসার পর জানাজার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। তবে তাঁকে গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জের রহমতগঞ্জ কবরস্থানে দাফন করা হবে- এটি নিশ্চিত।'
১৯৬০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে বিএ (সম্মান) এবং ১৯৬১ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন হাফিজ উদ্দিন খান। পরে তিনি যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স বিষয়ে ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন। ১৯৬৪ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন হাফিজ উদ্দিন। স্বাধীনতার পর ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সিনিয়র সার্ভিস পুলে অন্তর্ভুক্ত করে। দীর্ঘ কর্মজীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পর ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশের ষষ্ঠ মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক হিসেবে নিযুক্ত হন। প্রায় ৩৫ বছর সরকারি চাকরি শেষে ১৯৯৯ সালের ৭ আগস্ট তিনি অবসর নেন।
সরকারি দায়িত্বের পাশাপাশি আর্থিক খাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন হাফিজ উদ্দিন খান। তিনি বেসিক ব্যাংক লিমিটেড ও রূপালী ব্যাংকের পরিচালক এবং অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালের ১৬ জুলাই থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে তিনি উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে অর্থ, পরিকল্পনা এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেডের পরিচালক ছিলেন।